নারায়ণগঞ্জ ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান উৎসব উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি: ফতুল্লার সুন্দরবন রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা রোধে নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিসি মো:রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে ২ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে নির্মাণ সামগ্রী লুটের অভিযোগ যুবদল নেতার ২০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী আহত সাংবাদিককে দেখতে আর্থিক সহায়তা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের

সিদ্ধিরগঞ্জে নুরু-বিল্লাল গ্রেফতারে স্বস্তি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ এপ্রিল ২০২১
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে

সিদ্বিরগঞ্জ প্রতিনিধি : হেফাজতে ইসলামের হরতালে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বহু অপকর্মের হোতা নুর উদ্দীন নুরু (৪২) ও সীমান্ত হেলাল ওরফে বিল্লাল হোসেন (৪০)।

গ্রেফতারকৃত নুর উদ্দীন নুরু ও সীমান্ত হেলাল ওরফে বিল্লাল হোসেন হেফাজতে ইসলামের হরতালে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজহার ভূক্ত আসামী। বৃহস্পতিবার রাতে নুর উদ্দীন নুরুকে মিজমিজি রহমতনগর এলাকা থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই ফয়সাল আলম গ্রেফতার করে।

অন্য দিকে একই এলাকা থেকে বুধবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই রিপন খন্দকার সীমান্ত হেলাল ওরফে বিল্লাল হোসেনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন। এদিকে বহু অপকর্মের হোতা নুর উদ্দীন নুরু ও সীমান্ত বিল্লাল পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সিদ্ধিরগঞ্জের ১নম্বর ওয়ার্ডের মিজমিজি বাতানপাড়া, রহমতনগর ও আল-আমিন নগর এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

গ্রেফতারকৃত নুর উদ্দীন নুরু জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল হাই রাজুর ভাতিজা হলেও এলাকায় তাফালিং করে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তোলেছিলো।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সিদ্ধিরগঞ্জের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিজমিজি বাতানপাড়া, রহমতনগর ও আল-আমিন নগর এলাকায় নুরুউদ্দিন নুরু ও শীমান্ত হেলাল ওরফে বিল্লাল ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।

এদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একাধিক মাদকের মামলা থাকলেও এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল দিব্বী। সন্ধ্যার হলেই শুরু হতো তাদের অপারেশন। নুরুউদ্দিন নুরু ও বিল্লাল নিজেদের পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে তাফালিং করে আসছিলো। এদের প্রধান টার্গেট ছিল আদমজী ইপিজেটের গার্মেন্টের নারী-পুরুষ শ্রমিক।
সন্ধ্যার পর কোন ছেলে-মেয়েদের এক সাথে দেখলেই টার্গেট করে বিভিন্নভাবে ফাদ পেতে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতো মোটা অংকের টাকা।

নুরুউদ্দিন নুরু বিএনপির নেতা আব্দুল হাই রাজুর ভাতিজা হলেও অনেকটা দাপটের সাথে দাবরিয়ে বেড়াতো নাসিক ১নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা। কেউ তাদের অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করলেই পুলিশ দিয়ে হয়রানি করতো বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এছাড়াও যারা দেশের অন্য জেলা থেকে মিজমিজি বাতানপাড়া, রহমতনগর ও আল-আমিন নগর এলাকায় এসে বাড়ি করেছেন তাদের বাড়ি ঘর নির্মান করার সময় মালামাল জোর পূর্বেক সরবরাহ করার হুমকী ধমকী দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে মোটা অংকের টাকা।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ মশিউর রহমান পিপিএম জানান, গ্রেফতারকৃত নুরু উদ্দীন নুরু ও বিল্লাল হোসেন বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং নাশকতা, পুলিশের উপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা ও সন্ত্রাস দমন আইনে দায়ের করা মামলার এজহারভুক্ত আসামী। সেই প্রেক্ষিতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধী সে যে দলের-ই হোক না কেন? ছাড় দেওয়া হবে না।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত

সিদ্ধিরগঞ্জে নুরু-বিল্লাল গ্রেফতারে স্বস্তি

আপডেট সময় : ০২:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ এপ্রিল ২০২১

সিদ্বিরগঞ্জ প্রতিনিধি : হেফাজতে ইসলামের হরতালে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বহু অপকর্মের হোতা নুর উদ্দীন নুরু (৪২) ও সীমান্ত হেলাল ওরফে বিল্লাল হোসেন (৪০)।

গ্রেফতারকৃত নুর উদ্দীন নুরু ও সীমান্ত হেলাল ওরফে বিল্লাল হোসেন হেফাজতে ইসলামের হরতালে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজহার ভূক্ত আসামী। বৃহস্পতিবার রাতে নুর উদ্দীন নুরুকে মিজমিজি রহমতনগর এলাকা থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই ফয়সাল আলম গ্রেফতার করে।

অন্য দিকে একই এলাকা থেকে বুধবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই রিপন খন্দকার সীমান্ত হেলাল ওরফে বিল্লাল হোসেনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন। এদিকে বহু অপকর্মের হোতা নুর উদ্দীন নুরু ও সীমান্ত বিল্লাল পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সিদ্ধিরগঞ্জের ১নম্বর ওয়ার্ডের মিজমিজি বাতানপাড়া, রহমতনগর ও আল-আমিন নগর এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

গ্রেফতারকৃত নুর উদ্দীন নুরু জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল হাই রাজুর ভাতিজা হলেও এলাকায় তাফালিং করে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তোলেছিলো।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সিদ্ধিরগঞ্জের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিজমিজি বাতানপাড়া, রহমতনগর ও আল-আমিন নগর এলাকায় নুরুউদ্দিন নুরু ও শীমান্ত হেলাল ওরফে বিল্লাল ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।

এদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একাধিক মাদকের মামলা থাকলেও এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল দিব্বী। সন্ধ্যার হলেই শুরু হতো তাদের অপারেশন। নুরুউদ্দিন নুরু ও বিল্লাল নিজেদের পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে তাফালিং করে আসছিলো। এদের প্রধান টার্গেট ছিল আদমজী ইপিজেটের গার্মেন্টের নারী-পুরুষ শ্রমিক।
সন্ধ্যার পর কোন ছেলে-মেয়েদের এক সাথে দেখলেই টার্গেট করে বিভিন্নভাবে ফাদ পেতে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতো মোটা অংকের টাকা।

নুরুউদ্দিন নুরু বিএনপির নেতা আব্দুল হাই রাজুর ভাতিজা হলেও অনেকটা দাপটের সাথে দাবরিয়ে বেড়াতো নাসিক ১নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা। কেউ তাদের অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করলেই পুলিশ দিয়ে হয়রানি করতো বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এছাড়াও যারা দেশের অন্য জেলা থেকে মিজমিজি বাতানপাড়া, রহমতনগর ও আল-আমিন নগর এলাকায় এসে বাড়ি করেছেন তাদের বাড়ি ঘর নির্মান করার সময় মালামাল জোর পূর্বেক সরবরাহ করার হুমকী ধমকী দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে মোটা অংকের টাকা।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ মশিউর রহমান পিপিএম জানান, গ্রেফতারকৃত নুরু উদ্দীন নুরু ও বিল্লাল হোসেন বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং নাশকতা, পুলিশের উপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা ও সন্ত্রাস দমন আইনে দায়ের করা মামলার এজহারভুক্ত আসামী। সেই প্রেক্ষিতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধী সে যে দলের-ই হোক না কেন? ছাড় দেওয়া হবে না।