নারায়ণগঞ্জ ০৩:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের পতাকার সম্মান ও নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা একমাত্র আওয়ামীলীগের : মেয়র আইভী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষকে একটি স্বাধনি ভুখন্ড এনে দিয়েছেন।

তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য কাজ করছেন আর এ প্রজন্মের উদিয়মান নেতা সজিব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সমৃদ্ধ ও আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে আওয়ামীলীগ, বাংলাদেশের পতাকার সম্মান ও নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা একমাত্র আওয়ামীলীগের রয়েছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগকে ভোট দিয়ে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে আমাদেরকে। আওয়ামীলীগের কর্মীরাই মূলশক্তি। এখন কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, এদেশের মাটিতে কোন সন্ত্রাসীর জয় হবে না। গত বৃহষ্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবস ও বিজয় উৎসব ১৭ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাঃ আইভি এসব কথা বলেন।

টাঙ্গাইল পৌর শহীদ স্মৃতি উদ্যানে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্বা ফজলুর রহমান ফারুকের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, হাজেরা সুলতানা এমপি, পৌর মেয়র জামিলুৃর রহমান মিরন, মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, আনিসুর রহমান আনিস, আসাদুজ্জামান আরজু, আরোয়ার হোসেন, শিক্ষার্থী তাসমিম রাইয়ান প্রমুখ ।

ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভি আরো বলেন, ঢাকার আশ পাশের এলাকা গুলো সুরক্ষা দিয়েছে বলেই স্বধীনতা তরান্বিত হয়েছে। এদেশের কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষ, মা বোনেরা সবাই মিলে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছেন। আর সকলকে একত্রিত করেছেন আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ৭১ সালের এদিনে আমাদের সূর্য্য সন্তানদের ধরে নিয়ে হত্যা করে পাকহানাদার ও দোসররা আমাদের মেধা শূণ্য করার চেস্টা চালায়। পরে ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে আমাদের নেতৃত্ব শূন্য করার চেস্টা চালায়। কিন্ত এদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি ওদের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়নি।

সে সময় আওয়ামীলীগের নিস্বার্থ ত্যাগী কর্মীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের অঙ্গিকার নিয়ে কাজ করেছে জীবনের ঝুকি থাকা সত্বেও। এই কর্মীরাই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দলে নেতৃত্ব দিয়েছে। এই কমীরাই তাকে ক্ষমতায় যেতে নিরলস ভাবে কাজে করেছেন। এখন তৃণমূল কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামী নির্বানের আবার জয়ী হতে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, আপনাদের মনে ক্ষোভ ছিল।

স্বাধীনতা বিরোধীরা জাতীয় পতাকা উড়িয়ে গাড়ীতে চলতো। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছে বলেই আজ সেই যুদ্ধাপাধীদের বিচার হয়েছে। আপনারা এখন সর্বত্র সম্মানিত হচ্ছেন। যদি শেখ হাসিনার সরকার আবার ক্ষমতায় না আসে তবে ওরা আবারো দেশকে পাকিস্তানী স্টাইলে চালানোর ব্যবস্থা করবে। মুক্তিযোদ্ধাদের বদলে স্বাধীনতা বিরোধীরা আবার পুনর্বাসিত হবে।

ডাঃ আইভি বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীন দেশ এনে দিয়েছিল বলেই আজ আমরা সবুজ পাসপোর্ট নিয়ে সারা বিশ্বে মাথা উচু করে ঘুরে বেড়াই। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী তিনি। আমাদের হাজার বছরের ইতিহাস জানতে হবে। শেখ হাসিনা তার কন্যা বলেই এখন সাহস করে দেশ উন্নয়নের কাজে হাত দিয়েছেন। নারী জাগরণ ও ক্ষমতায়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন।

