নারায়ণগঞ্জ ০৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লংমার্চ সফল করার আহ্বান খেলাফত মজলিস নেতা মুফতী দেলোয়ার আল হুসাইনের বদলিজনিত বিদায়ে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সিকে জার্নালিস্ট ইউনিটির পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান সৌদিতে পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনে সমন্বিতভাবে কাজ করছে দূতাবাস: রাষ্ট্রদূত সোনারগাঁয়ে নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যোগদান শিক্ষার্থীদের মাঝে সরকারি কার্যক্রম তুলে ধরতে সদর ইউএনও অফিসে অবহিতকরণ সভা ভূমি সেবায় ‘জিরো টলারেন্স’নীতি ঘোষণা ও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ সহ অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিসির সোনারগাঁয়ে ৩২ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন সচেতনতায় উঠান বৈঠক ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী নারায়ণগঞ্জে রাত ৮টার পর দোকান-শপিংমল বন্ধের নির্দেশনা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর হওয়ার আহ্বান ডিসির সিদ্ধিরগঞ্জে চুনের সাথে রাসায়নিক বর্জ্য মিশাচ্ছে মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়ালেন বিএনপির তিন প্রার্থী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১
  • ৪২৮ বার পড়া হয়েছে

শহর প্রতিনিধি : অবশেষে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল। মেয়র পদে তারা মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করলেও বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) জমা দেয়ার শেষ দিনে তারা মনোনয়ন পত্র জমা দেননি।
যদিও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার ৫দিনের মাথায় ৫ ডিসেম্বর এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও এটিএম কামাল মনোনয়ন পত্র কিনে নগরীতে বিএনপি শিবিরসহ সর্বত্র আলোচনার জন্ম দেন। অনেকেই ধারণা করে নিয়েছিলেন, তাদের দুইজনের মধ্যে একটা সমঝোতা হবে এবং শেষ পর্যন্ত সাখাওয়াত হোসেন খান নির্বাচন করবেন।
এদিকে হঠাৎ আলোচনায় উঠে আসেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহবায়ক তৈমুর আলম খন্দকারের নাম। নগরীতে চাউর হয় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি নির্বাচন করবেন। ১১ ডিসেম্বর জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে খোঁজ-খবরও নেন তিনি। কিন্তু আকষ্মিকভাবে ১২ ডিসেম্বর সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে মনোনয়ন পত্র কেনার পর বাতাস ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হতে তাকে। গুঞ্জন শুরু হয় গিয়াস উদ্দিন হয়তো দলের মৌন সমর্থন পেয়ে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন এবং মেয়র পদে নির্বাচন করবেন। কিন্তু পাল্টা গুঞ্জন শুরু হয় দলের নয়, নারায়ণগঞ্জের একটি মহলের ইন্ধনে তিনি মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। এমন আলোচনা যখন ঢালপালা ছড়াচ্ছিল ঠিক তখনি ১৩ ডিসেম্বর তৈমুর আলম খন্দকার নিজে গিয়ে মনোনয়ন পত্র কিনেন। আলোচনা জমে উঠে বিএনপি শিবিরে। যার বাতাস বাইতে শুরু করে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী আইভী শিবিরেও। নানা অংক, নানা হিসেব। কে হচ্ছেন প্রার্থী, গিয়াস, তৈমুর নাকি সাখাওয়াত। কে হলে নৌকার প্রার্থীর জন্য ভালো হবে। পক্ষে-বিপক্ষে নানা কথা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সেই আলোচনা স্থান পায়। কেউ বলে বিএনপি মৌন সমর্থনে নৌকার বিপরীতে গিয়াস উদ্দিন যোগ্য প্রার্থী। আবার কেউ বলে তৈমুর আলম খন্দকার যোগ্যা।
শেষ পর্যন্ত সব আলোচনা ও গুঞ্জনের পরিসমাপ্তি ঘটে বুধবার (১৫ ডিসেম্ব) মনোনয়ন পত্র জমার শেষ দিনে। এতে শুধু মাত্র তৈমুর আলম খন্দকার মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে ২৭ ডিসেম্বর বিএনপি ঘরানার একক প্রার্থী হচ্ছেন তৈমুর আলম খন্দকার। আর তা যদি হয়, তাহলে নাসিক নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থীর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলমের হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে।
প্রসঙ্গত: তফসিল অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়। ২০ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই। ২৭ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ২৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ১৬ জানুয়ারি ভোটযুদ্ধ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

লংমার্চ সফল করার আহ্বান খেলাফত মজলিস নেতা মুফতী দেলোয়ার আল হুসাইনের

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়ালেন বিএনপির তিন প্রার্থী

আপডেট সময় : ০১:৩৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১

শহর প্রতিনিধি : অবশেষে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল। মেয়র পদে তারা মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করলেও বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) জমা দেয়ার শেষ দিনে তারা মনোনয়ন পত্র জমা দেননি।
যদিও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার ৫দিনের মাথায় ৫ ডিসেম্বর এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও এটিএম কামাল মনোনয়ন পত্র কিনে নগরীতে বিএনপি শিবিরসহ সর্বত্র আলোচনার জন্ম দেন। অনেকেই ধারণা করে নিয়েছিলেন, তাদের দুইজনের মধ্যে একটা সমঝোতা হবে এবং শেষ পর্যন্ত সাখাওয়াত হোসেন খান নির্বাচন করবেন।
এদিকে হঠাৎ আলোচনায় উঠে আসেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহবায়ক তৈমুর আলম খন্দকারের নাম। নগরীতে চাউর হয় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি নির্বাচন করবেন। ১১ ডিসেম্বর জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে খোঁজ-খবরও নেন তিনি। কিন্তু আকষ্মিকভাবে ১২ ডিসেম্বর সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে মনোনয়ন পত্র কেনার পর বাতাস ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হতে তাকে। গুঞ্জন শুরু হয় গিয়াস উদ্দিন হয়তো দলের মৌন সমর্থন পেয়ে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন এবং মেয়র পদে নির্বাচন করবেন। কিন্তু পাল্টা গুঞ্জন শুরু হয় দলের নয়, নারায়ণগঞ্জের একটি মহলের ইন্ধনে তিনি মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। এমন আলোচনা যখন ঢালপালা ছড়াচ্ছিল ঠিক তখনি ১৩ ডিসেম্বর তৈমুর আলম খন্দকার নিজে গিয়ে মনোনয়ন পত্র কিনেন। আলোচনা জমে উঠে বিএনপি শিবিরে। যার বাতাস বাইতে শুরু করে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী আইভী শিবিরেও। নানা অংক, নানা হিসেব। কে হচ্ছেন প্রার্থী, গিয়াস, তৈমুর নাকি সাখাওয়াত। কে হলে নৌকার প্রার্থীর জন্য ভালো হবে। পক্ষে-বিপক্ষে নানা কথা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও সেই আলোচনা স্থান পায়। কেউ বলে বিএনপি মৌন সমর্থনে নৌকার বিপরীতে গিয়াস উদ্দিন যোগ্য প্রার্থী। আবার কেউ বলে তৈমুর আলম খন্দকার যোগ্যা।
শেষ পর্যন্ত সব আলোচনা ও গুঞ্জনের পরিসমাপ্তি ঘটে বুধবার (১৫ ডিসেম্ব) মনোনয়ন পত্র জমার শেষ দিনে। এতে শুধু মাত্র তৈমুর আলম খন্দকার মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে ২৭ ডিসেম্বর বিএনপি ঘরানার একক প্রার্থী হচ্ছেন তৈমুর আলম খন্দকার। আর তা যদি হয়, তাহলে নাসিক নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থীর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলমের হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে।
প্রসঙ্গত: তফসিল অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়। ২০ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই। ২৭ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ২৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ১৬ জানুয়ারি ভোটযুদ্ধ।