সংবাদ শিরোনাম ::
Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento আড়াইহাজার উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের মতবিনিময় বিএনপি নেতা মামুনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ মাদকের আখড়ায় পরিণত সিদ্ধিরগঞ্জের বাঘমারা সাংবাদিক কাজী মোদাচ্ছের হোসেন সুলতান এর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সিদ্ধিরগঞ্জে দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় হামলা, মারধর : নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট আড়াইহাজা‌রে দলীয় পরিচয়ে অন্যায় করলে ছাড় নয়: রাকিবুল ইসলাম রাকিব পদ্মা অয়েল পিএলসি এর মহাব্যবস্থাপক আসিফ মালিক’কে বিদায় সংবর্ধনা বাংলা ৫২ নিউজ ডটকমের ১০ম বর্ষে পদার্পণ আড়াইহাজারে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইর্ষান্বিত হয়েই আজাদের বিরু’দ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে : উপজেলা বিএনপি

গণতন্ত্র হত্যা দিবসে রাজপথে বিএনপির নেতারা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

শুক্রবার সকালে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে কালো পতাকা মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলো।৫ জানুয়ারী বিএনপি ঘোষিত ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষ্যে রাজপথে ছিল দলটির নেতা কর্মীরা।

সকাল সাড়ে ১০ টায় চাষাড়া প্রেসক্লাবের পশের সড়কে কালো পতাকা নিয়ে অবস্থান নেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালসহ নেতাকর্মীরা।

এসময় তারা মিছিল করতে মূল সড়কে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা প্রদান করে। এতে করে নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পরলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরবর্তীতে পুলিশ মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সময় মহানগর বিএনপি নেতা ইসমাঈল মাষ্টার,ছাত্রদল নেতা আরিফ হোসেন শাকিল, যুবদল নেতা কবীর হোসেন, জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা সাখাওয়াত ইসলাম রানা আহত হন।

এ সময় জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী কালো পতাকা মিছিলের জন্য আমরা নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে সমবেত হই। আমাদের সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান বক্তব্য শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে হামলা চালায়। এতে আমাদের ৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

হামলা প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন,সরকার জনগণকে ভয় পায় বলেই আমাদের কোন কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন ছিল একটি ভোটার বিহীন নির্বাচন। এমন ভোটার বিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা অবৈধ সরকার জননগণকে ভয় পেয়ে জনগনের ন্যায্য আন্দোলন দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করে।

সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে অভিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়ার মাধ্যমে জনগণকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়ার দাবি করেন তিনি। অন্যথায় যতই বাধা আসুক জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সুষ্ঠ নির্বাচন আদায় করে ছাড়ার হুশিয়ারী উচ্চারন করেন বিএনপির এই নেতা।

সকাল ১০ টায় মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মহানগর যুবদল। ১নং রেলগেট থেকে শুরু হওয়া কালো পতাকা মিছিল বঙ্গবন্ধু সড়কের স্কাউট ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

চাষাড়া শহিদ মিনারে কালো পতাকা সমাবেশ করেছে মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আজাদ বিশ্বাস। প্রেসক্লাবে জেলার সমাবেশে যুক্ত হওয়ার জন্য সকাল ১০ টা থেকে চাষাড়ায জড়ো হয় নেতা কর্মীরা।

প্রেসক্লাবে যাওয়ার পথে পুলিশ ব্যারিকেড দিলে সকাল ১১ টায় শহীদ মিনারে কালো পতাকা প্রদর্শন ও সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ করে তারা। এসময় জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান রনিসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের মানুষের গণতন্ত্র পুলিশের কাছে জিম্মী। সরকার সকল ধরনের রাজনৈতিক অধিকার থেকে আমাদের বঞ্চিত করে নির্বাচনে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। তারা সকল সুবিধা ভোগ করছে অথচ আমরা সামান্য মিছিল সমাবেশও করতে পারছিনা। এমন গণতন্ত্র নিয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। আগামী নির্বাচনে গণরায়ের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসে এই স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা থেকে জণগনকে মুক্তি দেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সকাল সাড়ে ১০ টায় মহানগর বিএনপি সভাপতির পক্ষে মিছিল করেছে সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ খান টিপু ও মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা। প্রথমে তারা প্রেসক্লাবের সামনে কর্মসূচি পালন করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। সেখানে সমাবেশ করতে না পেরে শহরের গলাচিপা রেললাইন, নন্দিপাড়া হয়ে দেওভোগ পর্যন্ত মিছিল করেন মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা।

