নারায়ণগঞ্জ ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক শ্যামলের বাসায় মবের মাধ্যমে হামলা ও হত্যার অপচেষ্টা নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডে গরুর হাট নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কা হীরাঝিল বহুতল ভবনে জ্বলছে অবৈধ চুলা, সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় সেবা গ্রহীতাদের জন্য ‘স্নেহকুঞ্জ’ শুভ উদ্বোধন নিজেদের দক্ষতা ও সেবার মাধ্যমেই জনআস্থা অর্জন করতে হবে : ডিসি রায়হান কবির বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে রিয়াদে বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের মতবিনিময় সভা মতবিনিময় সভায় মালিক ও শ্রমিক নিয়ে শ্রমবান্ধব দেশ গড়তে হবে:উপদেষ্টা মাহদী আমিন গণ-অভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া ১টি শটগান ও ৩টি কার্তুজসহ যুবক গ্রেপ্তার ফতুল্লায় গ্যাসের চুলার লিকেজ থেকেই আগুনের বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৫জন দগ্ধ। বরফকল মাঠে গরুর হাট না বসাতে জেলা প্রশাসকের কাছে শাপলা ক্রীড়া সংসদের স্মারকলিপি

বড়ভাইকে স্মরণ করতে গিয়ে কাঁদলেন সাজনু

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৩১৭ বার পড়া হয়েছে

বড়ভাই গোলাম সারোয়ার’র কথা সর্ম্পকে বক্তব্যে রাখতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে গেলেন শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু। এসময় তাঁর চোখে কয়েক ফোঁটা জলও গড়িয়ে পড়ে। নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামীলীগের প্রয়াত সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন গোলাম সারোয়ার ব্যক্তিজীবনে রাজনীতির পাশাপাশি মানুষের কল্যানে কাজ করেছেন যার কারনেই মানুষের অন্তুরে স্থান পান এই বর্ষিয়ান নেতা। বেশকিছুদিন যাবত নগরীর বিভিন্ন স্থানে সেই বর্ষিয়ান নেতার স্মরনে অরাজনৈকিক সংগঠন ‘ক্যান্টিন’ এর উদ্যোগে শীর্তাত্যদের কম্বল বিতরণ করা হয়।

তারাই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকালে নগরীর খানপুর এলাকায় পোলষ্টার ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় শীতবস্ত্র বিতরণ কালে বক্তব্যে রাখতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হোন সাজনু। এ সময়ে এক হৃদয় বিদারক ঘটনার সৃষ্টি হয়।

শাহাদাৎ হোসেন সাজনু তার বক্তব্যে বলেন, রাজনীতিটা মানুষের জন্য। মানুষের পাশে না দাড়াতে পারলে রাজনীতি করার কোন মূল্য নেই। চেষ্টা করি মানুষের পাশে থেকে মানুষের সেবা করতে।

তিনি তার বড়ভাই প্রয়াত গোলাম সারোয়ারের কথা স্মরণ করে বলেন, আমি কবরস্থানে যাই না তার কারন আমি যখন কবরস্থানে গিয়ে ফিরে আসতে যাই আমার মনে হয় আমার ভাই আমাকে পিছন থেকে ডাকে। কোন পোষ্টার দেখলে মুখ গুড়িয়ে নেই, কারন পোষ্টার দেখলে আর ঠিক থাকতে পারি না।

খানপুর ব্যাংককলনী এলাকা এবং পোলস্টার ক্লাবে প্রায় ৫শতাধীক কম্বল বিতরণ করা হয়।

পোলষ্টার ক্লাবের সভাপতি লোকমান আহম্মেদের সভাপতিত্বে এ সময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সামসুজ্জামান ভাষানী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন। সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন রিয়েল, রোমান, স্বপন, মনির হোসেন, দ্বীপ, বাবু, দূর্জয়, পরশ, নির্জন প্রমুখ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক শ্যামলের বাসায় মবের মাধ্যমে হামলা ও হত্যার অপচেষ্টা

বড়ভাইকে স্মরণ করতে গিয়ে কাঁদলেন সাজনু

আপডেট সময় : ০৫:২৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭

বড়ভাই গোলাম সারোয়ার’র কথা সর্ম্পকে বক্তব্যে রাখতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে গেলেন শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু। এসময় তাঁর চোখে কয়েক ফোঁটা জলও গড়িয়ে পড়ে। নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামীলীগের প্রয়াত সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন গোলাম সারোয়ার ব্যক্তিজীবনে রাজনীতির পাশাপাশি মানুষের কল্যানে কাজ করেছেন যার কারনেই মানুষের অন্তুরে স্থান পান এই বর্ষিয়ান নেতা। বেশকিছুদিন যাবত নগরীর বিভিন্ন স্থানে সেই বর্ষিয়ান নেতার স্মরনে অরাজনৈকিক সংগঠন ‘ক্যান্টিন’ এর উদ্যোগে শীর্তাত্যদের কম্বল বিতরণ করা হয়।

তারাই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকালে নগরীর খানপুর এলাকায় পোলষ্টার ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় শীতবস্ত্র বিতরণ কালে বক্তব্যে রাখতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হোন সাজনু। এ সময়ে এক হৃদয় বিদারক ঘটনার সৃষ্টি হয়।

শাহাদাৎ হোসেন সাজনু তার বক্তব্যে বলেন, রাজনীতিটা মানুষের জন্য। মানুষের পাশে না দাড়াতে পারলে রাজনীতি করার কোন মূল্য নেই। চেষ্টা করি মানুষের পাশে থেকে মানুষের সেবা করতে।

তিনি তার বড়ভাই প্রয়াত গোলাম সারোয়ারের কথা স্মরণ করে বলেন, আমি কবরস্থানে যাই না তার কারন আমি যখন কবরস্থানে গিয়ে ফিরে আসতে যাই আমার মনে হয় আমার ভাই আমাকে পিছন থেকে ডাকে। কোন পোষ্টার দেখলে মুখ গুড়িয়ে নেই, কারন পোষ্টার দেখলে আর ঠিক থাকতে পারি না।

খানপুর ব্যাংককলনী এলাকা এবং পোলস্টার ক্লাবে প্রায় ৫শতাধীক কম্বল বিতরণ করা হয়।

পোলষ্টার ক্লাবের সভাপতি লোকমান আহম্মেদের সভাপতিত্বে এ সময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সামসুজ্জামান ভাষানী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন। সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন রিয়েল, রোমান, স্বপন, মনির হোসেন, দ্বীপ, বাবু, দূর্জয়, পরশ, নির্জন প্রমুখ।