নারায়ণগঞ্জ ১১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সোনারগাঁয়ে টেক্সটাইল মিলে ও মিষ্টি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ফতুল্লায় অপহরনকারী চক্রের নারী সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৫, অপহৃত উদ্ধার ১৩৯ জন শহীদদের স্মরণে বক্তাবলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের শ্রদ্ধাঞ্জলি আড়াইহাজারে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি বিক্রি, নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ আড়াইহাজারে পরীক্ষার হল থেকে ছাত্রীকে নিয়ে উধাও ছাত্রলীগ নেতা দুই মাসের মধ্যে হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধের সিদ্ধান্ত জাপান, সৌদি আরবের পর এবার গ্যালারি পরিষ্কার করল মরক্কোর দর্শকরা শিমু হত্যায় স্বামীসহ দুই জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৬ শর্তে বিএনপিকে ঢাকায় সমাবেশের অনুমতি সোনারগাঁয়ে মহাসড়ক বর্ধিতকরণকাজে জনদুর্ভোগ চরমে

হাসপাতাল ছেড়েছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

এক মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বাড়ি ফিরেছেন ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ অমর গানের রচয়িতা এবং সাংবাদিক-কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী। তিনি ডায়াবেটিস ও শ্বাসযন্ত্রের জটিলতায় ভুগছিলেন।

লন্ডন থেকে মেয়ে বিনিতা চৌধুরী গণ মাধ্যমকে জানান, গাফফার চৌধুরীকে লন্ডনের মিডলসেক্সের নর্থউইক পার্ক হাসপাতাল থেকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে তিনি এখনও পরিপূর্ণ সুস্থ নন। বাড়িতেও তার চিকিৎসা চলবে।

উল্লেখ্য, আবদুল গাফ্ফার চৌধুুরী ৪৪ দিন আগে লন্ডনে মিডলসেক্সের মেথুয়েন রোডে নিজ বাড়িতে বাথরুমে পড়ে কোমরে ব্যথা পান। এ ব্যথাসহ নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে তিনি ৩১ দিন আগে লন্ডনের মিডলসেক্সের নর্থউইক পার্ক হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার শরীরের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, আবদুল গাফফার চৌধুরী নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে তিনি ৩১ দিন আগে লন্ডনের মিডলসেক্সের নর্থউইক পার্ক হাসপাতালে ভর্তি হন। দীর্ঘদিন ধরেই পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পর তার লেখা ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি তাকে খ্যাতি এনে দেয়। প্রথমে তিনি নিজেই গানটিতে সুর করেছিলেন। পরে শহীদ আলতাফ মাহমুদ এ গানে সুরারোপ করেন এবং এ সুরেই এখন গানটি গাওয়া হয়।

বিবিসি বাংলা বিভাগের দর্শকদের জরিপে এই গান বাংলা গানের ইতিহাসে তৃতীয় সেরার মর্যাদা পেয়েছে।

তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৭), একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সোনারগাঁয়ে টেক্সটাইল মিলে ও মিষ্টি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

হাসপাতাল ছেড়েছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী

আপডেট সময় : ০৮:৪০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৭

এক মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বাড়ি ফিরেছেন ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ অমর গানের রচয়িতা এবং সাংবাদিক-কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী। তিনি ডায়াবেটিস ও শ্বাসযন্ত্রের জটিলতায় ভুগছিলেন।

লন্ডন থেকে মেয়ে বিনিতা চৌধুরী গণ মাধ্যমকে জানান, গাফফার চৌধুরীকে লন্ডনের মিডলসেক্সের নর্থউইক পার্ক হাসপাতাল থেকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে তিনি এখনও পরিপূর্ণ সুস্থ নন। বাড়িতেও তার চিকিৎসা চলবে।

উল্লেখ্য, আবদুল গাফ্ফার চৌধুুরী ৪৪ দিন আগে লন্ডনে মিডলসেক্সের মেথুয়েন রোডে নিজ বাড়িতে বাথরুমে পড়ে কোমরে ব্যথা পান। এ ব্যথাসহ নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে তিনি ৩১ দিন আগে লন্ডনের মিডলসেক্সের নর্থউইক পার্ক হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার শরীরের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, আবদুল গাফফার চৌধুরী নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে তিনি ৩১ দিন আগে লন্ডনের মিডলসেক্সের নর্থউইক পার্ক হাসপাতালে ভর্তি হন। দীর্ঘদিন ধরেই পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পর তার লেখা ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি তাকে খ্যাতি এনে দেয়। প্রথমে তিনি নিজেই গানটিতে সুর করেছিলেন। পরে শহীদ আলতাফ মাহমুদ এ গানে সুরারোপ করেন এবং এ সুরেই এখন গানটি গাওয়া হয়।

বিবিসি বাংলা বিভাগের দর্শকদের জরিপে এই গান বাংলা গানের ইতিহাসে তৃতীয় সেরার মর্যাদা পেয়েছে।

তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৭), একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন।