নারায়ণগঞ্জ ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শীঘ্রই কুতুবপুরে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান: এসপি মিজানুর রহমান মুন্সি যুবদল নেতার দখলে থাকা তাঁতি লীগ নেতার অফিস এখন মাদকের আখড়া! নারায়ণগঞ্জে কল্যাণী খাল দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান অভিযানে ৩ দোকানে পলিথিন ব্যাগ রাখায় জব্দসহ জরিমানা যুক্তির সমীরণে প্রাচ্যের ডান্ডি’: নারায়ণগঞ্জে ১৫ জুন শুরু হচ্ছে উপজেলা বিতর্ক উৎসব-২০২৬ জলাবদ্ধতা ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ড্রেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিদর্শনে ইউএনও ফয়েজ উদ্দিন মেঘনার পানি আসছে ঢাকায়: ১০ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প উদ্বোধনের অপেক্ষায় বাজেটে তিনটি বিষয় গুরুত্ব না দিলে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় : বিকেএমইএ সভাপতি জামায়াতে ইসলামী প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না- মাওলানা আবদুল জব্বার নারায়ণগঞ্জে শব্দ দূষণবিরোধী অভিযান: ৪ যানবাহনকে জরিমানা, হর্ন জব্দ

সোনারগাঁয়ে বিএনপি কর্মীর ৮০ লাখ টাকা আত্নসাতের পাঁয়তারা করছে জামায়াত কর্মী

সোনারগাঁ প্রতিনিধি :সোনারগাঁ থানার কাঁচপুর এলাকার মো: সেলিম নামে এক বিএনপি কর্মীর ৮০ লাখ টাকা আত্নসাত করার পাঁয়তারা করছে মো: মাসুম বিল্লা নামে আরেক জামায়াতে ইসলামের কর্মী। পাওনা টাকা চাইতে গেলেই প্রাণ নাশসহ বিভিন্ন হুমকি প্রদান করা হচ্ছে বলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন সেলিম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কাঁচপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকার মৃত হেদায়েদ উল্লাহ মুন্সির ছেলে মো: সেলিম (৪৮) গত ৫ বছর আগে একই এলাকার মো: কুদরত আলী মাষ্টারের ছেলে মো: মাসুম বিল্লা (৪০) ও সফর আলীর ছেলে নাছিরকে (৩৮) ৮০ লাখ টাকা দেয়। পাওনা টাকা চাইতে গেলে গালমন্দ ও প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। স্থানীয় বিচার সালিশের মাধ্যমে টাকা আদায় করতে না পেরে সেলিম ওই দুইজনের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
ভোক্তভূগী মো: সেলিম জানান, মাসুম বিল্লা কাঁচপুর এলাকায় বেসরকারি এ্যাপোলো হাসপাতাল গড়ে তুলেন। হাসপাতালে অংশিদার করার কথা বলে ৫ বছর আগে আমার কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকা নেয় মাসুম বিল্লা। পরে আমাকে কাগজে কলমে অংশিদার না করে টাকা ফেরত দিবে বলে জানায়। আজ না কাল দিবে বলে সময় ক্ষ্যাপন করতে থাকে। চাপের মুখে যমুনা ব্যাংকের ৮০ লাখ টাকার একটি চেক দেয়। ওই চেক নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জানতি পারি চেকে যে একাউন্ড নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে সে একাউন্ড চেক প্রদানের অনেক আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তার এই প্রতারণা বুঝতে পেরে আমি দিশেহারা হয়ে পড়ি। হাসপাতালের অংশিদার হলে যে হারে মুনাফা দেওয়ার কথা ছিল সে হিসেবে তার কাছে আমার কমপক্ষে ১ কোটি টাকার বেশি পাওনা হয়। কিন্তু মুনাফাত দূরের কথা আমার আসল টাকাই দিচ্ছেনা। তিনি আরো জানান, আমার পাওনা টাকা আতœসাত করার জন্য মাসুম বিল্লা ও নাছিরগংরা নানা কূটকৌশল শুরু করেছে।
সেলিম বলেন, আমি একজন বিএনপি কর্মী। আর মাসুম বিল্লা জামায়াতে ইসলাম করেন। সে সুবাধে তার সাথে আমার ভাল সুসম্পর্ক ছিল। তাই তার কথা বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলাম। এখন বুঝতে পারছি আসলে তিনি একজন প্রতারক।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মাসুম বিল্লার সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলে সেলিমের কাছ থেকে আমি ৩ লাখ টাকা নিয়েছি। আশি লাখ টাকা দাবি করা ভিত্তিহীন।
অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনারগাঁ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শীঘ্রই কুতুবপুরে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান: এসপি মিজানুর রহমান মুন্সি

