নারায়ণগঞ্জ ০১:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে দক্ষতা বাড়াতে মালয়েশিয়ায় কোয়েল আক্তার বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে যুবককে কুপিয়ে জখম ও বাড়ি-ঘরে হামলা পারিবারিক বিরোধ মীমাংসায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, হয়রানির শিকার সৌদি প্রবাসীর পরিবার সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ডে ২ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, হামলায় আহত ২ নারায়ণগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা সভায় মাদক ও কিশোর গ্যাং সহ সকল অপরাধ নির্মূলে কঠোর অবস্থান প্রশাসনের সিদ্ধিরগঞ্জে ৩২ লাখ টাকা ও ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে ব্যাবসায়ীর স্ত্রী উধাও! ভিশন ২০৩০-এর সুযোগে সৌদিতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, দেশে বিনিয়োগের আহ্বান নারায়ণগঞ্জে প্রথমবারের মত নৌযান শুমারি ২০২৬ অবহিতকরণ সভায় অনুষ্ঠিত সরকারি তোলারাম কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ: সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান অধ্যক্ষের নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি অন্য জেলার জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ডিসি মো :রায়হান কবির

অসহায় পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে মানবিক সহায়তা দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন সদর উপজেলা প্রশাসন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার: দীর্ঘদিনের অভাব-অনটনের সঙ্গে লড়াই করা অসহায় স্বপ্না বেগমের পাশে দাঁড়াল নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন। স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে তার হাতে একটি সেলাই মেশিন তুলে দিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন।

রবিবার ২-আগষ্ট সদর উপজেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন স্বপ্না বেগমের হাতে এই সহায়তা তুলে দেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সংসার চালাতে দীর্ঘদিন ধরে হিমশিম খাচ্ছিলেন স্বপ্না বেগম। অভাবের কারণে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ জোগাতেও সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা প্রশাসন তার পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেয়।

সহায়তা প্রদানের সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা চাই কেউ যেন অভাবের কারণে পিছিয়ে না পড়ে। স্বপ্না বেগমের মতো নারীরা নিজের পায়ে দাঁড়ালে একটি পরিবারই শুধু না, সমাজও উপকৃত হবে। এই সেলাই মেশিনের মাধ্যমে তিনি এখন নিজেই উপার্জন করে সন্তানের লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারবেন। প্রশাসন সবসময় অসহায় মানুষের পাশে আছে।

সেলাই মেশিন পেয়ে আবেগাপ্লুত স্বপ্না বেগম বলেন, আমি অনেকদিন ধরে কষ্ট করছি। ছেলেমেয়েদের পড়ার খরচ দিতে পারছিলাম না। উপজেলা প্রশাসন আজ আমাকে যে সাহায্য করলো, এটা আমার জীবন বদলে দেবে। আমি এখন সেলাই করে সংসার চালাবো। স্যারের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

স্থানীয়রাও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, প্রশাসনের এমন মানবিক সহায়তা এলাকার অন্যান্য অসহায় পরিবারের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে দক্ষতা বাড়াতে মালয়েশিয়ায় কোয়েল আক্তার

অসহায় পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে মানবিক সহায়তা দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন সদর উপজেলা প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৭:১৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার: দীর্ঘদিনের অভাব-অনটনের সঙ্গে লড়াই করা অসহায় স্বপ্না বেগমের পাশে দাঁড়াল নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন। স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে তার হাতে একটি সেলাই মেশিন তুলে দিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন।

রবিবার ২-আগষ্ট সদর উপজেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন স্বপ্না বেগমের হাতে এই সহায়তা তুলে দেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সংসার চালাতে দীর্ঘদিন ধরে হিমশিম খাচ্ছিলেন স্বপ্না বেগম। অভাবের কারণে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ জোগাতেও সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা প্রশাসন তার পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেয়।

সহায়তা প্রদানের সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা চাই কেউ যেন অভাবের কারণে পিছিয়ে না পড়ে। স্বপ্না বেগমের মতো নারীরা নিজের পায়ে দাঁড়ালে একটি পরিবারই শুধু না, সমাজও উপকৃত হবে। এই সেলাই মেশিনের মাধ্যমে তিনি এখন নিজেই উপার্জন করে সন্তানের লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারবেন। প্রশাসন সবসময় অসহায় মানুষের পাশে আছে।

সেলাই মেশিন পেয়ে আবেগাপ্লুত স্বপ্না বেগম বলেন, আমি অনেকদিন ধরে কষ্ট করছি। ছেলেমেয়েদের পড়ার খরচ দিতে পারছিলাম না। উপজেলা প্রশাসন আজ আমাকে যে সাহায্য করলো, এটা আমার জীবন বদলে দেবে। আমি এখন সেলাই করে সংসার চালাবো। স্যারের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

স্থানীয়রাও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, প্রশাসনের এমন মানবিক সহায়তা এলাকার অন্যান্য অসহায় পরিবারের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।