সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৪ নং ওয়ার্ড আটি হাউজিংয়ে আবাসিক এলাকার আজিজ নামের এক ব্যক্তির ৬ তলা বহুতল ভবনে অবৈধ ভাবে রাইজার টেনে ১৮ টি চুলা অবৈধ ভাবে ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, আটি হাউজিং ২ নং রোডের মসজিদের বিপরীত পাশে সাদা রংয়ের ছয়তালা ভবনটি আজিজের। এ ভবনে মোট ১৮ টি ফ্ল্যাট রয়েছে। এই ভবনটিতে অবৈধভাবে গ্যাসের রাইজার টেনে ১৮ টি চুলা ব্যবহার করছে। ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে গ্যাস বিল বাবদ ১ হাজার টাকা করে মোট ১৮ হাজার টাকা প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছে ভবন মালিক আজিজ। আজিজের অবৈধ গ্যাস সংযোগটি নারায়ণগঞ্জ তিতাস কর্তৃপক্ষ বিচ্ছিন্ন করলেও তা পূনরায় সংযোগ দিয়ে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা গ্যাস চুরি করছে আজিজ। বছরে সরকারের ২ লক্ষ ৩৩ হাজার ২ শত ৮০ টাকা গ্যাসের আত্মসাৎ করছে আজিজ। আজিজের এ ভবন থেকে গত ১৫ বছরে অবৈধ গ্যাস ব্যবহার হয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার।
হাউজিং এলাকার বাসিন্দারা জানায়, হাউজিং মসজিদের বিপরীত পাশে আজিজের ছয়তলা ভবনের প্রত্যেকটি চুলা অবৈধ। তাদের মত গ্যাস চোরদের কারণে হাউজিং এ দুর্নাম হচ্ছে। আজিজ ১২ থেকে ১৫ বছর আগে ভবনটি করেছে। উনি প্রতিমাসে ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে ১০০০ টাকা করে গ্যাস বিল নিয়ে যাচ্ছে। তাহলে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকার গ্যাস চুরি করেছে আজিজ। আজিজদের মত গ্যাস চোরদের কারণে হাউজিং এলাকার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
তাদের অবৈধ গ্যাস ব্যবহার করার কারণে আমরা বৈধ গ্যাস ব্যবহার কারিরা গ্যাস পাচ্ছি না। তাদের কারণে আমরাও নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছি। আজিজসহ অবৈধ গ্যাস সংযোগকারীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উক্ত ভবনের ভাড়াটিয়ারা জানান, আমরা প্রতিমাসে গ্যাসের চুলা বিল বাবদ ১ হাজার টাকা প্রদান করছি ভবন মালিককে। এ টাকা তিনি কি করছে আমরা তা জানিনা। তবে যতটুকু জেনেছি তিনি টাকা উঠিয়ে নিজেদের পকেটে ভরছে এবং সরকারের গ্যাসের টাকা আত্মসাৎ করছে।
উক্ত বিষয়ে জানতে ভবন মালিক আজিজের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তা করা সম্ভব হয়নি।
উক্ত বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ তিতাসের ডিজিএম মনিরুল আজিম মোহন বলেন, কেউ অবৈধ ভাবে গ্যাস সংযোগ অথবা অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করে তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উক্ত ভবনটিতে দ্রুত অভিযান করা হবে।
প্রতিনিধির নাম 





















