নারায়ণগঞ্জ ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার কল্যাণ তহবিলের চেক বিতরণে -রাষ্ট্র ও প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে : ডিসি রায়হান, কবির নারায়ণগঞ্জে রেল সেতুর পিলারের নিচের মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নারায়ণগঞ্জে এইচএসি কেন্দ্র পরিদর্শন: ‘সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্নের প্রত্যাশা’ ডিসির ফতুল্লায় ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, দুই ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জে গণশুনানিতে সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তির উদ্যোগ ডিসির সিদ্ধিরগঞ্জে এক ব্যক্তিকে পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ গ্রেপ্তার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে শিক্ষা-থেরাপি সামগ্রী বিতরণ করেন ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন দক্ষতাই স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার’: ডিসি রায়হান কবির ফতুল্লায় ঘুমন্ত স্বামীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে

শিশুকে হত্যা করেও মুক্তিপণ দাবি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে অপহরণের এগারো দিন পর মাদ্রাসা ছাত্রের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোর সোয়া পাঁচটায় জালকুড়ি মাতবর বাজার এলাকার পরিত্যক্ত একটি ডোবার ঘাসের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। হত্যার অভিযোগে নিহতের চাচাত খালু সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহতের নাম মো: রিয়াদ (৭)। সে গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের মো: রাজু মিয়ার ছেলে। সিদ্ধিরগঞ্জের সুমিলপাড়া পূর্ব মুনলাইট রেললাইন এলাকার করিম মিস্ত্রির বাড়ির ভাড়াটিয়া। রিয়াদ চরশিমুল পাড়া এলাকায় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোান করতো। সে তার মা-বাবার কনিষ্ঠ সন্তান।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সুজনের সঙ্গে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে রিয়াদকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শওকত জামিল জানান, গত মাসের ২৪ তারিখ সন্ধ্যায় পূর্ব মুনলাইট এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় রিয়াদ। তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ২৮ তারিখে তার পিতা থানায় জিডি করেন। এরই মাঝে ছেলেকে ফিরে পেতে হলে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে একটি নাম্বার থেকে রিয়াদের বাবার মোবাইলে ফোন আসে। পরে সেই মোবাইলের কললিষ্টের সূত্র ধরে তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহোয্যে অপহরণকারীকে শনাক্ত করে গাইবান্ধা জেলা সদরের খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের কোরবান আলির ছেলে সুজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুজন স্বীকার করে অপহরণের পর একইদিন রাতেই রিয়াদকে মেরে লাশ ওই ডোবায় ঘাসের চিচে লুকিয়ে রাখে। পরে তার দেখানো মতে ভোরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জেলা অতিরক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানায়, শিশু রিয়াদ হত্যাকান্ডে জড়িত অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এহত্যার সঙ্গে আরো একজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছেনা। হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

শিশুকে হত্যা করেও মুক্তিপণ দাবি

আপডেট সময় : ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে অপহরণের এগারো দিন পর মাদ্রাসা ছাত্রের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোর সোয়া পাঁচটায় জালকুড়ি মাতবর বাজার এলাকার পরিত্যক্ত একটি ডোবার ঘাসের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। হত্যার অভিযোগে নিহতের চাচাত খালু সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহতের নাম মো: রিয়াদ (৭)। সে গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের মো: রাজু মিয়ার ছেলে। সিদ্ধিরগঞ্জের সুমিলপাড়া পূর্ব মুনলাইট রেললাইন এলাকার করিম মিস্ত্রির বাড়ির ভাড়াটিয়া। রিয়াদ চরশিমুল পাড়া এলাকায় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোান করতো। সে তার মা-বাবার কনিষ্ঠ সন্তান।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সুজনের সঙ্গে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে রিয়াদকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শওকত জামিল জানান, গত মাসের ২৪ তারিখ সন্ধ্যায় পূর্ব মুনলাইট এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় রিয়াদ। তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ২৮ তারিখে তার পিতা থানায় জিডি করেন। এরই মাঝে ছেলেকে ফিরে পেতে হলে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে একটি নাম্বার থেকে রিয়াদের বাবার মোবাইলে ফোন আসে। পরে সেই মোবাইলের কললিষ্টের সূত্র ধরে তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহোয্যে অপহরণকারীকে শনাক্ত করে গাইবান্ধা জেলা সদরের খোলাহাটি ইউনিয়নের পূর্ব কমলয় মিয়াপাড়া গ্রামের কোরবান আলির ছেলে সুজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুজন স্বীকার করে অপহরণের পর একইদিন রাতেই রিয়াদকে মেরে লাশ ওই ডোবায় ঘাসের চিচে লুকিয়ে রাখে। পরে তার দেখানো মতে ভোরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জেলা অতিরক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানায়, শিশু রিয়াদ হত্যাকান্ডে জড়িত অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এহত্যার সঙ্গে আরো একজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছেনা। হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।