সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে চাঁদার দাবিতে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীদের মারধরে আহত হয়েছে ৪ জন। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে গোদনাইল ২ নং ঢাকেশ^রী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শনিবার সকালে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী লিমা আক্তার।
অভিযুক্তরা হলেন, একই এলাকার লিটনের ছেলে মৃদুল (২৩), মাহির (২০), মৃত ওয়াহাব মাস্টারের ছেলে লিটন (৫২), মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে বকুল (৪০), রওশন (৪৫), মেয়ে আকলিমা (৪৮) ও আরাফাত (৩৬) এবং অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাদীর চাচা হেলাল উদ্দিনের বাড়িতে তার মেয়ের বিয়ে অনুষ্ঠান চলছিল শুক্রবার রাতে। তখন সাড়ে ৮ টার দিকে অভিযুক্তরা অনুষ্ঠানে গিয়ে বাদীর চাচার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানাইলে গালিগালাজ হেলাল উদ্দিনকে মারধর শুরু করে। তখন বাদীসহ তার আত্মীয়স্বাজন হেলাল উদ্দিনে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে বাদীর চাচতো বোন আকলিমা (৩৬), ছেলে সাদমান (১১), ভাগ্নি জামাই টুটুলকে (২৮) মারধর করে। হামলাকারীদের লাঠিসোটা ও ইট-পাটকেলের আঘাতে আকলিমার মাথা ফেঁটে রক্তাক্ত জখম হয়। রক্তাক্ত আহত হয় সাদমান, টুটুল ও বাদী নিজে। এসময় হামলাকারীরা ১ ভরি ৪ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। এসময় তাদের ডাক-চিৎকার শুনে অশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে। পরে চিকিংসার জন্য তাদের নারায়ণগঞ্জ শহরের ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট খানপুর হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়।
এ হামলার ঘটনায় হেলাল উদ্দিনের ভাতিজি লিমা আক্তার(৩৫) বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ ও ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
হামলার বিষয়ে জানতে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বচলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিনিধির নাম 





















