নারায়ণগঞ্জ ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ১৮ বছর পর সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে পৃথক অভিযানে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পার্থের নতুন দায়িত্বে প্রবাসীদের আশা পূরণের প্রত্যাশা মালয়েশিয়া বিজেপির রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ ডিসির সোনারগাঁওয়ে পানাম গাবতলী সংযোগ সড়কের সিসি ও আরসিসি ঢালাই কাজের উদ্বোধন সৌদিতে প্রবাসীদের সেবায় আরও একধাপ এগিয়ে বিন মিশাল ট্রাভেলস, সুবেকায় ১৯তম শাখার উদ্বোধন প্রবাসীদের পাশে থাকার অঙ্গীকারে বিন মিশাল গ্লোবালের ৪র্থ বর্ষপূর্তি বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে দক্ষতা বাড়াতে মালয়েশিয়ায় কোয়েল আক্তার বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে যুবককে কুপিয়ে জখম ও বাড়ি-ঘরে হামলা পারিবারিক বিরোধ মীমাংসায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, হয়রানির শিকার সৌদি প্রবাসীর পরিবার

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় সেবা গ্রহীতাদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন

 

স্টাফ রিপোর্টার :

নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ নামে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ও অপেক্ষাগার চালু করেছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের প্রতিটি দপ্তরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকম সেবা গ্রহণের জন্য পুরুষের পাশাপাশি নারী সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক আগমন ঘটে থাকে। অনেক সময় তারা সাথে করে সন্তানদের নিয়ে আসেন। মানসম্মত কোনো অপেক্ষাগার বা নিজের দুগ্ধজাত শিশুর জন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ চালু করেছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পরিকল্পনায় নারী ও শিশুদের উপজেলায় অবস্থানকালীন সময়কে স্বস্তিকর ও আনন্দদায়ক করতে এই কর্নারটি চালু করা হয়েছে।

সোমবার, ১১ মে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটির শুভ উদ্বোধন করেন এবং একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য উপজেলায় নারী ও শিশুদের জন্য এরকম অপেক্ষাগার চালু রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।

স্নেহকুঞ্জ উদ্বোধনের পর বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির বলেন, “সরকারি সেবা গ্রহণ করতে এসে কোনো মা যেন বিব্রত না হন, কোনো শিশু যেন কষ্ট না পায় সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। ‘স্নেহকুঞ্জ’ একটি মানবিক উদ্যোগ। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে সব দপ্তরকে সেবামুখী ও নারীবান্ধব করতে হবে। জেলার সব উপজেলায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে হলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগই বড় পরিবর্তন আনে।”

এ সময় উপ-পরিচালক (উপ-সচিব), স্থানীয় সরকার নিলুফা ইয়াসমিনসহ সদর উপজেলার সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ১৮ বছর পর সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় সেবা গ্রহীতাদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার :

নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ নামে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ও অপেক্ষাগার চালু করেছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের প্রতিটি দপ্তরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকম সেবা গ্রহণের জন্য পুরুষের পাশাপাশি নারী সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক আগমন ঘটে থাকে। অনেক সময় তারা সাথে করে সন্তানদের নিয়ে আসেন। মানসম্মত কোনো অপেক্ষাগার বা নিজের দুগ্ধজাত শিশুর জন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন নারী সেবা গ্রহীতা ও তাদের সন্তানদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ চালু করেছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পরিকল্পনায় নারী ও শিশুদের উপজেলায় অবস্থানকালীন সময়কে স্বস্তিকর ও আনন্দদায়ক করতে এই কর্নারটি চালু করা হয়েছে।

সোমবার, ১১ মে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটির শুভ উদ্বোধন করেন এবং একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য উপজেলায় নারী ও শিশুদের জন্য এরকম অপেক্ষাগার চালু রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।

স্নেহকুঞ্জ উদ্বোধনের পর বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির বলেন, “সরকারি সেবা গ্রহণ করতে এসে কোনো মা যেন বিব্রত না হন, কোনো শিশু যেন কষ্ট না পায় সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। ‘স্নেহকুঞ্জ’ একটি মানবিক উদ্যোগ। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে সব দপ্তরকে সেবামুখী ও নারীবান্ধব করতে হবে। জেলার সব উপজেলায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে হলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগই বড় পরিবর্তন আনে।”

এ সময় উপ-পরিচালক (উপ-সচিব), স্থানীয় সরকার নিলুফা ইয়াসমিনসহ সদর উপজেলার সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।