নারায়ণগঞ্জ ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার কল্যাণ তহবিলের চেক বিতরণে -রাষ্ট্র ও প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে : ডিসি রায়হান, কবির নারায়ণগঞ্জে রেল সেতুর পিলারের নিচের মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নারায়ণগঞ্জে এইচএসি কেন্দ্র পরিদর্শন: ‘সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্নের প্রত্যাশা’ ডিসির ফতুল্লায় ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, দুই ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জে গণশুনানিতে সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তির উদ্যোগ ডিসির সিদ্ধিরগঞ্জে এক ব্যক্তিকে পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ গ্রেপ্তার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে শিক্ষা-থেরাপি সামগ্রী বিতরণ করেন ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন দক্ষতাই স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার’: ডিসি রায়হান কবির ফতুল্লায় ঘুমন্ত স্বামীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে

প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত

 

স্টাফ রিপোর্টার :
প্রচণ্ড রোদ ও তীব্র তাপদাহে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ, ঠিক তখনই নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সীর মানবিক উদ্যোগে পথচারী, অটোরিকশাচালক, দিনমজুর ও দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঠান্ডা পানীয়, ওরস্যালাইন ও খাবার বিতরণ করে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ৩ জুন দুপুরে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তীব্র গরমে স্বস্তি পেয়ে সাধারণ মানুষ জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ঠান্ডা পানি হাতে পেয়ে একজন অটোরিকশাচালক বলেন, এত রোদের মধ্যে গাড়ি চালানো অনেক কষ্টের এবং কিছুক্ষণ পর পরই গলা শুকিয়ে যায়। ঠান্ডা পানি খেয়ে প্রাণটা জুড়ালো। এত ব্যস্ততার মাঝেও ডিসি স্যার ও এসপি স্যার আমাদের কথা মনে রেখেছেন, এ জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

একজন দিনমজুর জানান, সারাদিন রোদে কাজ করি। একটু ঠান্ডা পানি পেলে শরীরটা চাঙা হয়। স্যাররা যে আমাদের কথা ভেবেছেন, এটাই অনেক বড় পাওয়া।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক ইনচার্জ এম এ করিম বলেন, প্রচণ্ড গরমে সড়কে দায়িত্ব পালন করা খুবই কষ্টকর। জেলা প্রশাসকের এই উদ্যোগে ট্রাফিক সদস্যরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। ডিউটির মাঝে ঠান্ডা পানি, ওরস্যালাইন ও খাবার পেয়ে আমরা উজ্জীবিত। এ ধরনের মানবিক কাজ আমাদের মনোবল বাড়ায়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, রৌদ্রের প্রখরতায় জীবিকার তাগিদে মানুষকে রাস্তায় বের হতে হচ্ছে। তীব্র গরমে পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষ যেন কিছুটা স্বস্তি পান, সে চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ। জনগণের পাশে থাকাই প্রশাসনের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে এ ধরনের মানবিক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, তাপদাহে পুলিশ সদস্যরাও ঝুঁকি নিয়ে সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট লাঘবে আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে কাজ করছি। জনসেবায় পুলিশ সবসময় মানুষের পাশে আছে।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলার সর্ব মহলের নাগরিকরা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত

আপডেট সময় : ০৯:২১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার :
প্রচণ্ড রোদ ও তীব্র তাপদাহে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ, ঠিক তখনই নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সীর মানবিক উদ্যোগে পথচারী, অটোরিকশাচালক, দিনমজুর ও দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঠান্ডা পানীয়, ওরস্যালাইন ও খাবার বিতরণ করে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ৩ জুন দুপুরে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তীব্র গরমে স্বস্তি পেয়ে সাধারণ মানুষ জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ঠান্ডা পানি হাতে পেয়ে একজন অটোরিকশাচালক বলেন, এত রোদের মধ্যে গাড়ি চালানো অনেক কষ্টের এবং কিছুক্ষণ পর পরই গলা শুকিয়ে যায়। ঠান্ডা পানি খেয়ে প্রাণটা জুড়ালো। এত ব্যস্ততার মাঝেও ডিসি স্যার ও এসপি স্যার আমাদের কথা মনে রেখেছেন, এ জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

একজন দিনমজুর জানান, সারাদিন রোদে কাজ করি। একটু ঠান্ডা পানি পেলে শরীরটা চাঙা হয়। স্যাররা যে আমাদের কথা ভেবেছেন, এটাই অনেক বড় পাওয়া।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক ইনচার্জ এম এ করিম বলেন, প্রচণ্ড গরমে সড়কে দায়িত্ব পালন করা খুবই কষ্টকর। জেলা প্রশাসকের এই উদ্যোগে ট্রাফিক সদস্যরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। ডিউটির মাঝে ঠান্ডা পানি, ওরস্যালাইন ও খাবার পেয়ে আমরা উজ্জীবিত। এ ধরনের মানবিক কাজ আমাদের মনোবল বাড়ায়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, রৌদ্রের প্রখরতায় জীবিকার তাগিদে মানুষকে রাস্তায় বের হতে হচ্ছে। তীব্র গরমে পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষ যেন কিছুটা স্বস্তি পান, সে চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ। জনগণের পাশে থাকাই প্রশাসনের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে এ ধরনের মানবিক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, তাপদাহে পুলিশ সদস্যরাও ঝুঁকি নিয়ে সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট লাঘবে আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে কাজ করছি। জনসেবায় পুলিশ সবসময় মানুষের পাশে আছে।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলার সর্ব মহলের নাগরিকরা।