নারায়ণগঞ্জ ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন সহ শিল্পাঞ্চলে স্বস্তি ফেরাতে মাঠে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলে মিশে যায় বহুরূপী বাচ্চু নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডে বেপরোয়া ভূমিখেকো বাচ্চু শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপনে এসপি হাবিবুর রহমানকে পূজা উদযাপন পরিষদের শুভেচ্ছা ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় একযোগে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান যুবলীগ, না যুবদল—রূপগঞ্জে আজিজুল মালুমকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন অসহায় নারীকে স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন নারায়ণগঞ্জ ডিসি ওয়াজ থেকে ফেরার পথে ডাকাতির মুখে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১২

প্রতারিত হয়ে প্রতারক সাজা ভুয়া কাস্টমস কর্মকর্তা নজরুলসহ গ্রেপ্তার-৪

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৩
  • ৪৮৭ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি: কাস্টমসে চাকরি নিতে গিয়ে প্রতারিত হয়ে নিজেই প্রতারক বনেছেন নজরুল ইসলাম। উচ্চভিলাশী জীবন-যাপন করতে প্রতারক চক্র গড়ে তোলে কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। ফ্ল্যাট বুকিং, জমি ক্রয়, বাড়ী ও বিভিন্নভাবে হন প্রচুর সম্পদের মালিক। ভয়ঙ্কর এই চক্রের মূলহোতা নজরুল ইসলামসহ চার ভুয়া কাস্টমস কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১০। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৫ আগস্ট রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার দুপুরে র‌্যাব-১১ এর মিডিয়া সেন্টার থেকে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তাররা হলো-সিদ্ধিরগঞ্জের সফি মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম(২৯), ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার হাবিবুর রহমানের ছেলে ওয়ায়েশ করোনি ওরফে সেলিম(৪৭),ফতুল্লার হাবিব হোসেনের ছেলে নাসির উদ্দিন(২৬) ও বরিশাল জেলার সৈয়দ আফসার উদ্দিনের ছেলে সৈয়দ এনায়েত(৪৮)। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রতারণা কাজে ব্যবহৃত কাস্টমস কর্মকর্তার ইউনিফর্ম, আইডি কার্ড, ওয়াকিটকি, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভুয়া সীল, স্টীকার, ভিজিটিং কার্ড, নগদ অর্থ, বিভিন্ন ব্যাংকের এটিম কার্ড,চেক বহি, একটি প্রাইভেটকার ও দুটি মোটরসাইকেল।

বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, প্রতারক চক্রটি কাস্টমসসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে সাধারণ মানুষকে চাকরি দেয়া, বিদেশে পাঠানো, ভিসা তৈরি, বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে মালামাল ছাড়িয়ে আনা, জমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত দালালি কার্যক্রম করে প্রতারণামূলকভাবে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল। এছাড়াও কাস্টমসসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সীল ও স্টীকার গাড়ীতে ব্যবহার করে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিত। তাছাড়া বিভিন্ন রিসোর্ট ও ব্যবসায়ীদের রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিত। চক্রটির স্থায়ীভাবে কোন অফিস না থাকায় সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনেবোর্ডে ওয়ায়েশ করোনির ভাড়া বাসাকে অফিস হিসেবে ব্যবহার করত। কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে চক্রটির বিরুদ্ধে র‌্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি করে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উচ্চাভিলাশী জীবন-যাপন করার উদ্দেশ্যে চক্রটি প্রতারণা শুরু করে। প্রায় ২ বছর ধরে তারা এ কার্যক্রম করে আসছে। চক্রটির মোট সদস্য সংখ্যা ৭/৮ জন। গ্রেপ্ততারকৃত নজরুল ইসলাম চক্রের মূলহোতা। নজরুল ইসলাম কাস্টমসের ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় থেকে ভোক্তভূগীদের বলতেন,বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। এভাবে বিশ^াস অর্জন করে।