মায়েদের সম্মান দিয়েছেন সন্তানের নামের সাথে এখন মায়ের নাম লিখা বাধ্যতা মূলক করেছেন। মাতৃকালীন ভাতা, শিক্ষার্থীদের ভাতা, বয়স্কভাতা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা সহ আরো অনেক রকম ভাতা দিচ্ছেন। দেশে পদ্মায় সেতু হচ্ছে আরো অনেক অনেক বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। তবে মনে রাখতে হবে একটা পদ্মা সেতু ও বড় প্রকল্প গুলোই সব উন্নয়ন বা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হয়ে যাবে না।

আমাদের অনেক দায়িত্ব রয়েছে। সামনে আরো অনেক কাজ পড়ে আছে। জননেত্রী আমাদের যে ভাবে দিক নিদের্শনা দেবেন তা পালন করতে প্রস্তুত থাকতে হবে। এটা আমাদের দায়বদ্ধতা। আমরা সচেতন না থাকলে উন্নয়ন পরিকল্পনা সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন হবেনা। আমি আবারো বলি এখন আওয়ামীলীগের কর্মীদের বেশী বেশী পরিশ্রম ও সজাগ থাকতে হবে। সবার কাছে জননেত্রীর বার্তা পৌছাতে হবে।

কিভাবে চলতে হবে, আচার আচরণ করতে হবে এসব আমাদের জানা উচিত। যারা হালুয়া রুটির চিন্তা করেন তারা তাতেই ব্যস্ত থাকবে আমাদের সেদিকে তাকিয়ে লাভ নেই। তবে মনে রাখতে হবে সন্ত্রাসীরা কখনো সফল হয় না। আজ থেকে ৪/৫ বছর আগে টাঙ্গাইল ও নারায়ণগঞ্জের কথা ভেবে দেখুন। বাংলাদেশের কোথাও লুটেরা সন্ত্রাসীদের ঠাই হবেনা এরা শেষ পর্যন্ত সুবিধা করতে পারে না।

তিনি আরো বলেন,অনেক সময় মন খারাপ হয় কিন্তু যখন বঙ্গবন্ধুর আদশের কথা মনে হয়, যখন আমার বাবার আর্দশের কথা মনে হয়, যখন জননেত্রী শেখ হাসিনার কথা মনে হয় তখন আর বসে থাকতে পারি না। আবার এদেশের মানুষের সেবায় ব্রত হই। সবাই দোয়া করবেন এভাবেই যেনো আমরা নারায়ণগঞ্জের মানুষের সেবায় কাজ করে যেতে পারি।

বিজয় উৎসব অনুষ্ঠান উপভোগ করতে শীতের রাতে দূরদুরান্ত থেকে মানুষ শহীদ উদ্যানে ছুটে এসছিলেন। সবাই মনোযোগ দিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়রের বক্তব্য শোনেন। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলেরর নেতৃবৃন্দ ও বিশিস্টজনরা মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের ঘটনাবলি নিয়ে বিশদ আলোচনার পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ সম্পর্কেও বলেন। তারা প্রয়াত জননেতা আলী আহমেদ চুনকার কর্মময় জীবনকে উদাহরন হিসেবে তুলে ধরেন সকলের সামনে।

নারায়ণগঞ্জ থেকে মেয়রের সফর সঙ্গী ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আবু সুফিয়ান। সন্ধ্যায় ডাঃ আইভি টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গনে পৌছলে তাকে ফুলের শুভেচ্ছায় বরন করেন স্থাণীয় জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ পওে অনুষ্ঠানস্থলে যান। রাত দশটায় আলোচনা শেষে সাংক্সৃতিক পর্ব শুরু হয়।

জেলা উদিচী, হিন্দোল সঙ্গীত একাডেমী দেশাত্ববোধক ও স্বাধীনতার গান পরিবেশন করে আরো পরে আবুল সরকার ও তানিয়া দেওয়ান বৈঠাকি গান পরিবেশন করেন। গভীর রাত পর্যন্ত সবাই অনুষ্ঠান উপভোগ করে।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের পতাকার সম্মান ও নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা একমাত্র আওয়ামীলীগের : মেয়র আইভী

