নারায়ণগঞ্জ ১২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত আদমজী ইপিজেডকে অশান্ত করছে জনপ্রতিনিধিরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে মহিলা লীগ নেত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় না’গঞ্জ কারাগারে হাজতীর মৃত্যু ফতুল্লায় চোরাইকৃত ট্যাংকলড়ী উদ্ধার আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল ঘুরে গেলেন ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহরে নারী সমাবেশ ও মিছিল

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়ালেন বিএনপির তিন প্রার্থী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

শহর প্রতিনিধি : অবশেষে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল। মেয়র পদে তারা মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করলেও বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) জমা দেয়ার শেষ দিনে তারা মনোনয়ন পত্র জমা দেননি।
যদিও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার ৫দিনের মাথায় ৫ ডিসেম্বর এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও এটিএম কামাল মনোনয়ন পত্র কিনে নগরীতে বিএনপি শিবিরসহ সর্বত্র আলোচনার জন্ম দেন। অনেকেই ধারণা করে নিয়েছিলেন, তাদের দুইজনের মধ্যে একটা সমঝোতা হবে এবং শেষ পর্যন্ত সাখাওয়াত হোসেন খান নির্বাচন করবেন।
এদিকে হঠাৎ আলোচনায় উঠে আসেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহবায়ক তৈমুর আলম খন্দকারের নাম। নগরীতে চাউর হয় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি নির্বাচন করবেন। ১১ ডিসেম্বর জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে খোঁজ-খবরও নেন তিনি। কিন্তু আকষ্মিকভাবে ১২ ডিসেম্বর সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে মনোনয়ন পত্র কেনার পর বাতাস ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হতে তাকে। গুঞ্জন শুরু হয় গিয়াস উদ্দিন হয়তো দলের মৌন সমর্থন পেয়ে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন এবং মেয়র পদে নির্বাচন করবেন। কিন্তু পাল্টা গুঞ্জন শুরু হয় দলের নয়, নারায়ণগঞ্জের একটি মহলের ইন্ধনে তিনি মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। এমন আলোচনা যখন ঢালপালা ছড়াচ্ছিল ঠিক তখনি ১৩ ডিসেম্বর তৈমুর আলম খন্দকার নিজে গিয়ে মনোনয়ন পত্র কিনেন। আলোচনা জমে উঠে বিএনপি শিবিরে। যার বাতাস বাইতে শুরু করে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী আইভী শিবিরেও। নানা অংক, নানা হিসেব। কে হচ্ছেন প্রার্থী, গিয়াস, তৈমুর নাকি সাখাওয়াত। কে হলে নৌকার প্রার্থীর জন্য ভালো হবে। পক্ষে-বিপক্ষে নানা কথা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সেই আলোচনা স্থান পায়। কেউ বলে বিএনপি মৌন সমর্থনে নৌকার বিপরীতে গিয়াস উদ্দিন যোগ্য প্রার্থী। আবার কেউ বলে তৈমুর আলম খন্দকার যোগ্যা।
শেষ পর্যন্ত সব আলোচনা ও গুঞ্জনের পরিসমাপ্তি ঘটে বুধবার (১৫ ডিসেম্ব) মনোনয়ন পত্র জমার শেষ দিনে। এতে শুধু মাত্র তৈমুর আলম খন্দকার মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে ২৭ ডিসেম্বর বিএনপি ঘরানার একক প্রার্থী হচ্ছেন তৈমুর আলম খন্দকার। আর তা যদি হয়, তাহলে নাসিক নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থীর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলমের হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে।
প্রসঙ্গত: তফসিল অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়। ২০ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই। ২৭ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ২৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ১৬ জানুয়ারি ভোটযুদ্ধ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়ালেন বিএনপির তিন প্রার্থী

আপডেট সময় : ০১:৩৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১

শহর প্রতিনিধি : অবশেষে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল। মেয়র পদে তারা মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করলেও বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) জমা দেয়ার শেষ দিনে তারা মনোনয়ন পত্র জমা দেননি।
যদিও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার ৫দিনের মাথায় ৫ ডিসেম্বর এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও এটিএম কামাল মনোনয়ন পত্র কিনে নগরীতে বিএনপি শিবিরসহ সর্বত্র আলোচনার জন্ম দেন। অনেকেই ধারণা করে নিয়েছিলেন, তাদের দুইজনের মধ্যে একটা সমঝোতা হবে এবং শেষ পর্যন্ত সাখাওয়াত হোসেন খান নির্বাচন করবেন।
এদিকে হঠাৎ আলোচনায় উঠে আসেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহবায়ক তৈমুর আলম খন্দকারের নাম। নগরীতে চাউর হয় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি নির্বাচন করবেন। ১১ ডিসেম্বর জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে খোঁজ-খবরও নেন তিনি। কিন্তু আকষ্মিকভাবে ১২ ডিসেম্বর সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে মনোনয়ন পত্র কেনার পর বাতাস ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হতে তাকে। গুঞ্জন শুরু হয় গিয়াস উদ্দিন হয়তো দলের মৌন সমর্থন পেয়ে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন এবং মেয়র পদে নির্বাচন করবেন। কিন্তু পাল্টা গুঞ্জন শুরু হয় দলের নয়, নারায়ণগঞ্জের একটি মহলের ইন্ধনে তিনি মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। এমন আলোচনা যখন ঢালপালা ছড়াচ্ছিল ঠিক তখনি ১৩ ডিসেম্বর তৈমুর আলম খন্দকার নিজে গিয়ে মনোনয়ন পত্র কিনেন। আলোচনা জমে উঠে বিএনপি শিবিরে। যার বাতাস বাইতে শুরু করে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী আইভী শিবিরেও। নানা অংক, নানা হিসেব। কে হচ্ছেন প্রার্থী, গিয়াস, তৈমুর নাকি সাখাওয়াত। কে হলে নৌকার প্রার্থীর জন্য ভালো হবে। পক্ষে-বিপক্ষে নানা কথা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সেই আলোচনা স্থান পায়। কেউ বলে বিএনপি মৌন সমর্থনে নৌকার বিপরীতে গিয়াস উদ্দিন যোগ্য প্রার্থী। আবার কেউ বলে তৈমুর আলম খন্দকার যোগ্যা।
শেষ পর্যন্ত সব আলোচনা ও গুঞ্জনের পরিসমাপ্তি ঘটে বুধবার (১৫ ডিসেম্ব) মনোনয়ন পত্র জমার শেষ দিনে। এতে শুধু মাত্র তৈমুর আলম খন্দকার মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে ২৭ ডিসেম্বর বিএনপি ঘরানার একক প্রার্থী হচ্ছেন তৈমুর আলম খন্দকার। আর তা যদি হয়, তাহলে নাসিক নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থীর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলমের হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে।
প্রসঙ্গত: তফসিল অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়। ২০ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই। ২৭ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ২৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ১৬ জানুয়ারি ভোটযুদ্ধ।