নারায়ণগঞ্জ ০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে চুনের সাথে রাসায়নিক বর্জ্য মিশাচ্ছে মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা রূপগঞ্জে সিটি গ্রুপের অটো রাইস মিলে বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ শ্রমিক নারায়ণগঞ্জ জেল কর্তৃপক্ষের কাছে জিম্মি বন্দিরা অর্থিক বাণিজ্যের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ আদর্শ মহিলা আলিম মাদরাসায় সংবর্ধনা, পুরস্কার বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশ আড়াইহাজারে কবি নজরুল কলেজের বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন এ্যানি ও ব্যারিস্টার খোকনের পক্ষে নোয়াখালী ফোরামের প্রতিবাদ বার্তা ঐক্য-শৃঙ্খলা ও কার্যক্রম জোরদারে রিয়াদে বাপ্রসাফের গুরুত্বপূর্ণ সভা রূপগঞ্জে ১৮ বছর পর সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে পৃথক অভিযানে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পার্থের নতুন দায়িত্বে প্রবাসীদের আশা পূরণের প্রত্যাশা মালয়েশিয়া বিজেপির

শিশুকে হত্যা করেও মুক্তিপণ দাবি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১
  • ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে অপহরণের এগারো দিন পর মাদ্রাসা ছাত্রের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোর সোয়া পাঁচটায় জালকুড়ি মাতবর বাজার এলাকার পরিত্যক্ত একটি ডোবার ঘাসের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। হত্যার অভিযোগে নিহতের চাচাত খালু সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহতের নাম মো: রিয়াদ (৭)। সে গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের মো: রাজু মিয়ার ছেলে। সিদ্ধিরগঞ্জের সুমিলপাড়া পূর্ব মুনলাইট রেললাইন এলাকার করিম মিস্ত্রির বাড়ির ভাড়াটিয়া। রিয়াদ চরশিমুল পাড়া এলাকায় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোান করতো। সে তার মা-বাবার কনিষ্ঠ সন্তান।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সুজনের সঙ্গে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে রিয়াদকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শওকত জামিল জানান, গত মাসের ২৪ তারিখ সন্ধ্যায় পূর্ব মুনলাইট এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় রিয়াদ। তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ২৮ তারিখে তার পিতা থানায় জিডি করেন। এরই মাঝে ছেলেকে ফিরে পেতে হলে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে একটি নাম্বার থেকে রিয়াদের বাবার মোবাইলে ফোন আসে। পরে সেই মোবাইলের কললিষ্টের সূত্র ধরে তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহোয্যে অপহরণকারীকে শনাক্ত করে গাইবান্ধা জেলা সদরের খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের কোরবান আলির ছেলে সুজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুজন স্বীকার করে অপহরণের পর একইদিন রাতেই রিয়াদকে মেরে লাশ ওই ডোবায় ঘাসের চিচে লুকিয়ে রাখে। পরে তার দেখানো মতে ভোরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জেলা অতিরক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানায়, শিশু রিয়াদ হত্যাকান্ডে জড়িত অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এহত্যার সঙ্গে আরো একজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছেনা। হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে চুনের সাথে রাসায়নিক বর্জ্য মিশাচ্ছে মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা

শিশুকে হত্যা করেও মুক্তিপণ দাবি

আপডেট সময় : ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে অপহরণের এগারো দিন পর মাদ্রাসা ছাত্রের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোর সোয়া পাঁচটায় জালকুড়ি মাতবর বাজার এলাকার পরিত্যক্ত একটি ডোবার ঘাসের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। হত্যার অভিযোগে নিহতের চাচাত খালু সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহতের নাম মো: রিয়াদ (৭)। সে গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের মো: রাজু মিয়ার ছেলে। সিদ্ধিরগঞ্জের সুমিলপাড়া পূর্ব মুনলাইট রেললাইন এলাকার করিম মিস্ত্রির বাড়ির ভাড়াটিয়া। রিয়াদ চরশিমুল পাড়া এলাকায় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোান করতো। সে তার মা-বাবার কনিষ্ঠ সন্তান।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সুজনের সঙ্গে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে রিয়াদকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শওকত জামিল জানান, গত মাসের ২৪ তারিখ সন্ধ্যায় পূর্ব মুনলাইট এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় রিয়াদ। তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ২৮ তারিখে তার পিতা থানায় জিডি করেন। এরই মাঝে ছেলেকে ফিরে পেতে হলে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে একটি নাম্বার থেকে রিয়াদের বাবার মোবাইলে ফোন আসে। পরে সেই মোবাইলের কললিষ্টের সূত্র ধরে তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহোয্যে অপহরণকারীকে শনাক্ত করে গাইবান্ধা জেলা সদরের খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের কোরবান আলির ছেলে সুজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুজন স্বীকার করে অপহরণের পর একইদিন রাতেই রিয়াদকে মেরে লাশ ওই ডোবায় ঘাসের চিচে লুকিয়ে রাখে। পরে তার দেখানো মতে ভোরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জেলা অতিরক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানায়, শিশু রিয়াদ হত্যাকান্ডে জড়িত অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এহত্যার সঙ্গে আরো একজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছেনা। হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।