নারায়ণগঞ্জ ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গণ-অভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া ১টি শটগান ও ৩টি কার্তুজসহ যুবক গ্রেপ্তার ফতুল্লায় গ্যাসের চুলার লিকেজ থেকেই আগুনের বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৫জন দগ্ধ। বরফকল মাঠে গরুর হাট না বসাতে জেলা প্রশাসকের কাছে শাপলা ক্রীড়া সংসদের স্মারকলিপি সোনারগাঁয়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি সানোয়ার গ্রেপ্তার বন্দরে এআই প্রযুক্তিতে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে প্রতারণা, প্রতারকচক্রকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি ভুক্তভোেগীর বন্দরে দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সভা ও দোয়া: পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যের ডাক হানি ট্র্যাপ চক্রের ৬ সদস্য আটক সিদ্ধিরগঞ্জে চাঁদার দাবিতে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা মারধর লুটপাট বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ১৪ টি মামলার আসামি ‘ক্যাডার সোহেল’ গ্রেফতার ফতুল্লায় ইয়াবা,হেরোইনও গাজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যদিলেন ঝর্ণার ছেলেসহ ২জন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩
  • ৪৭৩ বার পড়া হয়েছে

আদালতপাড়া প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হককে সোনারগাঁ থানায় ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়েছে । মঙ্গলবার (৬ জুন) সকাল ১০ টার সময় কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে কাশিমপুর কারাগার থেকে তাকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয়। দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে সাক্ষ্যগ্রণ হয়।
মামুনুল হককে বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মামলার বাদী জান্নাত আরা ঝর্ণার ছেলে চার্জশিটে ৩১ নম্বর সাক্ষী আব্দুর রহমানসহ দুজন সাক্ষী উপস্থিত হন। অন্য দুজন হলেন চার্জশিটের ৩৩ নম্বর সাক্ষী সাংবাদিক এনামুল হক বিদ্যূৎ ও ৩৪ নম্বর সাক্ষী সাংবাদিক নুরনবী। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পরে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামুনুল হককে কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় অবস্থান করে আসছিলেন। এসময় পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রাখে। এরপর ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামুনুলকে। পরে এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণ-অভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া ১টি শটগান ও ৩টি কার্তুজসহ যুবক গ্রেপ্তার

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যদিলেন ঝর্ণার ছেলেসহ ২জন

আপডেট সময় : ০৬:৫৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩

আদালতপাড়া প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হককে সোনারগাঁ থানায় ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়েছে । মঙ্গলবার (৬ জুন) সকাল ১০ টার সময় কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে কাশিমপুর কারাগার থেকে তাকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয়। দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে সাক্ষ্যগ্রণ হয়।
মামুনুল হককে বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মামলার বাদী জান্নাত আরা ঝর্ণার ছেলে চার্জশিটে ৩১ নম্বর সাক্ষী আব্দুর রহমানসহ দুজন সাক্ষী উপস্থিত হন। অন্য দুজন হলেন চার্জশিটের ৩৩ নম্বর সাক্ষী সাংবাদিক এনামুল হক বিদ্যূৎ ও ৩৪ নম্বর সাক্ষী সাংবাদিক নুরনবী। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পরে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামুনুল হককে কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় অবস্থান করে আসছিলেন। এসময় পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রাখে। এরপর ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামুনুলকে। পরে এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী।