নারায়ণগঞ্জ ০৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে ৩২ লাখ টাকা ও ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে ব্যাবসায়ীর স্ত্রী উধাও! ভিশন ২০৩০-এর সুযোগে সৌদিতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, দেশে বিনিয়োগের আহ্বান নারায়ণগঞ্জে প্রথমবারের মত নৌযান শুমারি ২০২৬ অবহিতকরণ সভায় অনুষ্ঠিত সরকারি তোলারাম কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ: সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান অধ্যক্ষের নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি অন্য জেলার জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ডিসি মো :রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শ্রদ্ধা,দোয়া, স্মরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নারায়ণগঞ্জে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ, আহত ৫ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে জেলা তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পার্পণে নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসন

সিদ্ধিরগঞ্জের বাড়ীর নির্মাণ কাজে বাধা আতঙ্কে শাহিদা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৩০৪ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলী এলাকার শাহিদা বেগমের বসত বাড়ীর নির্মাণ কাজে বাধা দিয়ে ফায়দা লুটতে না পেরে একটি মহল হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, পাঠানটুলী এলাকার হাজি ইলিয়াছুর রহমানের স্ত্রী শাহীদা বেগম। তার বসতবাড়ীর ৩ শতাংশ জমিতে নির্মাণ কাজ শুরু করলে বাধা দেয় একই এলাকার মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে হায়দার আলীগং ও মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে নূর উদ্দিনগং। ফলে শাহীদা বেগমের ছেলে আব্দুল মমিন সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এর প্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ওহিদুজ্জামান দুই পক্ষকে নিয়ে রোববার রাতে বৈঠকে বসেন। বাদী পক্ষের কাগজপত্র দেখে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় পুলিশ। বিবাদী পক্ষ প্রয়োজনীয় কাগজ দেখাতে না পারায় তাদেরকে বলা হয় জমি পাওনা হলে আদালতে যেতে। আদালত থেকে কোন সিদ্ধান্ত না পাওয়া পর্যন্ত শাহিদার নির্মাণ কাজে বাধা না দেওয়ার জন্য পুলিশ নূর উদ্দিনগংদের নির্দেশ দেয়।
অভিযোগকারী মমিন জানায়, অত্র মৌজার ৫০৮ নং খতিয়ানে আরএস ৩৪৭৭ নং দাগে ওয়ারিশ সূত্রে ৩ শতাংশ জমির মালিক তার মা শাহিদা বেগম। অন্তত শতবছর ধরে জমিতে বাড়ী ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে তাদের পূর্ব পুরুষরা। অভিযোগ করার পর পুলিশের হস্তক্ষেপে বিষয়টি নিস্পত্তি হলেও নূর উদ্দিনগং হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে ভোক্তভূগী পরিবারের অভিযোগ।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই ওহিদুজ্জামান বলেন, মমিন নামে একজনের লিখিত অভিযোগ পেয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন রাখতে দু,পক্ষকে নিয়ে বসা হয়েছিল। বাদী পক্ষের কাগজ দেখে তাদেরকে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আর বিবাদী পক্ষ যদি জমি পাওনা হয় তাহলে আদালতের আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে ৩২ লাখ টাকা ও ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে ব্যাবসায়ীর স্ত্রী উধাও!

সিদ্ধিরগঞ্জের বাড়ীর নির্মাণ কাজে বাধা আতঙ্কে শাহিদা

আপডেট সময় : ০১:০০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলী এলাকার শাহিদা বেগমের বসত বাড়ীর নির্মাণ কাজে বাধা দিয়ে ফায়দা লুটতে না পেরে একটি মহল হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, পাঠানটুলী এলাকার হাজি ইলিয়াছুর রহমানের স্ত্রী শাহীদা বেগম। তার বসতবাড়ীর ৩ শতাংশ জমিতে নির্মাণ কাজ শুরু করলে বাধা দেয় একই এলাকার মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে হায়দার আলীগং ও মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে নূর উদ্দিনগং। ফলে শাহীদা বেগমের ছেলে আব্দুল মমিন সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এর প্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ওহিদুজ্জামান দুই পক্ষকে নিয়ে রোববার রাতে বৈঠকে বসেন। বাদী পক্ষের কাগজপত্র দেখে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় পুলিশ। বিবাদী পক্ষ প্রয়োজনীয় কাগজ দেখাতে না পারায় তাদেরকে বলা হয় জমি পাওনা হলে আদালতে যেতে। আদালত থেকে কোন সিদ্ধান্ত না পাওয়া পর্যন্ত শাহিদার নির্মাণ কাজে বাধা না দেওয়ার জন্য পুলিশ নূর উদ্দিনগংদের নির্দেশ দেয়।
অভিযোগকারী মমিন জানায়, অত্র মৌজার ৫০৮ নং খতিয়ানে আরএস ৩৪৭৭ নং দাগে ওয়ারিশ সূত্রে ৩ শতাংশ জমির মালিক তার মা শাহিদা বেগম। অন্তত শতবছর ধরে জমিতে বাড়ী ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে তাদের পূর্ব পুরুষরা। অভিযোগ করার পর পুলিশের হস্তক্ষেপে বিষয়টি নিস্পত্তি হলেও নূর উদ্দিনগং হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে ভোক্তভূগী পরিবারের অভিযোগ।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই ওহিদুজ্জামান বলেন, মমিন নামে একজনের লিখিত অভিযোগ পেয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন রাখতে দু,পক্ষকে নিয়ে বসা হয়েছিল। বাদী পক্ষের কাগজ দেখে তাদেরকে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আর বিবাদী পক্ষ যদি জমি পাওনা হয় তাহলে আদালতের আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।