র‌্যাব আরো জানায়, নজরুল ইসলাম স্থানীয় একটি কলেজ থেকে বিবিএ পাস করে কাস্টমস এ চাকরির জন্য আবেদন করে চাকরি না পেয়ে প্রতারিত হয়। ২০১২ সালে প্রথমে তিনি কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরি লাভের আশায় এক প্রতারককে ১১ লাখ টাকা দেন। পরে ২০১৩ সালে নৈশ প্রহরী এবং ২০১৭ সালে উচ্চমান সহকারী হিসেবে চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে পুনরায় আবেদন করেন এবং প্রতারিত হন। বিভিন্ন সময়ে কাস্টমসে চাকরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং কাস্টমসের বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীদের সান্নিধ্যে আসার সুবাধে কাস্টমসের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। নিজেই প্রতারণায় নেমে যায়। প্রতারণা করতে একটি চক্র গড়ে তোলে। নিজেকে এলাকায় উর্ধ্বতন কাস্টমস অফিসার হিসেবে পরিচয় দেয়। কাস্টমসের বিভিন্ন পদে (পিওন, ঝাড়–দার ও অন্যান্য পদে) চাকরি প্রদান করে বিশ^স্ততাও অর্জন করে। মূলত সে কাস্টমসের অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার ও রেভিনিউ অফিসার সুপারিন্টেনডেন্ট কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার চালাত। প্রতারণার অর্থ দিয়ে ফ্ল্যাট বুকিং, জমি ক্রয়, বাড়ী ও বিভিন্নভাবে তার নামে প্রচুর সম্পদ গড়ে তোলেন।

সহযোগী ওয়ায়েশ সেলিম দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থান করে দেশে এসে একটি এজেন্সিতে চাকুরী শুরু করেন। পরে নজরুলের সঙ্গে পরিচয়ের সুবাদে প্রতারণায় যুক্ত হয়। তার কাজ ছিল বিদেশে লোক পাঠানো ও ভিসা তৈরি করা।
সৈয়দ মোঃ এনায়েত ঢাকায় পাঠাও চালক হিসেবে গাড়ি চালাত। প্রায় ১ বছর আগে নজরুলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সে সুবাদে মাসে ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে চক্রে যোগ দেয়। তার কাজ ছিল চাকরি প্রত্যাশীদের নজরুলের কাছে নিয়ে আসা। নাসির উদ্দিন নজরুলের চালের দোকানের কর্মচারী ছিল এবং মোটরসাইকেল চালাত। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধিন।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ

প্রতারিত হয়ে প্রতারক সাজা ভুয়া কাস্টমস কর্মকর্তা নজরুলসহ গ্রেপ্তার-৪

আপডেট সময় : ০৪:২৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৩

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি: কাস্টমসে চাকরি নিতে গিয়ে প্রতারিত হয়ে নিজেই প্রতারক বনেছেন নজরুল ইসলাম। উচ্চভিলাশী জীবন-যাপন করতে প্রতারক চক্র গড়ে তোলে কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। ফ্ল্যাট বুকিং, জমি ক্রয়, বাড়ী ও বিভিন্নভাবে হন প্রচুর সম্পদের মালিক। ভয়ঙ্কর এই চক্রের মূলহোতা নজরুল ইসলামসহ চার ভুয়া কাস্টমস কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১০। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৫ আগস্ট রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার দুপুরে র‌্যাব-১১ এর মিডিয়া সেন্টার থেকে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তাররা হলো-সিদ্ধিরগঞ্জের সফি মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম(২৯), ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার হাবিবুর রহমানের ছেলে ওয়ায়েশ করোনি ওরফে সেলিম(৪৭),ফতুল্লার হাবিব হোসেনের ছেলে নাসির উদ্দিন(২৬) ও বরিশাল জেলার সৈয়দ আফসার উদ্দিনের ছেলে সৈয়দ এনায়েত(৪৮)। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রতারণা কাজে ব্যবহৃত কাস্টমস কর্মকর্তার ইউনিফর্ম, আইডি কার্ড, ওয়াকিটকি, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভুয়া সীল, স্টীকার, ভিজিটিং কার্ড, নগদ অর্থ, বিভিন্ন ব্যাংকের এটিম কার্ড,চেক বহি, একটি প্রাইভেটকার ও দুটি মোটরসাইকেল।

বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, প্রতারক চক্রটি কাস্টমসসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে সাধারণ মানুষকে চাকরি দেয়া, বিদেশে পাঠানো, ভিসা তৈরি, বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে মালামাল ছাড়িয়ে আনা, জমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত দালালি কার্যক্রম করে প্রতারণামূলকভাবে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল। এছাড়াও কাস্টমসসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সীল ও স্টীকার গাড়ীতে ব্যবহার করে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিত। তাছাড়া বিভিন্ন রিসোর্ট ও ব্যবসায়ীদের রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিত। চক্রটির স্থায়ীভাবে কোন অফিস না থাকায় সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনেবোর্ডে ওয়ায়েশ করোনির ভাড়া বাসাকে অফিস হিসেবে ব্যবহার করত। কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে চক্রটির বিরুদ্ধে র‌্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি করে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উচ্চাভিলাশী জীবন-যাপন করার উদ্দেশ্যে চক্রটি প্রতারণা শুরু করে। প্রায় ২ বছর ধরে তারা এ কার্যক্রম করে আসছে। চক্রটির মোট সদস্য সংখ্যা ৭/৮ জন। গ্রেপ্ততারকৃত নজরুল ইসলাম চক্রের মূলহোতা। নজরুল ইসলাম কাস্টমসের ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় থেকে ভোক্তভূগীদের বলতেন,বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। এভাবে বিশ^াস অর্জন করে।

র‌্যাব আরো জানায়, নজরুল ইসলাম স্থানীয় একটি কলেজ থেকে বিবিএ পাস করে কাস্টমস এ চাকরির জন্য আবেদন করে চাকরি না পেয়ে প্রতারিত হয়। ২০১২ সালে প্রথমে তিনি কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরি লাভের আশায় এক প্রতারককে ১১ লাখ টাকা দেন। পরে ২০১৩ সালে নৈশ প্রহরী এবং ২০১৭ সালে উচ্চমান সহকারী হিসেবে চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে পুনরায় আবেদন করেন এবং প্রতারিত হন। বিভিন্ন সময়ে কাস্টমসে চাকরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং কাস্টমসের বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীদের সান্নিধ্যে আসার সুবাধে কাস্টমসের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। নিজেই প্রতারণায় নেমে যায়। প্রতারণা করতে একটি চক্র গড়ে তোলে। নিজেকে এলাকায় উর্ধ্বতন কাস্টমস অফিসার হিসেবে পরিচয় দেয়। কাস্টমসের বিভিন্ন পদে (পিওন, ঝাড়–দার ও অন্যান্য পদে) চাকরি প্রদান করে বিশ^স্ততাও অর্জন করে। মূলত সে কাস্টমসের অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার ও রেভিনিউ অফিসার সুপারিন্টেনডেন্ট কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার চালাত। প্রতারণার অর্থ দিয়ে ফ্ল্যাট বুকিং, জমি ক্রয়, বাড়ী ও বিভিন্নভাবে তার নামে প্রচুর সম্পদ গড়ে তোলেন।

সহযোগী ওয়ায়েশ সেলিম দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থান করে দেশে এসে একটি এজেন্সিতে চাকুরী শুরু করেন। পরে নজরুলের সঙ্গে পরিচয়ের সুবাদে প্রতারণায় যুক্ত হয়। তার কাজ ছিল বিদেশে লোক পাঠানো ও ভিসা তৈরি করা।
সৈয়দ মোঃ এনায়েত ঢাকায় পাঠাও চালক হিসেবে গাড়ি চালাত। প্রায় ১ বছর আগে নজরুলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সে সুবাদে মাসে ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে চক্রে যোগ দেয়। তার কাজ ছিল চাকরি প্রত্যাশীদের নজরুলের কাছে নিয়ে আসা। নাসির উদ্দিন নজরুলের চালের দোকানের কর্মচারী ছিল এবং মোটরসাইকেল চালাত। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধিন।