নারায়ণগঞ্জ ০৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সোনারগাঁয়ের আনন্দ বাজারে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও র‍্যালি শীতলক্ষা নদীতে বোর্ড থেকে পড়ে নিখোঁজ ফায়ার সার্ভিসের সদস্য জুলাই শহিদ দিবসে শহিদদের স্মরণে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ নারায়ণগঞ্জে নানা আয়োজনে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো ১৬ জুলাই শহীদ দিবস সৌদিতে ছিনতাই-প্রতারণা রোধ ও প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় এক টেবিলে রাষ্ট্রদূত ও সাংবাদিকরা হাজীগঞ্জ ফেরিঘাটে র্যাবের অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগজিনসহ যুবক গ্রেপ্তার ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার কল্যাণ তহবিলের চেক বিতরণে -রাষ্ট্র ও প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে : ডিসি রায়হান, কবির নারায়ণগঞ্জে রেল সেতুর পিলারের নিচের মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নারায়ণগঞ্জে এইচএসি কেন্দ্র পরিদর্শন: ‘সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্নের প্রত্যাশা’ ডিসির

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ৩৬৮ বার পড়া হয়েছে

আদালত প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জে সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অষ্টম দফায় পুলিশের আরও তিন কর্মকর্তা আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

সাক্ষ্যদাতারা হলেন, চার্জশিটের ২৩ নম্বর সাক্ষী এ এস আই আনিসুর রহমান, ২৪ নম্বর সাক্ষী এ এস আই কর্ণকুমার হালদার ও ২৫ নম্বর সাক্ষী এ এস আই শেখ ফরিদ। এ পর্যন্ত এ মামলায় ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আগামী ২৫ এপ্রিল পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন জানান, আদালতে তিন পুলিশ কর্মকর্তা সাক্ষী দিয়েছেন। এর আগে মামলার বাদী, পুলিশ কর্মকর্তা, র‌য়েল রির্সোটের কর্মকর্তা-কর্মচারী, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতা ও স্থানীয় বাসিন্দাসহ ১৮ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীরা আদালতকে জানান, মামলার বাদী জান্নাত আরা ঝর্না তাদের বলেছেন মামুনুল হক ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে।

আসামি পক্ষের আইনজীবী এ কে এম ওমর ফারুক নয়ন বলেন, সাক্ষী ও এএসআই শেখ ফরিদ আদালতে দাঁড়িয়ে যে সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে তিনি যে জবানবন্দি দিয়েছেন তার সঙ্গে কোনো মিল নেই ।

২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করা অবস্থায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মামুনুল হককে ঘেরাও করেন। পরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ভাঙচুর চালিয়ে তাকে নিয়ে যান। ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন তার সঙ্গে থাকা ওই নারী। কিন্তু মামুনুল হকের দাবি, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ের আনন্দ বাজারে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও র‍্যালি

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ১০:৪০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

আদালত প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জে সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অষ্টম দফায় পুলিশের আরও তিন কর্মকর্তা আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

সাক্ষ্যদাতারা হলেন, চার্জশিটের ২৩ নম্বর সাক্ষী এ এস আই আনিসুর রহমান, ২৪ নম্বর সাক্ষী এ এস আই কর্ণকুমার হালদার ও ২৫ নম্বর সাক্ষী এ এস আই শেখ ফরিদ। এ পর্যন্ত এ মামলায় ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আগামী ২৫ এপ্রিল পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন জানান, আদালতে তিন পুলিশ কর্মকর্তা সাক্ষী দিয়েছেন। এর আগে মামলার বাদী, পুলিশ কর্মকর্তা, র‌য়েল রির্সোটের কর্মকর্তা-কর্মচারী, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতা ও স্থানীয় বাসিন্দাসহ ১৮ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীরা আদালতকে জানান, মামলার বাদী জান্নাত আরা ঝর্না তাদের বলেছেন মামুনুল হক ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে।

আসামি পক্ষের আইনজীবী এ কে এম ওমর ফারুক নয়ন বলেন, সাক্ষী ও এএসআই শেখ ফরিদ আদালতে দাঁড়িয়ে যে সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে তিনি যে জবানবন্দি দিয়েছেন তার সঙ্গে কোনো মিল নেই ।

২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করা অবস্থায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মামুনুল হককে ঘেরাও করেন। পরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ভাঙচুর চালিয়ে তাকে নিয়ে যান। ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন তার সঙ্গে থাকা ওই নারী। কিন্তু মামুনুল হকের দাবি, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী।