নারায়ণগঞ্জ ১১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান উৎসব উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি: ফতুল্লার সুন্দরবন রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা রোধে নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিসি মো:রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে ২ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে নির্মাণ সামগ্রী লুটের অভিযোগ যুবদল নেতার ২০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী আহত সাংবাদিককে দেখতে আর্থিক সহায়তা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের

প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত

 

স্টাফ রিপোর্টার :
প্রচণ্ড রোদ ও তীব্র তাপদাহে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ, ঠিক তখনই নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সীর মানবিক উদ্যোগে পথচারী, অটোরিকশাচালক, দিনমজুর ও দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঠান্ডা পানীয়, ওরস্যালাইন ও খাবার বিতরণ করে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ৩ জুন দুপুরে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তীব্র গরমে স্বস্তি পেয়ে সাধারণ মানুষ জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ঠান্ডা পানি হাতে পেয়ে একজন অটোরিকশাচালক বলেন, এত রোদের মধ্যে গাড়ি চালানো অনেক কষ্টের এবং কিছুক্ষণ পর পরই গলা শুকিয়ে যায়। ঠান্ডা পানি খেয়ে প্রাণটা জুড়ালো। এত ব্যস্ততার মাঝেও ডিসি স্যার ও এসপি স্যার আমাদের কথা মনে রেখেছেন, এ জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

একজন দিনমজুর জানান, সারাদিন রোদে কাজ করি। একটু ঠান্ডা পানি পেলে শরীরটা চাঙা হয়। স্যাররা যে আমাদের কথা ভেবেছেন, এটাই অনেক বড় পাওয়া।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক ইনচার্জ এম এ করিম বলেন, প্রচণ্ড গরমে সড়কে দায়িত্ব পালন করা খুবই কষ্টকর। জেলা প্রশাসকের এই উদ্যোগে ট্রাফিক সদস্যরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। ডিউটির মাঝে ঠান্ডা পানি, ওরস্যালাইন ও খাবার পেয়ে আমরা উজ্জীবিত। এ ধরনের মানবিক কাজ আমাদের মনোবল বাড়ায়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, রৌদ্রের প্রখরতায় জীবিকার তাগিদে মানুষকে রাস্তায় বের হতে হচ্ছে। তীব্র গরমে পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষ যেন কিছুটা স্বস্তি পান, সে চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ। জনগণের পাশে থাকাই প্রশাসনের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে এ ধরনের মানবিক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, তাপদাহে পুলিশ সদস্যরাও ঝুঁকি নিয়ে সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট লাঘবে আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে কাজ করছি। জনসেবায় পুলিশ সবসময় মানুষের পাশে আছে।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলার সর্ব মহলের নাগরিকরা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত

প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত

আপডেট সময় : ০৯:২১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার :
প্রচণ্ড রোদ ও তীব্র তাপদাহে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ, ঠিক তখনই নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সীর মানবিক উদ্যোগে পথচারী, অটোরিকশাচালক, দিনমজুর ও দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঠান্ডা পানীয়, ওরস্যালাইন ও খাবার বিতরণ করে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ৩ জুন দুপুরে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তীব্র গরমে স্বস্তি পেয়ে সাধারণ মানুষ জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ঠান্ডা পানি হাতে পেয়ে একজন অটোরিকশাচালক বলেন, এত রোদের মধ্যে গাড়ি চালানো অনেক কষ্টের এবং কিছুক্ষণ পর পরই গলা শুকিয়ে যায়। ঠান্ডা পানি খেয়ে প্রাণটা জুড়ালো। এত ব্যস্ততার মাঝেও ডিসি স্যার ও এসপি স্যার আমাদের কথা মনে রেখেছেন, এ জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

একজন দিনমজুর জানান, সারাদিন রোদে কাজ করি। একটু ঠান্ডা পানি পেলে শরীরটা চাঙা হয়। স্যাররা যে আমাদের কথা ভেবেছেন, এটাই অনেক বড় পাওয়া।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক ইনচার্জ এম এ করিম বলেন, প্রচণ্ড গরমে সড়কে দায়িত্ব পালন করা খুবই কষ্টকর। জেলা প্রশাসকের এই উদ্যোগে ট্রাফিক সদস্যরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। ডিউটির মাঝে ঠান্ডা পানি, ওরস্যালাইন ও খাবার পেয়ে আমরা উজ্জীবিত। এ ধরনের মানবিক কাজ আমাদের মনোবল বাড়ায়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, রৌদ্রের প্রখরতায় জীবিকার তাগিদে মানুষকে রাস্তায় বের হতে হচ্ছে। তীব্র গরমে পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষ যেন কিছুটা স্বস্তি পান, সে চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ। জনগণের পাশে থাকাই প্রশাসনের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে এ ধরনের মানবিক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, তাপদাহে পুলিশ সদস্যরাও ঝুঁকি নিয়ে সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট লাঘবে আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে কাজ করছি। জনসেবায় পুলিশ সবসময় মানুষের পাশে আছে।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলার সর্ব মহলের নাগরিকরা।