আপডেট সময় : ০৫:৫২:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষকে একটি স্বাধনি ভুখন্ড এনে দিয়েছেন।

তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য কাজ করছেন আর এ প্রজন্মের উদিয়মান নেতা সজিব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সমৃদ্ধ ও আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে আওয়ামীলীগ, বাংলাদেশের পতাকার সম্মান ও নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা একমাত্র আওয়ামীলীগের রয়েছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগকে ভোট দিয়ে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে আমাদেরকে। আওয়ামীলীগের কর্মীরাই মূলশক্তি। এখন কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, এদেশের মাটিতে কোন সন্ত্রাসীর জয় হবে না। গত বৃহষ্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবস ও বিজয় উৎসব ১৭ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাঃ আইভি এসব কথা বলেন।

টাঙ্গাইল পৌর শহীদ স্মৃতি উদ্যানে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্বা ফজলুর রহমান ফারুকের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, হাজেরা সুলতানা এমপি, পৌর মেয়র জামিলুৃর রহমান মিরন, মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, আনিসুর রহমান আনিস, আসাদুজ্জামান আরজু, আরোয়ার হোসেন, শিক্ষার্থী তাসমিম রাইয়ান প্রমুখ ।

ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভি আরো বলেন, ঢাকার আশ পাশের এলাকা গুলো সুরক্ষা দিয়েছে বলেই স্বধীনতা তরান্বিত হয়েছে। এদেশের কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষ, মা বোনেরা সবাই মিলে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছেন। আর সকলকে একত্রিত করেছেন আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ৭১ সালের এদিনে আমাদের সূর্য্য সন্তানদের ধরে নিয়ে হত্যা করে পাকহানাদার ও দোসররা আমাদের মেধা শূণ্য করার চেস্টা চালায়। পরে ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে আমাদের নেতৃত্ব শূন্য করার চেস্টা চালায়। কিন্ত এদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি ওদের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়নি।

সে সময় আওয়ামীলীগের নিস্বার্থ ত্যাগী কর্মীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের অঙ্গিকার নিয়ে কাজ করেছে জীবনের ঝুকি থাকা সত্বেও। এই কর্মীরাই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দলে নেতৃত্ব দিয়েছে। এই কমীরাই তাকে ক্ষমতায় যেতে নিরলস ভাবে কাজে করেছেন। এখন তৃণমূল কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামী নির্বানের আবার জয়ী হতে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, আপনাদের মনে ক্ষোভ ছিল।

স্বাধীনতা বিরোধীরা জাতীয় পতাকা উড়িয়ে গাড়ীতে চলতো। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছে বলেই আজ সেই যুদ্ধাপাধীদের বিচার হয়েছে। আপনারা এখন সর্বত্র সম্মানিত হচ্ছেন। যদি শেখ হাসিনার সরকার আবার ক্ষমতায় না আসে তবে ওরা আবারো দেশকে পাকিস্তানী স্টাইলে চালানোর ব্যবস্থা করবে। মুক্তিযোদ্ধাদের বদলে স্বাধীনতা বিরোধীরা আবার পুনর্বাসিত হবে।

ডাঃ আইভি বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীন দেশ এনে দিয়েছিল বলেই আজ আমরা সবুজ পাসপোর্ট নিয়ে সারা বিশ্বে মাথা উচু করে ঘুরে বেড়াই। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী তিনি। আমাদের হাজার বছরের ইতিহাস জানতে হবে। শেখ হাসিনা তার কন্যা বলেই এখন সাহস করে দেশ উন্নয়নের কাজে হাত দিয়েছেন। নারী জাগরণ ও ক্ষমতায়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন।

মায়েদের সম্মান দিয়েছেন সন্তানের নামের সাথে এখন মায়ের নাম লিখা বাধ্যতা মূলক করেছেন। মাতৃকালীন ভাতা, শিক্ষার্থীদের ভাতা, বয়স্কভাতা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা সহ আরো অনেক রকম ভাতা দিচ্ছেন। দেশে পদ্মায় সেতু হচ্ছে আরো অনেক অনেক বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। তবে মনে রাখতে হবে একটা পদ্মা সেতু ও বড় প্রকল্প গুলোই সব উন্নয়ন বা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হয়ে যাবে না।

আমাদের অনেক দায়িত্ব রয়েছে। সামনে আরো অনেক কাজ পড়ে আছে। জননেত্রী আমাদের যে ভাবে দিক নিদের্শনা দেবেন তা পালন করতে প্রস্তুত থাকতে হবে। এটা আমাদের দায়বদ্ধতা। আমরা সচেতন না থাকলে উন্নয়ন পরিকল্পনা সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন হবেনা। আমি আবারো বলি এখন আওয়ামীলীগের কর্মীদের বেশী বেশী পরিশ্রম ও সজাগ থাকতে হবে। সবার কাছে জননেত্রীর বার্তা পৌছাতে হবে।

কিভাবে চলতে হবে, আচার আচরণ করতে হবে এসব আমাদের জানা উচিত। যারা হালুয়া রুটির চিন্তা করেন তারা তাতেই ব্যস্ত থাকবে আমাদের সেদিকে তাকিয়ে লাভ নেই। তবে মনে রাখতে হবে সন্ত্রাসীরা কখনো সফল হয় না। আজ থেকে ৪/৫ বছর আগে টাঙ্গাইল ও নারায়ণগঞ্জের কথা ভেবে দেখুন। বাংলাদেশের কোথাও লুটেরা সন্ত্রাসীদের ঠাই হবেনা এরা শেষ পর্যন্ত সুবিধা করতে পারে না।

তিনি আরো বলেন,অনেক সময় মন খারাপ হয় কিন্তু যখন বঙ্গবন্ধুর আদশের কথা মনে হয়, যখন আমার বাবার আর্দশের কথা মনে হয়, যখন জননেত্রী শেখ হাসিনার কথা মনে হয় তখন আর বসে থাকতে পারি না। আবার এদেশের মানুষের সেবায় ব্রত হই। সবাই দোয়া করবেন এভাবেই যেনো আমরা নারায়ণগঞ্জের মানুষের সেবায় কাজ করে যেতে পারি।

বিজয় উৎসব অনুষ্ঠান উপভোগ করতে শীতের রাতে দূরদুরান্ত থেকে মানুষ শহীদ উদ্যানে ছুটে এসছিলেন। সবাই মনোযোগ দিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়রের বক্তব্য শোনেন। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলেরর নেতৃবৃন্দ ও বিশিস্টজনরা মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের ঘটনাবলি নিয়ে বিশদ আলোচনার পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ সম্পর্কেও বলেন। তারা প্রয়াত জননেতা আলী আহমেদ চুনকার কর্মময় জীবনকে উদাহরন হিসেবে তুলে ধরেন সকলের সামনে।

নারায়ণগঞ্জ থেকে মেয়রের সফর সঙ্গী ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আবু সুফিয়ান। সন্ধ্যায় ডাঃ আইভি টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গনে পৌছলে তাকে ফুলের শুভেচ্ছায় বরন করেন স্থাণীয় জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ পওে অনুষ্ঠানস্থলে যান। রাত দশটায় আলোচনা শেষে সাংক্সৃতিক পর্ব শুরু হয়।

জেলা উদিচী, হিন্দোল সঙ্গীত একাডেমী দেশাত্ববোধক ও স্বাধীনতার গান পরিবেশন করে আরো পরে আবুল সরকার ও তানিয়া দেওয়ান বৈঠাকি গান পরিবেশন করেন। গভীর রাত পর্যন্ত সবাই অনুষ্ঠান উপভোগ করে।