নারায়ণগঞ্জ ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ডিসির মাধ্যমে আবেদন নারায়ণগঞ্জে বিডিএস অবহিতকরণ সভায় ড্রোনের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে হবে জমি জরিপ:ডিসি রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করেন ডিসি রায়হান কবির কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ ফতুল্লায় দূষণের দায়ে আকবর ডাইংকে জরিমান নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দিলেন ডিসি রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে নাসিকের ওয়ার্ড সচিবের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বিভাগীয় কমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা সিদ্ধিরগঞ্জে গোসলে নেমে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু সোনারগাঁয়ের পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ শুভ উদ্বোধনে শিক্ষা মন্ত্রী

পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ডিসির মাধ্যমে আবেদন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

নারায়ণগঞ্জের পানগাঁও থেকে জালকুড়ি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রস্তাবিত নতুন সড়ক নির্মাণের জন্য চলমান ভূমি সার্ভে ও অধিগ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত করে বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

এ দাবিতে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন। আবেদনপত্রটি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ০৮/০৩/২০২৬ তারিখের একটি স্মারকের মাধ্যমে পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণের উদ্যোগের কথা তারা জানতে পেরেছেন। প্রস্তাবিত অধিগ্রহণের আওতায় অসংখ্য বসতবাড়ি, মিল-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, কবরস্থান, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, এখানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বসবাস করছে। অধিগ্রহণ বাস্তবায়িত হলে হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে, শত শত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে এবং হাজারো মানুষ কর্মসংস্থান হারাবেন।

আবেদনে এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, আমরা উন্নয়নের বিরোধী নই। কিন্তু এমন কোনো উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যার জন্য হাজার হাজার মানুষ তাদের শতবর্ষের আবাসস্থল ও জীবিকার উৎস হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।

তারা জানান, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিলেও বহু বছরের গড়ে ওঠা সামাজিক বন্ধন, ব্যবসায়িক অবকাঠামো ও ধর্মীয় অনুভূতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

এলাকাবাসীর ৪ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: (১) প্রস্তাবিত সড়কের জন্য চলমান সব ভূমি সার্ভে ও অধিগ্রহণ কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত করা।
(2) স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও অংশীজনদের নিয়ে উন্মুক্ত গণশুনানির আয়োজন।
(৩) জনবসতি ও স্থাপনা রক্ষায় বিকল্প রুট নির্বাচন বা বিদ্যমান সড়ক উন্নয়নের সম্ভাব্যতা যাচাই।
(৪)জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো ভূমি অধিগ্রহণ না করার নির্দেশনা।

আবেদনকারীরা বিশ্বাস করেন, প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্বে তাদের এই ন্যায্য দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ডিসির মাধ্যমে আবেদন

পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ডিসির মাধ্যমে আবেদন

আপডেট সময় : ১২:৪৮:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

নারায়ণগঞ্জের পানগাঁও থেকে জালকুড়ি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রস্তাবিত নতুন সড়ক নির্মাণের জন্য চলমান ভূমি সার্ভে ও অধিগ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত করে বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

এ দাবিতে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন। আবেদনপত্রটি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ০৮/০৩/২০২৬ তারিখের একটি স্মারকের মাধ্যমে পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণের উদ্যোগের কথা তারা জানতে পেরেছেন। প্রস্তাবিত অধিগ্রহণের আওতায় অসংখ্য বসতবাড়ি, মিল-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, কবরস্থান, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, এখানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বসবাস করছে। অধিগ্রহণ বাস্তবায়িত হলে হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে, শত শত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে এবং হাজারো মানুষ কর্মসংস্থান হারাবেন।

আবেদনে এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, আমরা উন্নয়নের বিরোধী নই। কিন্তু এমন কোনো উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যার জন্য হাজার হাজার মানুষ তাদের শতবর্ষের আবাসস্থল ও জীবিকার উৎস হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।

তারা জানান, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিলেও বহু বছরের গড়ে ওঠা সামাজিক বন্ধন, ব্যবসায়িক অবকাঠামো ও ধর্মীয় অনুভূতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

এলাকাবাসীর ৪ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: (১) প্রস্তাবিত সড়কের জন্য চলমান সব ভূমি সার্ভে ও অধিগ্রহণ কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত করা।
(2) স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও অংশীজনদের নিয়ে উন্মুক্ত গণশুনানির আয়োজন।
(৩) জনবসতি ও স্থাপনা রক্ষায় বিকল্প রুট নির্বাচন বা বিদ্যমান সড়ক উন্নয়নের সম্ভাব্যতা যাচাই।
(৪)জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো ভূমি অধিগ্রহণ না করার নির্দেশনা।

আবেদনকারীরা বিশ্বাস করেন, প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্বে তাদের এই ন্যায্য দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে।