নারায়ণগঞ্জ ০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সোনারগাঁওয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান নারায়ণগঞ্জে কনস্টেবল পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের প্রতি জেলা প্রশাসক রায়হান কবির এর শুভেচ্ছা ফতুল্লায় ৩ হাজর২শ পিস ইয়াবা উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে সালু হাজী রোডে জামে মসজিদের নির্মাণ কাজের উদ্ভোধন সিদ্ধিরগঞ্জে দারুস সালেহ জামে মসজিদের পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে পাঁচটি বড় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সর্বমহলে প্রশংসিত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাসের নাটকীয় অভিযান হাজীগঞ্জ আইটি স্কুল হইতে খানপুর হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন

সরকার উৎখাত করা এতই সোজা, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২২
  • ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: ১৯৭১ সালে আইয়ুব খানকে উৎখাত, ইয়াহিয়া খানকে যুদ্ধে পরাজিত করা- সবগুলোর পেছনেই আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রয়েছে। অথচ ক্ষমতাসীন দলটিকে আন্দোলন করে উৎখাত করে ফেলতে চায় বিএনপি-বিষয়টি এতই সোজা কিনা এমন প্রশ্ন রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় আন্দোলন করে সরকারকে উৎখাত করা সোজা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজয় আমরা এনেছি, এই বিজয়ের পতাকা সমুন্নত করেই চলতে হবে। আবার যেন ঐ খুনি, যুদ্ধাপরাধী, যাদের আমরা বিচার করেছি, তারা ক্ষমতায় এসে এই দেশকে ধ্বংস করতে না পারে। সে দিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে ও লক্ষ্য রাখতে হবে।’ ‘ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস। বিএনপি বিজয়ের অনুষ্ঠান করবে। অথচ তারা এলো আন্দোলন করে সরকার উৎখাত করবে। এতই সোজা! (এটা) আওয়ামী লীগ পারে। ’

দেশটাকে অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ পঙ্গু করার এবং মুক্তিযদ্ধের চেতনাকে বিপথে ঠেলে দেয়ার ষড়যন্ত্রই এদেশে ’৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকারের এসেছে কিন্তু সেই ক্ষমতায় আসাটা অত্যন্ত দুরুহ ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরই জনগণ উপলদ্ধি করতে পেরেছে যে সরকার আসলে জনগণের সেবক এবং একটা সরকার ইচ্ছা করলেই যে জনগণের উন্নয়ন করতে পারে আওয়ামী লীগ সেটা প্রমাণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের শক্তিই সবথেকে বড় শক্তি আর একটা বিশ্বাস আর উপরে রাব্বুল আলামিনতো আছেনই কাজেই সেই মানুষের শক্তি নিয়েই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। আর ’৯৬ থেকে ২০০১ এদেশের মানুষের জন্য স্বর্ণযুগ ছিল। তারপর আবার একটা চক্রান্ত হলো (২০০১ সালের নির্বাচনে) আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি ফলে বাংলাদেশের মানুষ পেয়েছে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা, লুটপাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্ত্রের ঝনঝনানি, মানুষের জীবনের কোন নিরাপত্তা ছিল না। অগ্নিসন্ত্রাস, নির্যাতন কি না হয়েছে এদেশে। কিন্তু প্রতিটি সময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মানুষের পাশে থেকেছে। আর আমরা সরকারে যখন থেকেছি এই প্রত্যেকটা জিনিষ আমরা মোকাবিলা করেছি।

দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রারম্ভিক বক্তৃতা করেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদও বক্তৃতা করেন।

আরো বক্তৃতা করেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য প্রবীন জননেতা আমির হোসেন আমু, দলের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাজাহান খান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম ও সিমিন হোসেন রীমি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁওয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান

সরকার উৎখাত করা এতই সোজা, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১১:০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২২

অনলাইন ডেস্ক: ১৯৭১ সালে আইয়ুব খানকে উৎখাত, ইয়াহিয়া খানকে যুদ্ধে পরাজিত করা- সবগুলোর পেছনেই আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রয়েছে। অথচ ক্ষমতাসীন দলটিকে আন্দোলন করে উৎখাত করে ফেলতে চায় বিএনপি-বিষয়টি এতই সোজা কিনা এমন প্রশ্ন রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় আন্দোলন করে সরকারকে উৎখাত করা সোজা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজয় আমরা এনেছি, এই বিজয়ের পতাকা সমুন্নত করেই চলতে হবে। আবার যেন ঐ খুনি, যুদ্ধাপরাধী, যাদের আমরা বিচার করেছি, তারা ক্ষমতায় এসে এই দেশকে ধ্বংস করতে না পারে। সে দিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে ও লক্ষ্য রাখতে হবে।’ ‘ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস। বিএনপি বিজয়ের অনুষ্ঠান করবে। অথচ তারা এলো আন্দোলন করে সরকার উৎখাত করবে। এতই সোজা! (এটা) আওয়ামী লীগ পারে। ’

দেশটাকে অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ পঙ্গু করার এবং মুক্তিযদ্ধের চেতনাকে বিপথে ঠেলে দেয়ার ষড়যন্ত্রই এদেশে ’৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকারের এসেছে কিন্তু সেই ক্ষমতায় আসাটা অত্যন্ত দুরুহ ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরই জনগণ উপলদ্ধি করতে পেরেছে যে সরকার আসলে জনগণের সেবক এবং একটা সরকার ইচ্ছা করলেই যে জনগণের উন্নয়ন করতে পারে আওয়ামী লীগ সেটা প্রমাণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের শক্তিই সবথেকে বড় শক্তি আর একটা বিশ্বাস আর উপরে রাব্বুল আলামিনতো আছেনই কাজেই সেই মানুষের শক্তি নিয়েই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। আর ’৯৬ থেকে ২০০১ এদেশের মানুষের জন্য স্বর্ণযুগ ছিল। তারপর আবার একটা চক্রান্ত হলো (২০০১ সালের নির্বাচনে) আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি ফলে বাংলাদেশের মানুষ পেয়েছে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা, লুটপাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্ত্রের ঝনঝনানি, মানুষের জীবনের কোন নিরাপত্তা ছিল না। অগ্নিসন্ত্রাস, নির্যাতন কি না হয়েছে এদেশে। কিন্তু প্রতিটি সময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মানুষের পাশে থেকেছে। আর আমরা সরকারে যখন থেকেছি এই প্রত্যেকটা জিনিষ আমরা মোকাবিলা করেছি।

দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রারম্ভিক বক্তৃতা করেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদও বক্তৃতা করেন।

আরো বক্তৃতা করেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য প্রবীন জননেতা আমির হোসেন আমু, দলের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাজাহান খান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম ও সিমিন হোসেন রীমি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির।