নারায়ণগঞ্জ ০৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নারায়ণগঞ্জে ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ উপলক্ষে ‘Automated Land Management System’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে ‘ভূমিসেবা মেলা ২০২৬’ এর উদ্বোধন বন্দরে বাড়ি থেকে ডেকে এনে যুবককে কুপিয়ে হত্যা নারায়ণগঞ্জে গ্রাম আদালতের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত রুপগঞ্জে নবগঠিত রুপগঞ্জ টেলিভিশন মিডিয়ার ক্লাবের কমিটি ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ১১ সদস্যের অব্যাহতি রূপগঞ্জ টেলিভিশন মিডিয়া ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা হাউজিংয়ে আজিজের বহুতল ভবনে জ্বলছে অবৈধ গ্যাসের চুলা, বছরে লক্ষ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় ঈদকে সামনে রেখে বিশৃঙ্খলা এড়াতে ডিসি রায়হান কবিরের কঠোর নির্দেশনা যাত্রীবাহী বাসে অভিযানে ১০ কেজি গাজাসহ কারবারি আটক

অব্যাহতি নিয়েছেন ওয়াজেদ আলী খোকন,ভারপ্রাপ্ত পিপি মনিরুজ্জামান বুলবুল।

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১
  • ৩২৭ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ সংবাদ :  অবৈধ সম্পদ থাকার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুই মামলা দায়েরের পর নারায়ণগঞ্জ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এড. ওয়াজেদ আলী খোকন তাঁর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

ভারপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউর হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এড. মনিরুজ্জামান বুলবুল। তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত একেএম বজলুর রহমানের পুত্র।

বুধবার (১০ মার্চ) দুপুরে এড.মনিরুজ্জামানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন এড.ওয়াজেদ আলী খোকন।

এড.ওয়াজেদ আলী খোকন বলেন, ‘আমি ২০১৫ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছি। দুদক আমার বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে আমার ও স্ত্রীর নামে দুটি মামলা দায়ের করেছেন। দুদকের মামলার তদন্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পিপি পদ থেকে সরে যাচ্ছি।

এডিশনাল পিপি মনিরুজ্জামানের কাছে আজ দায়িত্ব হস্তান্তর করছি। দুদকের মামলায় আমি বিব্রত। তদন্তে ব্যাঘাত ঘটতে পারে ভেবে আমি সরে যাচ্ছি। যিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন এই আশাবাদ রাখি।’

ভারপ্রাপ্ত পিপি হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করা এড.মনিরুজ্জামান বুলবুল বলেন, ‘মামলার বিচার কাজ প্রভাবিত হতে পারে ভেবে তিনি অব্যাহতি নিয়েছেন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ১৯৯০ সাল থেকে এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে সেসব তিনি মোকাবেলা করুন। পিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে উনার সহযোগিতাও আমার প্রয়োজন রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, অবৈধ সম্পদ থাকার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও মহানগর আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক এড. ওয়াজেদ আলী খোকন ও তার স্ত্রী সেলিনা ওয়াজেদ মিনুর বিরুদ্ধে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বাদী হয়ে মামলা দু’টি দায়ের করেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পিপি ও তাঁর স্ত্রী আত্মসমর্পণ করেন। এবং মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

দুদকের প্রথম মামলার অভিযোগে বলা হয়, এসএম ওয়াজেদ আলী খোকন, পাবলিক প্রসিকিউটর, নারায়ণগঞ্জ দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তার নিজ নামে ও তার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে ৮৫ লাখ ৩২ হাজার ৩৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য প্রদর্শন না করে গোপনপূর্বক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দেন। তা স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে গোপন করা সম্পদসহ মোট ৯৯ লাখ ৪৯ হাজার ৩৫৫ টাকার জ্ঞাত-আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে দখলে রাখায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

অপর মামলায় বলা হয়েছে, পিপির স্ত্রী মিসেস সেলিনা ওয়াজেদ মিনুর দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তার নিজ নামে ২৭ লাখ ৩৯ হাজার ১৬১ টাকার সম্পদের তথ্য প্রদর্শন না করে গোপনপূর্বক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিতো। স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে উক্ত গোপন করা সম্পদসহ মোট ১ কোটি ১ লাখ ৫৬ হাজার ১৭৪ টাকার জ্ঞাত-আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করার অভিযোগে মামলা করা হয়।

এর আগে গত বছরের অক্টোবর মাসে নারায়ণগঞ্জ জজকোর্টের পিপি ওয়াজেদ আলী খোকনের বাড়িতে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের একটি প্রতিনিধি দল। পরে দলটি ওয়াজেদ আলী খোকনের স্ত্রীর ইনকাম ট্যাক্সের ফাইল অনুসন্ধানের জন্য নিয়ে যায়। এসময় পিপি এবং তাঁর স্ত্রীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তখন ওয়াজেদ আলী খোকন এর আগে তাঁর সম্পদের যেই বিবরণী জমা দিয়েছিলেন সেখানে বর্তমান সম্পদের সঙ্গে ব্যাপক পার্থক্য পেয়েছিলো অনুসন্ধানকারি দল।

তথ্য অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তথ্যগুলো উঠে এসেছে তার স্ত্রী সম্পদ বিবরনীতে ট্যাক্স ফাইলে ব্যাপক গড়মিল পাওয়া গেছে। প্রথমে তার স্ত্রীর সম্পদগুলো তার ভাইয়ের নামে রেজিষ্ট্রি করে এবং পরে তা হেবা করে নিজের নামে ট্রান্সফার করা হয় তার ফাইলে। এছাড়া তাদের ফাইলে যেসব ব্যবসার উল্লেখ করা হয়েছে, বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি দুদক।

