নারায়ণগঞ্জ ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্দরের দুইটি ইটভাটাকে জরিমানা নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালন, ২০ জনকে হুইলচেয়ার বিতরণ নারায়ণগঞ্জে সতেরটি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ সিদ্ধিরগঞ্জে ১টি পাইপ গান ও ১টি কার্টুজের খোসাসহ যুবক গ্রেপ্তার সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু নারায়ণগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক শ্যামলের বাসায় মবের মাধ্যমে হামলা ও হত্যার অপচেষ্টা নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডে গরুর হাট নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কা হীরাঝিল বহুতল ভবনে জ্বলছে অবৈধ চুলা, সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় সেবা গ্রহীতাদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন নিজেদের দক্ষতা ও সেবার মাধ্যমেই জনআস্থা অর্জন করতে হবে : ডিসি রায়হান কবির

নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালন, ২০ জনকে হুইলচেয়ার বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার:

“অটিজম কেনো সীমাবদ্ধতা নয় – প্রতিটি জীবন মূল্যবান” এই প্রতিপাদ্যে নারায়ণগঞ্জে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে।

বুধবার, ১৩ মে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে হুইলচেয়ার বিতরণ, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুল হাসান তাপস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন আ ফ মশিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ সিফাত উদ্দিন এবং অটিজম ফাউন্ডেশন নারায়ণগঞ্জের কনসালটেন্ট সানজিদা নুসরাত। এছাড়া জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং অটিজম স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে র‍্যালির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির। পরে অটিজমে আক্রান্ত ২০ জনের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২ এপ্রিল দিবসটি পালন করা সম্ভব না হওয়ায় আজ তা আয়োজন করা হয়। অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সমাজে মূল্যায়ন ও প্রতিষ্ঠিত করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির বলেন, আমরা যেভাবে অনুভব করি, অটিজমরা সেভাবে প্রকাশ করতে পারে না। তারা সমাজের বোঝা নয়, সমাজেরই একটি অংশ। তাদের জন্য এগিয়ে আসতে হবে। নৈতিকতা ও মানবিকতা নিয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি। পিতামাতার কাছে সন্তান যেমনই হোক, তার কাছে আদরের। তাদের মানসিক বিকাশ গড়তে সাহায্য করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বাড়াতে হবে যাতে তারা অবহেলার শিকার না হয় এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্দরের দুইটি ইটভাটাকে জরিমানা

নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালন, ২০ জনকে হুইলচেয়ার বিতরণ

আপডেট সময় : ০৬:১১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

“অটিজম কেনো সীমাবদ্ধতা নয় – প্রতিটি জীবন মূল্যবান” এই প্রতিপাদ্যে নারায়ণগঞ্জে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে।

বুধবার, ১৩ মে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে হুইলচেয়ার বিতরণ, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুল হাসান তাপস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন আ ফ মশিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ সিফাত উদ্দিন এবং অটিজম ফাউন্ডেশন নারায়ণগঞ্জের কনসালটেন্ট সানজিদা নুসরাত। এছাড়া জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং অটিজম স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে র‍্যালির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির। পরে অটিজমে আক্রান্ত ২০ জনের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২ এপ্রিল দিবসটি পালন করা সম্ভব না হওয়ায় আজ তা আয়োজন করা হয়। অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সমাজে মূল্যায়ন ও প্রতিষ্ঠিত করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির বলেন, আমরা যেভাবে অনুভব করি, অটিজমরা সেভাবে প্রকাশ করতে পারে না। তারা সমাজের বোঝা নয়, সমাজেরই একটি অংশ। তাদের জন্য এগিয়ে আসতে হবে। নৈতিকতা ও মানবিকতা নিয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি। পিতামাতার কাছে সন্তান যেমনই হোক, তার কাছে আদরের। তাদের মানসিক বিকাশ গড়তে সাহায্য করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বাড়াতে হবে যাতে তারা অবহেলার শিকার না হয় এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।