সোনারগাঁয়ে বিএনপি কর্মীর ৮০ লাখ টাকা আত্নসাতের পাঁয়তারা করছে জামায়াত কর্মী

আপডেট সময় : ১২:২৫:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২

সোনারগাঁ প্রতিনিধি :সোনারগাঁ থানার কাঁচপুর এলাকার মো: সেলিম নামে এক বিএনপি কর্মীর ৮০ লাখ টাকা আত্নসাত করার পাঁয়তারা করছে মো: মাসুম বিল্লা নামে আরেক জামায়াতে ইসলামের কর্মী। পাওনা টাকা চাইতে গেলেই প্রাণ নাশসহ বিভিন্ন হুমকি প্রদান করা হচ্ছে বলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন সেলিম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কাঁচপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকার মৃত হেদায়েদ উল্লাহ মুন্সির ছেলে মো: সেলিম (৪৮) গত ৫ বছর আগে একই এলাকার মো: কুদরত আলী মাষ্টারের ছেলে মো: মাসুম বিল্লা (৪০) ও সফর আলীর ছেলে নাছিরকে (৩৮) ৮০ লাখ টাকা দেয়। পাওনা টাকা চাইতে গেলে গালমন্দ ও প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। স্থানীয় বিচার সালিশের মাধ্যমে টাকা আদায় করতে না পেরে সেলিম ওই দুইজনের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
ভোক্তভূগী মো: সেলিম জানান, মাসুম বিল্লা কাঁচপুর এলাকায় বেসরকারি এ্যাপোলো হাসপাতাল গড়ে তুলেন। হাসপাতালে অংশিদার করার কথা বলে ৫ বছর আগে আমার কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকা নেয় মাসুম বিল্লা। পরে আমাকে কাগজে কলমে অংশিদার না করে টাকা ফেরত দিবে বলে জানায়। আজ না কাল দিবে বলে সময় ক্ষ্যাপন করতে থাকে। চাপের মুখে যমুনা ব্যাংকের ৮০ লাখ টাকার একটি চেক দেয়। ওই চেক নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জানতি পারি চেকে যে একাউন্ড নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে সে একাউন্ড চেক প্রদানের অনেক আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তার এই প্রতারণা বুঝতে পেরে আমি দিশেহারা হয়ে পড়ি। হাসপাতালের অংশিদার হলে যে হারে মুনাফা দেওয়ার কথা ছিল সে হিসেবে তার কাছে আমার কমপক্ষে ১ কোটি টাকার বেশি পাওনা হয়। কিন্তু মুনাফাত দূরের কথা আমার আসল টাকাই দিচ্ছেনা। তিনি আরো জানান, আমার পাওনা টাকা আতœসাত করার জন্য মাসুম বিল্লা ও নাছিরগংরা নানা কূটকৌশল শুরু করেছে।
সেলিম বলেন, আমি একজন বিএনপি কর্মী। আর মাসুম বিল্লা জামায়াতে ইসলাম করেন। সে সুবাধে তার সাথে আমার ভাল সুসম্পর্ক ছিল। তাই তার কথা বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলাম। এখন বুঝতে পারছি আসলে তিনি একজন প্রতারক।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মাসুম বিল্লার সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলে সেলিমের কাছ থেকে আমি ৩ লাখ টাকা নিয়েছি। আশি লাখ টাকা দাবি করা ভিত্তিহীন।
অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনারগাঁ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।