সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদি আরব প্রবাসী বগুড়া জেলা বিএনপির উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত শিকড়ের টানে এক সুতোয়: পূর্বাচলে ৯৮ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনমেলা মেধার কদর ও এক বছরের পথচলা: কালাপাহাড়িয়ায় ফ্রেন্ডস কমিউনিটির বর্ণিল আয়োজন সিদ্ধিরগঞ্জে যুবককে কুপিয়েছে মাদক ব্যবসায়ীরা, প্রতিবাদে মানববন্ধন রিয়াদে গ্রীণ ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে মাহে রমাদানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অসহায় মানুষের মুখে হাসি: পশ্চিম আইলপাড়ায় বিএনপি নেতা রাজিবের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সিদ্ধিরগঞ্জে হত-দরিদ্রদের মাঝে যাকাতের নগদ অর্থ বিতরণ নাসিক ৩নং ওয়ার্ডে নতুন নেতৃত্বের ডাক : কাউন্সিলর পদে আলোচনায় এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় এগিয়ে আসতে হবে : এমপি মান্নান বাবার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া: সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রানার পিতার বিংশতম মৃত্যুবার্ষিকী

বিশ বছর ধরে বিএনপি করেও আওয়ামী লীগের তকমায় হত্যা মামলা আসামি মতিন প্রধান

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৪৮৭ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি: আওয়ামী লীগের তকমা লাগিয়ে বিএনপি মনোনিত তৎকালিন সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক আব্দুল মতিন প্রধানকে হেয়প্রতিপন্ন ও কেউ যেন হয়রানী করতে না পারে জেলা পুলিশ প্রশাসনের এমন নির্দেশনার পরও থেমে নেই ষড়যন্ত্র। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ আইন শাখা-২ এর নিদেশে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মো. হাসিনুজ্জামান তদন্দ করে এক প্রতিবেদনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে এমন নির্দেশনা দেন। তবু দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে বিএপির সাবেক এ নেতাকে আওয়ামী লীগের তকমা দিয়ে ঘটনার ১৩ মাস পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত মো. সজিব হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে।

মামলায় আব্দুল মতিন প্রধানকে আওয়ামী কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালে মতিন প্রধান কৃষক লীগের কোষাধ্যক্ষ পদে ছিলেন তা সত্য। তবে একই কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াসউদ্দিন ও আব্দুল মতিন প্রধান দলত্যাগ করে, ২০০১ সালে অনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদেন। পরে গিয়াস উদ্দিন বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে ২০০১ সালে নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আব্দুল মতিন প্রধান ২০০২ সালে হন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির স্বাস্থ বিষয়ক সম্পাদক। পরে ২০১১ সালে তিনি হন নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক। বিএনপি সরকার আমলে গঠিত সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক মনোনিত করা হয় আব্দুল মতিন প্রধানকে। তিনি একটানা ৭ বছর সফলাতার সাথে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন। পৌরসভার প্রশাসক থাকা কালে ও পরে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ তুলা হলেও তা প্রমাণিত হয়নি। সর্বশেষ ২০১৩ সালে আব্দুল মতিন প্রধান সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক হিসেবে দলীয় দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার সাথে একাধিকবার সাক্ষাত করেছেন। সাক্ষাত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মীর্জ ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গেও। তিনি বিএনপির একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। তবে বিনা প্রতিদ্বদ্ধিতায় ১০১৪ সালে শামীম ওসমান আওয়ামী লীগের এমপি হওয়ার পর বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর শুরু হয় অত্যাচার নির্যাতন আর হামলা মামলা। ফলে বহু বিএনপি নেতা দলীয় কাজ থেকে দূরে সরে গিয়ে ঘর কোণ হয়ে পড়েন। অনেকই গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে দল ত্যাগের ঘোষণা দেন। তাদের মধ্যে একজন মতিন প্রধান। আওয়ামী লীগ নেতাদের ভয়ে বিএনপি থেকে সরে গেলেও মতিন প্রধান কোন দলীয় পদ গ্রহণ করেন নি।
সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার পূর্ব কলাবাগ এলাকার মৃত মো. কাইজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মতিন প্রধান(৬২) মূলত বসবাস করেন ঢাকার বিজয় নগর এলাকায়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ২১ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাংরোড এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় মো. সজিব (১৭)। এ ঘটনার ১৩ মাস পর ৪৫ জন এজাহার নামীয় ও ১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। আব্দুল মতিন প্রধানকে করা হয়েছে মামলার ৪ নং আসামি।

