নারায়ণগঞ্জ ০১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ছেলে ধরা গুজবে কান দেয়া যাবে না : এসপি হারুন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বলেছেন,সিদ্ধিরগঞ্জে ৩০ বছরের যে যুবককে গণপিটুনিতে মারা হয়েছে সে বাক প্রতিবন্ধী ছিল। ছেলে ধরা বিষয়টি গুজব ছিল। আর এই গুজবে এলাকাবাসী জড়িত। আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছি। একটি মহিলাকে মারপিঠ করেছে এবং আজকেও ফতুল্লায় একজনকে মারধর করা হয়েছে। আমরা সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লার ঘটনায় মামলা দায়ের করেছি এবং এসকল ঘটনায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বর্তমান ছেলে ধরা গুজব ছড়ানোকে কেন্দ্র করে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এসপি বলেন,আমরা মনে করি, একটি গোষ্ঠী এই ছেলে ধরাকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছে। ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। এই কারণেই আমরা নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় মাইকিং করেছি। এই গুজবে কান দেয়া যাবে না। আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। আপনারা যদি কাউকে সন্দেহ করে থাকেন তাহলে পুলিশকে জানাবেন।
তিনি আরও বলেন, যারা এই গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। এলাকার কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য এই গুজব ছড়াচ্ছেন। আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। সেই তদন্ত অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা এই গুজবে জড়িত তাদের প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনা হবে। কিছু কিছু জনপ্রতিনিধিও এই গুজবে জড়িয়ে যাচ্ছেন। আমরা তাদেরকে বিনীতভাবে অনুরোধ করবো তারা যেন এসব গুজবে না গিয়ে এলাকার প্রত্যেক মানুষকে বুঝানোর চেষ্টা করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা ওসি কামরুল ইসলাম ও ফতুল্লা থানা ওসি আসলাম হোসেন সহ প্রমুখ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ছেলে ধরা গুজবে কান দেয়া যাবে না : এসপি হারুন

আপডেট সময় : ১১:২৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বলেছেন,সিদ্ধিরগঞ্জে ৩০ বছরের যে যুবককে গণপিটুনিতে মারা হয়েছে সে বাক প্রতিবন্ধী ছিল। ছেলে ধরা বিষয়টি গুজব ছিল। আর এই গুজবে এলাকাবাসী জড়িত। আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছি। একটি মহিলাকে মারপিঠ করেছে এবং আজকেও ফতুল্লায় একজনকে মারধর করা হয়েছে। আমরা সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লার ঘটনায় মামলা দায়ের করেছি এবং এসকল ঘটনায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বর্তমান ছেলে ধরা গুজব ছড়ানোকে কেন্দ্র করে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এসপি বলেন,আমরা মনে করি, একটি গোষ্ঠী এই ছেলে ধরাকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছে। ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। এই কারণেই আমরা নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় মাইকিং করেছি। এই গুজবে কান দেয়া যাবে না। আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। আপনারা যদি কাউকে সন্দেহ করে থাকেন তাহলে পুলিশকে জানাবেন।
তিনি আরও বলেন, যারা এই গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। এলাকার কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য এই গুজব ছড়াচ্ছেন। আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। সেই তদন্ত অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা এই গুজবে জড়িত তাদের প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনা হবে। কিছু কিছু জনপ্রতিনিধিও এই গুজবে জড়িয়ে যাচ্ছেন। আমরা তাদেরকে বিনীতভাবে অনুরোধ করবো তারা যেন এসব গুজবে না গিয়ে এলাকার প্রত্যেক মানুষকে বুঝানোর চেষ্টা করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা ওসি কামরুল ইসলাম ও ফতুল্লা থানা ওসি আসলাম হোসেন সহ প্রমুখ।