নারায়ণগঞ্জ ০৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সোনারগাঁওয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান নারায়ণগঞ্জে কনস্টেবল পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের প্রতি জেলা প্রশাসক রায়হান কবির এর শুভেচ্ছা ফতুল্লায় ৩ হাজর২শ পিস ইয়াবা উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে সালু হাজী রোডে জামে মসজিদের নির্মাণ কাজের উদ্ভোধন সিদ্ধিরগঞ্জে দারুস সালেহ জামে মসজিদের পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে পাঁচটি বড় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সর্বমহলে প্রশংসিত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাসের নাটকীয় অভিযান হাজীগঞ্জ আইটি স্কুল হইতে খানপুর হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন

শিশুকে হত্যা করেও মুক্তিপণ দাবি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১
  • ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে অপহরণের এগারো দিন পর মাদ্রাসা ছাত্রের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোর সোয়া পাঁচটায় জালকুড়ি মাতবর বাজার এলাকার পরিত্যক্ত একটি ডোবার ঘাসের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। হত্যার অভিযোগে নিহতের চাচাত খালু সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহতের নাম মো: রিয়াদ (৭)। সে গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের মো: রাজু মিয়ার ছেলে। সিদ্ধিরগঞ্জের সুমিলপাড়া পূর্ব মুনলাইট রেললাইন এলাকার করিম মিস্ত্রির বাড়ির ভাড়াটিয়া। রিয়াদ চরশিমুল পাড়া এলাকায় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোান করতো। সে তার মা-বাবার কনিষ্ঠ সন্তান।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সুজনের সঙ্গে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে রিয়াদকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শওকত জামিল জানান, গত মাসের ২৪ তারিখ সন্ধ্যায় পূর্ব মুনলাইট এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় রিয়াদ। তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ২৮ তারিখে তার পিতা থানায় জিডি করেন। এরই মাঝে ছেলেকে ফিরে পেতে হলে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে একটি নাম্বার থেকে রিয়াদের বাবার মোবাইলে ফোন আসে। পরে সেই মোবাইলের কললিষ্টের সূত্র ধরে তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহোয্যে অপহরণকারীকে শনাক্ত করে গাইবান্ধা জেলা সদরের খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের কোরবান আলির ছেলে সুজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুজন স্বীকার করে অপহরণের পর একইদিন রাতেই রিয়াদকে মেরে লাশ ওই ডোবায় ঘাসের চিচে লুকিয়ে রাখে। পরে তার দেখানো মতে ভোরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জেলা অতিরক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানায়, শিশু রিয়াদ হত্যাকান্ডে জড়িত অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এহত্যার সঙ্গে আরো একজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছেনা। হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁওয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান

শিশুকে হত্যা করেও মুক্তিপণ দাবি

আপডেট সময় : ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে অপহরণের এগারো দিন পর মাদ্রাসা ছাত্রের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোর সোয়া পাঁচটায় জালকুড়ি মাতবর বাজার এলাকার পরিত্যক্ত একটি ডোবার ঘাসের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। হত্যার অভিযোগে নিহতের চাচাত খালু সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহতের নাম মো: রিয়াদ (৭)। সে গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের মো: রাজু মিয়ার ছেলে। সিদ্ধিরগঞ্জের সুমিলপাড়া পূর্ব মুনলাইট রেললাইন এলাকার করিম মিস্ত্রির বাড়ির ভাড়াটিয়া। রিয়াদ চরশিমুল পাড়া এলাকায় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোান করতো। সে তার মা-বাবার কনিষ্ঠ সন্তান।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সুজনের সঙ্গে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে রিয়াদকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শওকত জামিল জানান, গত মাসের ২৪ তারিখ সন্ধ্যায় পূর্ব মুনলাইট এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় রিয়াদ। তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ২৮ তারিখে তার পিতা থানায় জিডি করেন। এরই মাঝে ছেলেকে ফিরে পেতে হলে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে একটি নাম্বার থেকে রিয়াদের বাবার মোবাইলে ফোন আসে। পরে সেই মোবাইলের কললিষ্টের সূত্র ধরে তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহোয্যে অপহরণকারীকে শনাক্ত করে গাইবান্ধা জেলা সদরের খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের কোরবান আলির ছেলে সুজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুজন স্বীকার করে অপহরণের পর একইদিন রাতেই রিয়াদকে মেরে লাশ ওই ডোবায় ঘাসের চিচে লুকিয়ে রাখে। পরে তার দেখানো মতে ভোরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জেলা অতিরক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানায়, শিশু রিয়াদ হত্যাকান্ডে জড়িত অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এহত্যার সঙ্গে আরো একজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছেনা। হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।