মামলার বিষয়ে আব্দুল মতিন প্রধান বলেন, চিকিৎসার জন্য আমি ২৫ জুন মালয়েশিয়া যাই। ১৬ জুলাই দেশে আসি। চিকিৎসকের পরামর্শে দীর্ঘদিন নীবির বিশ্রামে ছিলাম। নিজের পরিবার ছাড়া অন্য কারো সঙ্গে তখন আমার কোন যোগাযোগ ছিলনা। ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর একটি মহল আওয়ামী লীগ তকমা লাগিয়ে আমাকে হত্যা মামলায় জড়ানো ষড়যন্ত্র করার পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। তখন আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে একটি লিখিত আবেদ করি। তার প্রেক্ষিতে আমার বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য গত ১৬ মার্চ জননিরাপত্তা বিভাগের আইন-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আব্দুল হাই স্বাক্ষরিত একটি পত্র দেয় পুলিশ মহাপরিদর্শ ও নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারকে। তখন নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান আমার বিষয়ে তদন্ত করে ৪ মে প্রতিবেদ দাখিল করে। প্রতিবেদনে আমাকে বিএনপি মনোনিত সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের তকমা লাগিয়ে হেয়প্রতিপন্ন ও অযতা হয়রানী করতে না পারে সে মর্মে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করা হয়। তারপরও একটি মহল স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে আমাকে হত্যা মামলায় জড়িয়েছে।

জানতে চাইলে মামলার বাদী সালাউদ্দিন বলেন, আব্দুল মতিন প্রধানকে আমি চিনিনা। মামলার আসামি কাদের করা হয়েছে তাও জানিনা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা আমাকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে নিয়ে স্বাক্ষর করতে বলেছে আমি তাদের কথামত স্বাক্ষর করেছি। তারা করা জানতে চাইলে তিনি তাদের নাম বলতে পারেন নি।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি শাহিনূর আলম বলেন, আদালত থেকে মামলার এজাহার প্রেরণ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে মামলা নথিভুক্ত করেছি।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরব প্রবাসী বগুড়া জেলা বিএনপির উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

বিশ বছর ধরে বিএনপি করেও আওয়ামী লীগের তকমায় হত্যা মামলা আসামি মতিন প্রধান

আপডেট সময় : ০২:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি: আওয়ামী লীগের তকমা লাগিয়ে বিএনপি মনোনিত তৎকালিন সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক আব্দুল মতিন প্রধানকে হেয়প্রতিপন্ন ও কেউ যেন হয়রানী করতে না পারে জেলা পুলিশ প্রশাসনের এমন নির্দেশনার পরও থেমে নেই ষড়যন্ত্র। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ আইন শাখা-২ এর নিদেশে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মো. হাসিনুজ্জামান তদন্দ করে এক প্রতিবেদনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে এমন নির্দেশনা দেন। তবু দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে বিএপির সাবেক এ নেতাকে আওয়ামী লীগের তকমা দিয়ে ঘটনার ১৩ মাস পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত মো. সজিব হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে।