রাজনৈতিক অধিকারে পুলিশ কেন বাধা দিচ্ছে এমন প্রশ্ন করা হলে দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার সদর থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন জয়নাল আবেদিন বলেন, বিএনপির মিছিল সমাবেশে কোন ধরনের বাধা দেয়া হয়নি। জনগণের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে তাদের রাজপথ ছেড়ে যেতে বলেছি। আমাদের কথা শুনে নেতারা চলে গিয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento

গণতন্ত্র হত্যা দিবসে রাজপথে বিএনপির নেতারা

আপডেট সময় : ০১:৫৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

শুক্রবার সকালে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে কালো পতাকা মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলো।৫ জানুয়ারী বিএনপি ঘোষিত ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষ্যে রাজপথে ছিল দলটির নেতা কর্মীরা।

সকাল সাড়ে ১০ টায় চাষাড়া প্রেসক্লাবের পশের সড়কে কালো পতাকা নিয়ে অবস্থান নেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালসহ নেতাকর্মীরা।

এসময় তারা মিছিল করতে মূল সড়কে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা প্রদান করে। এতে করে নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পরলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরবর্তীতে পুলিশ মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সময় মহানগর বিএনপি নেতা ইসমাঈল মাষ্টার,ছাত্রদল নেতা আরিফ হোসেন শাকিল, যুবদল নেতা কবীর হোসেন, জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা সাখাওয়াত ইসলাম রানা আহত হন।

এ সময় জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী কালো পতাকা মিছিলের জন্য আমরা নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে সমবেত হই। আমাদের সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান বক্তব্য শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে হামলা চালায়। এতে আমাদের ৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

হামলা প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন,সরকার জনগণকে ভয় পায় বলেই আমাদের কোন কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন ছিল একটি ভোটার বিহীন নির্বাচন। এমন ভোটার বিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা অবৈধ সরকার জননগণকে ভয় পেয়ে জনগনের ন্যায্য আন্দোলন দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করে।

সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে অভিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়ার মাধ্যমে জনগণকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়ার দাবি করেন তিনি। অন্যথায় যতই বাধা আসুক জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সুষ্ঠ নির্বাচন আদায় করে ছাড়ার হুশিয়ারী উচ্চারন করেন বিএনপির এই নেতা।

সকাল ১০ টায় মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মহানগর যুবদল। ১নং রেলগেট থেকে শুরু হওয়া কালো পতাকা মিছিল বঙ্গবন্ধু সড়কের স্কাউট ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

চাষাড়া শহিদ মিনারে কালো পতাকা সমাবেশ করেছে মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আজাদ বিশ্বাস। প্রেসক্লাবে জেলার সমাবেশে যুক্ত হওয়ার জন্য সকাল ১০ টা থেকে চাষাড়ায জড়ো হয় নেতা কর্মীরা।

প্রেসক্লাবে যাওয়ার পথে পুলিশ ব্যারিকেড দিলে সকাল ১১ টায় শহীদ মিনারে কালো পতাকা প্রদর্শন ও সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ করে তারা। এসময় জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান রনিসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের মানুষের গণতন্ত্র পুলিশের কাছে জিম্মী। সরকার সকল ধরনের রাজনৈতিক অধিকার থেকে আমাদের বঞ্চিত করে নির্বাচনে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। তারা সকল সুবিধা ভোগ করছে অথচ আমরা সামান্য মিছিল সমাবেশও করতে পারছিনা। এমন গণতন্ত্র নিয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। আগামী নির্বাচনে গণরায়ের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসে এই স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা থেকে জণগনকে মুক্তি দেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সকাল সাড়ে ১০ টায় মহানগর বিএনপি সভাপতির পক্ষে মিছিল করেছে সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ খান টিপু ও মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা। প্রথমে তারা প্রেসক্লাবের সামনে কর্মসূচি পালন করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। সেখানে সমাবেশ করতে না পেরে শহরের গলাচিপা রেললাইন, নন্দিপাড়া হয়ে দেওভোগ পর্যন্ত মিছিল করেন মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা।

রাজনৈতিক অধিকারে পুলিশ কেন বাধা দিচ্ছে এমন প্রশ্ন করা হলে দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার সদর থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন জয়নাল আবেদিন বলেন, বিএনপির মিছিল সমাবেশে কোন ধরনের বাধা দেয়া হয়নি। জনগণের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে তাদের রাজপথ ছেড়ে যেতে বলেছি। আমাদের কথা শুনে নেতারা চলে গিয়েছে।