এর আগে ২০১৮ সালের মে থেকে নারায়ণগঞ্জ জজকোর্টেও পাবলিক প্রসিকিউটর ওয়াজেদ আলী খোকনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠে। এরপর থেকেই তার সেই অবৈধ আয়ের অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন। ওই বছরের ২৮ মে দুদক থেকে ওয়াজেদ আলী খোকনকে চিঠি পাঠায় দুদক। পরে ২৯ মে তাকে দুদক কার্যালয়ে এক ঘন্টার মতো জিজ্ঞাসাবাদ করে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

অব্যাহতি নিয়েছেন ওয়াজেদ আলী খোকন,ভারপ্রাপ্ত পিপি মনিরুজ্জামান বুলবুল।

আপডেট সময় : ০২:১৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১

নারায়ণগঞ্জ সংবাদ :  অবৈধ সম্পদ থাকার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুই মামলা দায়েরের পর নারায়ণগঞ্জ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এড. ওয়াজেদ আলী খোকন তাঁর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

ভারপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউর হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এড. মনিরুজ্জামান বুলবুল। তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত একেএম বজলুর রহমানের পুত্র।

বুধবার (১০ মার্চ) দুপুরে এড.মনিরুজ্জামানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন এড.ওয়াজেদ আলী খোকন।

এড.ওয়াজেদ আলী খোকন বলেন, ‘আমি ২০১৫ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছি। দুদক আমার বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে আমার ও স্ত্রীর নামে দুটি মামলা দায়ের করেছেন। দুদকের মামলার তদন্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পিপি পদ থেকে সরে যাচ্ছি।

এডিশনাল পিপি মনিরুজ্জামানের কাছে আজ দায়িত্ব হস্তান্তর করছি। দুদকের মামলায় আমি বিব্রত। তদন্তে ব্যাঘাত ঘটতে পারে ভেবে আমি সরে যাচ্ছি। যিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন এই আশাবাদ রাখি।’

ভারপ্রাপ্ত পিপি হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করা এড.মনিরুজ্জামান বুলবুল বলেন, ‘মামলার বিচার কাজ প্রভাবিত হতে পারে ভেবে তিনি অব্যাহতি নিয়েছেন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ১৯৯০ সাল থেকে এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে সেসব তিনি মোকাবেলা করুন। পিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে উনার সহযোগিতাও আমার প্রয়োজন রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, অবৈধ সম্পদ থাকার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও মহানগর আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক এড. ওয়াজেদ আলী খোকন ও তার স্ত্রী সেলিনা ওয়াজেদ মিনুর বিরুদ্ধে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বাদী হয়ে মামলা দু’টি দায়ের করেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পিপি ও তাঁর স্ত্রী আত্মসমর্পণ করেন। এবং মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

দুদকের প্রথম মামলার অভিযোগে বলা হয়, এসএম ওয়াজেদ আলী খোকন, পাবলিক প্রসিকিউটর, নারায়ণগঞ্জ দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তার নিজ নামে ও তার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে ৮৫ লাখ ৩২ হাজার ৩৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য প্রদর্শন না করে গোপনপূর্বক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দেন। তা স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে গোপন করা সম্পদসহ মোট ৯৯ লাখ ৪৯ হাজার ৩৫৫ টাকার জ্ঞাত-আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে দখলে রাখায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

অপর মামলায় বলা হয়েছে, পিপির স্ত্রী মিসেস সেলিনা ওয়াজেদ মিনুর দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তার নিজ নামে ২৭ লাখ ৩৯ হাজার ১৬১ টাকার সম্পদের তথ্য প্রদর্শন না করে গোপনপূর্বক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিতো। স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে উক্ত গোপন করা সম্পদসহ মোট ১ কোটি ১ লাখ ৫৬ হাজার ১৭৪ টাকার জ্ঞাত-আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করার অভিযোগে মামলা করা হয়।

এর আগে গত বছরের অক্টোবর মাসে নারায়ণগঞ্জ জজকোর্টের পিপি ওয়াজেদ আলী খোকনের বাড়িতে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের একটি প্রতিনিধি দল। পরে দলটি ওয়াজেদ আলী খোকনের স্ত্রীর ইনকাম ট্যাক্সের ফাইল অনুসন্ধানের জন্য নিয়ে যায়। এসময় পিপি এবং তাঁর স্ত্রীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তখন ওয়াজেদ আলী খোকন এর আগে তাঁর সম্পদের যেই বিবরণী জমা দিয়েছিলেন সেখানে বর্তমান সম্পদের সঙ্গে ব্যাপক পার্থক্য পেয়েছিলো অনুসন্ধানকারি দল।

তথ্য অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তথ্যগুলো উঠে এসেছে তার স্ত্রী সম্পদ বিবরনীতে ট্যাক্স ফাইলে ব্যাপক গড়মিল পাওয়া গেছে। প্রথমে তার স্ত্রীর সম্পদগুলো তার ভাইয়ের নামে রেজিষ্ট্রি করে এবং পরে তা হেবা করে নিজের নামে ট্রান্সফার করা হয় তার ফাইলে। এছাড়া তাদের ফাইলে যেসব ব্যবসার উল্লেখ করা হয়েছে, বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি দুদক।

এর আগে ২০১৮ সালের মে থেকে নারায়ণগঞ্জ জজকোর্টেও পাবলিক প্রসিকিউটর ওয়াজেদ আলী খোকনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠে। এরপর থেকেই তার সেই অবৈধ আয়ের অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন। ওই বছরের ২৮ মে দুদক থেকে ওয়াজেদ আলী খোকনকে চিঠি পাঠায় দুদক। পরে ২৯ মে তাকে দুদক কার্যালয়ে এক ঘন্টার মতো জিজ্ঞাসাবাদ করে।