মামলায় আব্দুল মতিন প্রধানকে আওয়ামী কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালে মতিন প্রধান কৃষক লীগের কোষাধ্যক্ষ পদে ছিলেন তা সত্য। তবে একই কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াসউদ্দিন ও আব্দুল মতিন প্রধান দলত্যাগ করে, ২০০১ সালে অনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদেন। পরে গিয়াস উদ্দিন বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে ২০০১ সালে নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আব্দুল মতিন প্রধান ২০০২ সালে হন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির স্বাস্থ বিষয়ক সম্পাদক। পরে ২০১১ সালে তিনি হন নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক। বিএনপি সরকার আমলে গঠিত সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক মনোনিত করা হয় আব্দুল মতিন প্রধানকে। তিনি একটানা ৭ বছর সফলাতার সাথে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন। পৌরসভার প্রশাসক থাকা কালে ও পরে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ তুলা হলেও তা প্রমাণিত হয়নি। সর্বশেষ ২০১৩ সালে আব্দুল মতিন প্রধান সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক হিসেবে দলীয় দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার সাথে একাধিকবার সাক্ষাত করেছেন। সাক্ষাত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মীর্জ ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গেও। তিনি বিএনপির একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। তবে বিনা প্রতিদ্বদ্ধিতায় ১০১৪ সালে শামীম ওসমান আওয়ামী লীগের এমপি হওয়ার পর বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর শুরু হয় অত্যাচার নির্যাতন আর হামলা মামলা। ফলে বহু বিএনপি নেতা দলীয় কাজ থেকে দূরে সরে গিয়ে ঘর কোণ হয়ে পড়েন। অনেকই গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে দল ত্যাগের ঘোষণা দেন। তাদের মধ্যে একজন মতিন প্রধান। আওয়ামী লীগ নেতাদের ভয়ে বিএনপি থেকে সরে গেলেও মতিন প্রধান কোন দলীয় পদ গ্রহণ করেন নি।
সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার পূর্ব কলাবাগ এলাকার মৃত মো. কাইজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মতিন প্রধান(৬২) মূলত বসবাস করেন ঢাকার বিজয় নগর এলাকায়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ২১ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাংরোড এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় মো. সজিব (১৭)। এ ঘটনার ১৩ মাস পর ৪৫ জন এজাহার নামীয় ও ১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। আব্দুল মতিন প্রধানকে করা হয়েছে মামলার ৪ নং আসামি।

মামলার বিষয়ে আব্দুল মতিন প্রধান বলেন, চিকিৎসার জন্য আমি ২৫ জুন মালয়েশিয়া যাই। ১৬ জুলাই দেশে আসি। চিকিৎসকের পরামর্শে দীর্ঘদিন নীবির বিশ্রামে ছিলাম। নিজের পরিবার ছাড়া অন্য কারো সঙ্গে তখন আমার কোন যোগাযোগ ছিলনা। ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর একটি মহল আওয়ামী লীগ তকমা লাগিয়ে আমাকে হত্যা মামলায় জড়ানো ষড়যন্ত্র করার পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। তখন আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে একটি লিখিত আবেদ করি। তার প্রেক্ষিতে আমার বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য গত ১৬ মার্চ জননিরাপত্তা বিভাগের আইন-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আব্দুল হাই স্বাক্ষরিত একটি পত্র দেয় পুলিশ মহাপরিদর্শ ও নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারকে। তখন নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান আমার বিষয়ে তদন্ত করে ৪ মে প্রতিবেদ দাখিল করে। প্রতিবেদনে আমাকে বিএনপি মনোনিত সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের তকমা লাগিয়ে হেয়প্রতিপন্ন ও অযতা হয়রানী করতে না পারে সে মর্মে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করা হয়। তারপরও একটি মহল স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে আমাকে হত্যা মামলায় জড়িয়েছে।

জানতে চাইলে মামলার বাদী সালাউদ্দিন বলেন, আব্দুল মতিন প্রধানকে আমি চিনিনা। মামলার আসামি কাদের করা হয়েছে তাও জানিনা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা আমাকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে নিয়ে স্বাক্ষর করতে বলেছে আমি তাদের কথামত স্বাক্ষর করেছি। তারা করা জানতে চাইলে তিনি তাদের নাম বলতে পারেন নি।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি শাহিনূর আলম বলেন, আদালত থেকে মামলার এজাহার প্রেরণ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে মামলা নথিভুক্ত করেছি।