নারায়ণগঞ্জ ০৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ ফতুল্লায় দূষণের দায়ে আকবর ডাইংকে জরিমান নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দিলেন ডিসি রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে নাসিকের ওয়ার্ড সচিবের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বিভাগীয় কমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা সিদ্ধিরগঞ্জে গোসলে নেমে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু সোনারগাঁয়ের পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ শুভ উদ্বোধনে শিক্ষা মন্ত্রী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন, নারায়ণগঞ্জ সদরে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ সংকট কালের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে প্রস্তাবিত বাজেট সন্তোষজনক:বিকেএমইএ নারায়ণগঞ্জে প্রধান নিষ্কাশন খালের তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, জমি উদ্ধার

সোনারগাঁয়ে বিএনপি কর্মীর ৮০ লাখ টাকা আত্নসাতের পাঁয়তারা করছে জামায়াত কর্মী

সোনারগাঁ প্রতিনিধি :সোনারগাঁ থানার কাঁচপুর এলাকার মো: সেলিম নামে এক বিএনপি কর্মীর ৮০ লাখ টাকা আত্নসাত করার পাঁয়তারা করছে মো: মাসুম বিল্লা নামে আরেক জামায়াতে ইসলামের কর্মী। পাওনা টাকা চাইতে গেলেই প্রাণ নাশসহ বিভিন্ন হুমকি প্রদান করা হচ্ছে বলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন সেলিম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কাঁচপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকার মৃত হেদায়েদ উল্লাহ মুন্সির ছেলে মো: সেলিম (৪৮) গত ৫ বছর আগে একই এলাকার মো: কুদরত আলী মাষ্টারের ছেলে মো: মাসুম বিল্লা (৪০) ও সফর আলীর ছেলে নাছিরকে (৩৮) ৮০ লাখ টাকা দেয়। পাওনা টাকা চাইতে গেলে গালমন্দ ও প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। স্থানীয় বিচার সালিশের মাধ্যমে টাকা আদায় করতে না পেরে সেলিম ওই দুইজনের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
ভোক্তভূগী মো: সেলিম জানান, মাসুম বিল্লা কাঁচপুর এলাকায় বেসরকারি এ্যাপোলো হাসপাতাল গড়ে তুলেন। হাসপাতালে অংশিদার করার কথা বলে ৫ বছর আগে আমার কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকা নেয় মাসুম বিল্লা। পরে আমাকে কাগজে কলমে অংশিদার না করে টাকা ফেরত দিবে বলে জানায়। আজ না কাল দিবে বলে সময় ক্ষ্যাপন করতে থাকে। চাপের মুখে যমুনা ব্যাংকের ৮০ লাখ টাকার একটি চেক দেয়। ওই চেক নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জানতি পারি চেকে যে একাউন্ড নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে সে একাউন্ড চেক প্রদানের অনেক আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তার এই প্রতারণা বুঝতে পেরে আমি দিশেহারা হয়ে পড়ি। হাসপাতালের অংশিদার হলে যে হারে মুনাফা দেওয়ার কথা ছিল সে হিসেবে তার কাছে আমার কমপক্ষে ১ কোটি টাকার বেশি পাওনা হয়। কিন্তু মুনাফাত দূরের কথা আমার আসল টাকাই দিচ্ছেনা। তিনি আরো জানান, আমার পাওনা টাকা আতœসাত করার জন্য মাসুম বিল্লা ও নাছিরগংরা নানা কূটকৌশল শুরু করেছে।
সেলিম বলেন, আমি একজন বিএনপি কর্মী। আর মাসুম বিল্লা জামায়াতে ইসলাম করেন। সে সুবাধে তার সাথে আমার ভাল সুসম্পর্ক ছিল। তাই তার কথা বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলাম। এখন বুঝতে পারছি আসলে তিনি একজন প্রতারক।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মাসুম বিল্লার সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলে সেলিমের কাছ থেকে আমি ৩ লাখ টাকা নিয়েছি। আশি লাখ টাকা দাবি করা ভিত্তিহীন।
অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনারগাঁ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ

সোনারগাঁয়ে বিএনপি কর্মীর ৮০ লাখ টাকা আত্নসাতের পাঁয়তারা করছে জামায়াত কর্মী

আপডেট সময় : ১২:২৫:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২

সোনারগাঁ প্রতিনিধি :সোনারগাঁ থানার কাঁচপুর এলাকার মো: সেলিম নামে এক বিএনপি কর্মীর ৮০ লাখ টাকা আত্নসাত করার পাঁয়তারা করছে মো: মাসুম বিল্লা নামে আরেক জামায়াতে ইসলামের কর্মী। পাওনা টাকা চাইতে গেলেই প্রাণ নাশসহ বিভিন্ন হুমকি প্রদান করা হচ্ছে বলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন সেলিম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কাঁচপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকার মৃত হেদায়েদ উল্লাহ মুন্সির ছেলে মো: সেলিম (৪৮) গত ৫ বছর আগে একই এলাকার মো: কুদরত আলী মাষ্টারের ছেলে মো: মাসুম বিল্লা (৪০) ও সফর আলীর ছেলে নাছিরকে (৩৮) ৮০ লাখ টাকা দেয়। পাওনা টাকা চাইতে গেলে গালমন্দ ও প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। স্থানীয় বিচার সালিশের মাধ্যমে টাকা আদায় করতে না পেরে সেলিম ওই দুইজনের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
ভোক্তভূগী মো: সেলিম জানান, মাসুম বিল্লা কাঁচপুর এলাকায় বেসরকারি এ্যাপোলো হাসপাতাল গড়ে তুলেন। হাসপাতালে অংশিদার করার কথা বলে ৫ বছর আগে আমার কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকা নেয় মাসুম বিল্লা। পরে আমাকে কাগজে কলমে অংশিদার না করে টাকা ফেরত দিবে বলে জানায়। আজ না কাল দিবে বলে সময় ক্ষ্যাপন করতে থাকে। চাপের মুখে যমুনা ব্যাংকের ৮০ লাখ টাকার একটি চেক দেয়। ওই চেক নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জানতি পারি চেকে যে একাউন্ড নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে সে একাউন্ড চেক প্রদানের অনেক আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তার এই প্রতারণা বুঝতে পেরে আমি দিশেহারা হয়ে পড়ি। হাসপাতালের অংশিদার হলে যে হারে মুনাফা দেওয়ার কথা ছিল সে হিসেবে তার কাছে আমার কমপক্ষে ১ কোটি টাকার বেশি পাওনা হয়। কিন্তু মুনাফাত দূরের কথা আমার আসল টাকাই দিচ্ছেনা। তিনি আরো জানান, আমার পাওনা টাকা আতœসাত করার জন্য মাসুম বিল্লা ও নাছিরগংরা নানা কূটকৌশল শুরু করেছে।
সেলিম বলেন, আমি একজন বিএনপি কর্মী। আর মাসুম বিল্লা জামায়াতে ইসলাম করেন। সে সুবাধে তার সাথে আমার ভাল সুসম্পর্ক ছিল। তাই তার কথা বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলাম। এখন বুঝতে পারছি আসলে তিনি একজন প্রতারক।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মাসুম বিল্লার সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলে সেলিমের কাছ থেকে আমি ৩ লাখ টাকা নিয়েছি। আশি লাখ টাকা দাবি করা ভিত্তিহীন।
অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনারগাঁ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।