নারায়ণগঞ্জ ০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হীরাঝিল বহুতল ভবনে জ্বলছে অবৈধ চুলা, সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় সেবা গ্রহীতাদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন নিজেদের দক্ষতা ও সেবার মাধ্যমেই জনআস্থা অর্জন করতে হবে : ডিসি রায়হান কবির বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে রিয়াদে বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের মতবিনিময় সভা মতবিনিময় সভায় মালিক ও শ্রমিক নিয়ে শ্রমবান্ধব দেশ গড়তে হবে:উপদেষ্টা মাহদী আমিন গণ-অভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া ১টি শটগান ও ৩টি কার্তুজসহ যুবক গ্রেপ্তার ফতুল্লায় গ্যাসের চুলার লিকেজ থেকেই আগুনের বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৫জন দগ্ধ। বরফকল মাঠে গরুর হাট না বসাতে জেলা প্রশাসকের কাছে শাপলা ক্রীড়া সংসদের স্মারকলিপি সোনারগাঁয়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সানোয়ার গ্রেপ্তার বন্দরে এআই প্রযুক্তিতে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে প্রতারণা, প্রতারকচক্রকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি ভুক্তভোেগীর

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় সেবা গ্রহীতাদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন

 

স্টাফ রিপোর্টার :

নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ নামে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ও অপেক্ষাগার চালু করেছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের প্রতিটি দপ্তরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকম সেবা গ্রহণের জন্য পুরুষের পাশাপাশি নারী সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক আগমন ঘটে থাকে। অনেক সময় তারা সাথে করে সন্তানদের নিয়ে আসেন। মানসম্মত কোনো অপেক্ষাগার বা নিজের দুগ্ধজাত শিশুর জন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ চালু করেছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পরিকল্পনায় নারী ও শিশুদের উপজেলায় অবস্থানকালীন সময়কে স্বস্তিকর ও আনন্দদায়ক করতে এই কর্নারটি চালু করা হয়েছে।

সোমবার, ১১ মে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটির শুভ উদ্বোধন করেন এবং একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য উপজেলায় নারী ও শিশুদের জন্য এরকম অপেক্ষাগার চালু রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।

স্নেহকুঞ্জ উদ্বোধনের পর বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির বলেন, “সরকারি সেবা গ্রহণ করতে এসে কোনো মা যেন বিব্রত না হন, কোনো শিশু যেন কষ্ট না পায় সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। ‘স্নেহকুঞ্জ’ একটি মানবিক উদ্যোগ। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে সব দপ্তরকে সেবামুখী ও নারীবান্ধব করতে হবে। জেলার সব উপজেলায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে হলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগই বড় পরিবর্তন আনে।”

এ সময় উপ-পরিচালক (উপ-সচিব), স্থানীয় সরকার নিলুফা ইয়াসমিনসহ সদর উপজেলার সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হীরাঝিল বহুতল ভবনে জ্বলছে অবৈধ চুলা, সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় সেবা গ্রহীতাদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার :

নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ নামে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ও অপেক্ষাগার চালু করেছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের প্রতিটি দপ্তরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকম সেবা গ্রহণের জন্য পুরুষের পাশাপাশি নারী সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক আগমন ঘটে থাকে। অনেক সময় তারা সাথে করে সন্তানদের নিয়ে আসেন। মানসম্মত কোনো অপেক্ষাগার বা নিজের দুগ্ধজাত শিশুর জন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ চালু করেছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পরিকল্পনায় নারী ও শিশুদের উপজেলায় অবস্থানকালীন সময়কে স্বস্তিকর ও আনন্দদায়ক করতে এই কর্নারটি চালু করা হয়েছে।

সোমবার, ১১ মে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটির শুভ উদ্বোধন করেন এবং একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য উপজেলায় নারী ও শিশুদের জন্য এরকম অপেক্ষাগার চালু রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।

স্নেহকুঞ্জ উদ্বোধনের পর বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির বলেন, “সরকারি সেবা গ্রহণ করতে এসে কোনো মা যেন বিব্রত না হন, কোনো শিশু যেন কষ্ট না পায় সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। ‘স্নেহকুঞ্জ’ একটি মানবিক উদ্যোগ। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে সব দপ্তরকে সেবামুখী ও নারীবান্ধব করতে হবে। জেলার সব উপজেলায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে হলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগই বড় পরিবর্তন আনে।”

এ সময় উপ-পরিচালক (উপ-সচিব), স্থানীয় সরকার নিলুফা ইয়াসমিনসহ সদর উপজেলার সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।