নারায়ণগঞ্জ ১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে যুবককে কুপিয়ে জখম ও বাড়ি-ঘরে হামলা পারিবারিক বিরোধ মীমাংসায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, হয়রানির শিকার সৌদি প্রবাসীর পরিবার সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ডে ২ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, হামলায় আহত ২ নারায়ণগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা সভায় মাদক ও কিশোর গ্যাং সহ সকল অপরাধ নির্মূলে কঠোর অবস্থান প্রশাসনের সিদ্ধিরগঞ্জে ৩২ লাখ টাকা ও ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে ব্যাবসায়ীর স্ত্রী উধাও! ভিশন ২০৩০-এর সুযোগে সৌদিতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, দেশে বিনিয়োগের আহ্বান নারায়ণগঞ্জে প্রথমবারের মত নৌযান শুমারি ২০২৬ অবহিতকরণ সভায় অনুষ্ঠিত সরকারি তোলারাম কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ: সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান অধ্যক্ষের নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি অন্য জেলার জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ডিসি মো :রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শ্রদ্ধা,দোয়া, স্মরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ডিসির মাধ্যমে আবেদন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ২০৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

নারায়ণগঞ্জের পানগাঁও থেকে জালকুড়ি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রস্তাবিত নতুন সড়ক নির্মাণের জন্য চলমান ভূমি সার্ভে ও অধিগ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত করে বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

এ দাবিতে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন। আবেদনপত্রটি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ০৮/০৩/২০২৬ তারিখের একটি স্মারকের মাধ্যমে পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণের উদ্যোগের কথা তারা জানতে পেরেছেন। প্রস্তাবিত অধিগ্রহণের আওতায় অসংখ্য বসতবাড়ি, মিল-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, কবরস্থান, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, এখানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বসবাস করছে। অধিগ্রহণ বাস্তবায়িত হলে হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে, শত শত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে এবং হাজারো মানুষ কর্মসংস্থান হারাবেন।

আবেদনে এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, আমরা উন্নয়নের বিরোধী নই। কিন্তু এমন কোনো উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যার জন্য হাজার হাজার মানুষ তাদের শতবর্ষের আবাসস্থল ও জীবিকার উৎস হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।

তারা জানান, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিলেও বহু বছরের গড়ে ওঠা সামাজিক বন্ধন, ব্যবসায়িক অবকাঠামো ও ধর্মীয় অনুভূতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

এলাকাবাসীর ৪ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: (১) প্রস্তাবিত সড়কের জন্য চলমান সব ভূমি সার্ভে ও অধিগ্রহণ কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত করা।
(2) স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও অংশীজনদের নিয়ে উন্মুক্ত গণশুনানির আয়োজন।
(৩) জনবসতি ও স্থাপনা রক্ষায় বিকল্প রুট নির্বাচন বা বিদ্যমান সড়ক উন্নয়নের সম্ভাব্যতা যাচাই।
(৪)জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো ভূমি অধিগ্রহণ না করার নির্দেশনা।

আবেদনকারীরা বিশ্বাস করেন, প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্বে তাদের এই ন্যায্য দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে যুবককে কুপিয়ে জখম ও বাড়ি-ঘরে হামলা

পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ডিসির মাধ্যমে আবেদন

আপডেট সময় : ১২:৪৮:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

নারায়ণগঞ্জের পানগাঁও থেকে জালকুড়ি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রস্তাবিত নতুন সড়ক নির্মাণের জন্য চলমান ভূমি সার্ভে ও অধিগ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত করে বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

এ দাবিতে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন। আবেদনপত্রটি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ০৮/০৩/২০২৬ তারিখের একটি স্মারকের মাধ্যমে পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণের উদ্যোগের কথা তারা জানতে পেরেছেন। প্রস্তাবিত অধিগ্রহণের আওতায় অসংখ্য বসতবাড়ি, মিল-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, কবরস্থান, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, এখানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বসবাস করছে। অধিগ্রহণ বাস্তবায়িত হলে হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে, শত শত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে এবং হাজারো মানুষ কর্মসংস্থান হারাবেন।

আবেদনে এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, আমরা উন্নয়নের বিরোধী নই। কিন্তু এমন কোনো উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যার জন্য হাজার হাজার মানুষ তাদের শতবর্ষের আবাসস্থল ও জীবিকার উৎস হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।

তারা জানান, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিলেও বহু বছরের গড়ে ওঠা সামাজিক বন্ধন, ব্যবসায়িক অবকাঠামো ও ধর্মীয় অনুভূতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

এলাকাবাসীর ৪ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: (১) প্রস্তাবিত সড়কের জন্য চলমান সব ভূমি সার্ভে ও অধিগ্রহণ কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত করা।
(2) স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও অংশীজনদের নিয়ে উন্মুক্ত গণশুনানির আয়োজন।
(৩) জনবসতি ও স্থাপনা রক্ষায় বিকল্প রুট নির্বাচন বা বিদ্যমান সড়ক উন্নয়নের সম্ভাব্যতা যাচাই।
(৪)জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো ভূমি অধিগ্রহণ না করার নির্দেশনা।

আবেদনকারীরা বিশ্বাস করেন, প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্বে তাদের এই ন্যায্য দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে।