নারায়ণগঞ্জ ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পিপিএম-সেবা পদক পাচ্ছেন নারায়ণগঞ্জের এসপি হাবিবুর রহমান রূপগঞ্জে ধারালো অস্ত্রসহ পাঁচ ডাকাত গ্রেফতার; ডাকাতি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার সোনারগাঁয়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার পুলিশ সুপারের সঙ্গে BKMEA, NCCI ও We Are Volunteers-এর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সোনারগাঁয়ে মাদক ও ধর্ম আবমাননাসহ পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার-৮ রূপগঞ্জে পাউবো কর্মকর্তার দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুদকের অভিযান প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো সদর উপজেলা প্রশাসন নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভা ও ৫০ বন্দিকে গার্মেন্টস কর্মে প্রশিক্ষণ নারায়ণগঞ্জে খাজা সুপার মার্কেটে জুয়ার আসরে পুলিশ সুপারের অভিযান, আটক ২৮ আত্মকর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা: নারায়ণগঞ্জ সদরে মাশরুম চাষ প্রশিক্ষণ শুরু

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যদিলেন ঝর্ণার ছেলেসহ ২জন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩
  • ৫৪২ বার পড়া হয়েছে

আদালতপাড়া প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হককে সোনারগাঁ থানায় ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়েছে । মঙ্গলবার (৬ জুন) সকাল ১০ টার সময় কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে কাশিমপুর কারাগার থেকে তাকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয়। দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে সাক্ষ্যগ্রণ হয়।
মামুনুল হককে বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মামলার বাদী জান্নাত আরা ঝর্ণার ছেলে চার্জশিটে ৩১ নম্বর সাক্ষী আব্দুর রহমানসহ দুজন সাক্ষী উপস্থিত হন। অন্য দুজন হলেন চার্জশিটের ৩৩ নম্বর সাক্ষী সাংবাদিক এনামুল হক বিদ্যূৎ ও ৩৪ নম্বর সাক্ষী সাংবাদিক নুরনবী। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পরে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামুনুল হককে কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় অবস্থান করে আসছিলেন। এসময় পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রাখে। এরপর ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামুনুলকে। পরে এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পিপিএম-সেবা পদক পাচ্ছেন নারায়ণগঞ্জের এসপি হাবিবুর রহমান

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যদিলেন ঝর্ণার ছেলেসহ ২জন

আপডেট সময় : ০৬:৫৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩

আদালতপাড়া প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হককে সোনারগাঁ থানায় ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়েছে । মঙ্গলবার (৬ জুন) সকাল ১০ টার সময় কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে কাশিমপুর কারাগার থেকে তাকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয়। দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে সাক্ষ্যগ্রণ হয়।
মামুনুল হককে বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মামলার বাদী জান্নাত আরা ঝর্ণার ছেলে চার্জশিটে ৩১ নম্বর সাক্ষী আব্দুর রহমানসহ দুজন সাক্ষী উপস্থিত হন। অন্য দুজন হলেন চার্জশিটের ৩৩ নম্বর সাক্ষী সাংবাদিক এনামুল হক বিদ্যূৎ ও ৩৪ নম্বর সাক্ষী সাংবাদিক নুরনবী। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পরে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামুনুল হককে কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় অবস্থান করে আসছিলেন। এসময় পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রাখে। এরপর ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামুনুলকে। পরে এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী।