নারায়ণগঞ্জ ০৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন সহ শিল্পাঞ্চলে স্বস্তি ফেরাতে মাঠে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলে মিশে যায় বহুরূপী বাচ্চু নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডে বেপরোয়া ভূমিখেকো বাচ্চু শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপনে এসপি হাবিবুর রহমানকে পূজা উদযাপন পরিষদের শুভেচ্ছা ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় একযোগে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান যুবলীগ, না যুবদল—রূপগঞ্জে আজিজুল মালুমকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন অসহায় নারীকে স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন নারায়ণগঞ্জ ডিসি ওয়াজ থেকে ফেরার পথে ডাকাতির মুখে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১২

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়ালেন বিএনপির তিন প্রার্থী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১
  • ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে

শহর প্রতিনিধি : অবশেষে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল। মেয়র পদে তারা মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করলেও বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) জমা দেয়ার শেষ দিনে তারা মনোনয়ন পত্র জমা দেননি।
যদিও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার ৫দিনের মাথায় ৫ ডিসেম্বর এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও এটিএম কামাল মনোনয়ন পত্র কিনে নগরীতে বিএনপি শিবিরসহ সর্বত্র আলোচনার জন্ম দেন। অনেকেই ধারণা করে নিয়েছিলেন, তাদের দুইজনের মধ্যে একটা সমঝোতা হবে এবং শেষ পর্যন্ত সাখাওয়াত হোসেন খান নির্বাচন করবেন।
এদিকে হঠাৎ আলোচনায় উঠে আসেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহবায়ক তৈমুর আলম খন্দকারের নাম। নগরীতে চাউর হয় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি নির্বাচন করবেন। ১১ ডিসেম্বর জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে খোঁজ-খবরও নেন তিনি। কিন্তু আকষ্মিকভাবে ১২ ডিসেম্বর সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে মনোনয়ন পত্র কেনার পর বাতাস ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হতে তাকে। গুঞ্জন শুরু হয় গিয়াস উদ্দিন হয়তো দলের মৌন সমর্থন পেয়ে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন এবং মেয়র পদে নির্বাচন করবেন। কিন্তু পাল্টা গুঞ্জন শুরু হয় দলের নয়, নারায়ণগঞ্জের একটি মহলের ইন্ধনে তিনি মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। এমন আলোচনা যখন ঢালপালা ছড়াচ্ছিল ঠিক তখনি ১৩ ডিসেম্বর তৈমুর আলম খন্দকার নিজে গিয়ে মনোনয়ন পত্র কিনেন। আলোচনা জমে উঠে বিএনপি শিবিরে। যার বাতাস বাইতে শুরু করে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী আইভী শিবিরেও। নানা অংক, নানা হিসেব। কে হচ্ছেন প্রার্থী, গিয়াস, তৈমুর নাকি সাখাওয়াত। কে হলে নৌকার প্রার্থীর জন্য ভালো হবে। পক্ষে-বিপক্ষে নানা কথা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সেই আলোচনা স্থান পায়। কেউ বলে বিএনপি মৌন সমর্থনে নৌকার বিপরীতে গিয়াস উদ্দিন যোগ্য প্রার্থী। আবার কেউ বলে তৈমুর আলম খন্দকার যোগ্যা।
শেষ পর্যন্ত সব আলোচনা ও গুঞ্জনের পরিসমাপ্তি ঘটে বুধবার (১৫ ডিসেম্ব) মনোনয়ন পত্র জমার শেষ দিনে। এতে শুধু মাত্র তৈমুর আলম খন্দকার মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে ২৭ ডিসেম্বর বিএনপি ঘরানার একক প্রার্থী হচ্ছেন তৈমুর আলম খন্দকার। আর তা যদি হয়, তাহলে নাসিক নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থীর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলমের হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে।
প্রসঙ্গত: তফসিল অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়। ২০ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই। ২৭ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ২৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ১৬ জানুয়ারি ভোটযুদ্ধ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়ালেন বিএনপির তিন প্রার্থী

আপডেট সময় : ০১:৩৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১

শহর প্রতিনিধি : অবশেষে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল। মেয়র পদে তারা মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করলেও বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) জমা দেয়ার শেষ দিনে তারা মনোনয়ন পত্র জমা দেননি।
যদিও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার ৫দিনের মাথায় ৫ ডিসেম্বর এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও এটিএম কামাল মনোনয়ন পত্র কিনে নগরীতে বিএনপি শিবিরসহ সর্বত্র আলোচনার জন্ম দেন। অনেকেই ধারণা করে নিয়েছিলেন, তাদের দুইজনের মধ্যে একটা সমঝোতা হবে এবং শেষ পর্যন্ত সাখাওয়াত হোসেন খান নির্বাচন করবেন।
এদিকে হঠাৎ আলোচনায় উঠে আসেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহবায়ক তৈমুর আলম খন্দকারের নাম। নগরীতে চাউর হয় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি নির্বাচন করবেন। ১১ ডিসেম্বর জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে খোঁজ-খবরও নেন তিনি। কিন্তু আকষ্মিকভাবে ১২ ডিসেম্বর সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে মনোনয়ন পত্র কেনার পর বাতাস ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হতে তাকে। গুঞ্জন শুরু হয় গিয়াস উদ্দিন হয়তো দলের মৌন সমর্থন পেয়ে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন এবং মেয়র পদে নির্বাচন করবেন। কিন্তু পাল্টা গুঞ্জন শুরু হয় দলের নয়, নারায়ণগঞ্জের একটি মহলের ইন্ধনে তিনি মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। এমন আলোচনা যখন ঢালপালা ছড়াচ্ছিল ঠিক তখনি ১৩ ডিসেম্বর তৈমুর আলম খন্দকার নিজে গিয়ে মনোনয়ন পত্র কিনেন। আলোচনা জমে উঠে বিএনপি শিবিরে। যার বাতাস বাইতে শুরু করে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী আইভী শিবিরেও। নানা অংক, নানা হিসেব। কে হচ্ছেন প্রার্থী, গিয়াস, তৈমুর নাকি সাখাওয়াত। কে হলে নৌকার প্রার্থীর জন্য ভালো হবে। পক্ষে-বিপক্ষে নানা কথা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সেই আলোচনা স্থান পায়। কেউ বলে বিএনপি মৌন সমর্থনে নৌকার বিপরীতে গিয়াস উদ্দিন যোগ্য প্রার্থী। আবার কেউ বলে তৈমুর আলম খন্দকার যোগ্যা।
শেষ পর্যন্ত সব আলোচনা ও গুঞ্জনের পরিসমাপ্তি ঘটে বুধবার (১৫ ডিসেম্ব) মনোনয়ন পত্র জমার শেষ দিনে। এতে শুধু মাত্র তৈমুর আলম খন্দকার মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে ২৭ ডিসেম্বর বিএনপি ঘরানার একক প্রার্থী হচ্ছেন তৈমুর আলম খন্দকার। আর তা যদি হয়, তাহলে নাসিক নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থীর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলমের হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে।
প্রসঙ্গত: তফসিল অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়। ২০ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই। ২৭ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ২৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ১৬ জানুয়ারি ভোটযুদ্ধ।