নারায়ণগঞ্জ ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এমপির পিএসকে বিতর্কিত করতে মরিয়া বিএনপির সুবিধাবাদীরা বিশ্ব পরিবেশ দিবসে নারায়ণগঞ্জে ১০ হাজার বৃক্ষের চারা বিতরণ: ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ ভাষাসৈনিক আয়েশা বেগমের প্রয়াণ: তিন দফা জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান উৎসব উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি: ফতুল্লার সুন্দরবন রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা রোধে নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিসি মো:রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে ২ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে নির্মাণ সামগ্রী লুটের অভিযোগ

এমপির পিএসকে বিতর্কিত করতে মরিয়া বিএনপির সুবিধাবাদীরা

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পিএস সেলিম হোসেনকে জড়িয়ে মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়ে নাসিক ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সুবিধাবাদী বিতর্কিত একটি মহল। তারা যুবদল নেতা বাদশাকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যায়িত করে সেলিম হোসেনকে বিতর্কিত করার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছেন বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
জানা গেছে, দলীয় কর্মসূচি পালনের সুবাধে বাদশার সাথে সেলিম হোসেনের যোগাযোগ থাকায় একটি মহল ঈর্ষান্নিত হয়ে উঠেছে। আগামী সিটি নির্বাচনে বাদশা ৮ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্র্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে এমপির পিএস সেলিম হোসেনকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। এমপির পিএস হলেও সেলিম হোসেন সেরকম কোন প্রভাব বিস্তার করেননি। সকল নেতাকর্মীর সাথে তিনি সাধারণ আচরণ করেন। তার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তোলার মত কোন কাজ এখন পর্যন্ত তিনি করেননি। তাই তাকে নিয়ে মিথ্যাচার সহ্য করা হবেনা বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় একাধিক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এমপির পিএস সেলিম হোসেন বলেন, আমি কোন ধরণের বেআইনী কাজ ও মাদক ব্যবসায়ী কিংবা অন্যায় অপকর্মে জড়িত এমন লোককে প্রশ্রয় দেইনা। নারায়য়ণগঞ্জ-৩ আসনের সমস্ত এলাকায় খোঁজ নিয়েও এমন প্রমাণ কেউ পাবেনা। বাদশা একজন যুবদল নেতা। যাচাই-বাছাই করে দল তাকে পদ দিয়েছে। সে মাদক ব্যবসায়ী কিংবা কোন অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে দল থাকে পদ দিতনা। দলীয় লোক ও যুবদল নেতা হিসেবে দলীয় কর্মসূচির স্বার্থে আমি তার সাথে মাঝে মাঝে যোগাযোগ ও দেখা সাক্ষাত করি। দলের সুবিধাবাদী একটি মহল এটা ভালো দৃষ্টিতে দেখছেনা। তাই তারা আমাকে বিতর্কিত করতে মিথ্যাচার করছে বলে আমি মনে করি।
যুবদল নেতা বাদশা বলেন, বিগত সময়ে যেসব বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের সাথে গোপন আঁতাত করে সহিসালামতে ছিল। সেসব সুবিধাবাদীরা এখন ত্যাগী নেতাকর্মী সেজে এলাকায় চাঁদাবাজি, ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে। তাদের কেউ কেউ আগামী সিটি নির্র্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচন করার প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। আামিও কাউন্সিলর নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পিএস সেলিম হোসেনের সাথে আমার সুসম্পর্ক তাদের সহ্য হচ্ছেনা। ফলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে সেলিম হোসেনকেও বিতর্কিত করে আমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। আমি মাদক ব্যবসাতো দূরের কথা কোন অন্যায়ের সাথে জড়িত নই। আসল অপকর্মকারীরাই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় করে সংসদ সদস্যের নেক নজর থেকে দূরে সরানোর ফন্দি ফিকির করছে।
স্থানীয় একাধিক বিএনপি নেতা জানান, গোদনাইলের এনায়েতনগর ও বৌবাজারসহ আশপাশ এলাকায় কারা মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন, ঝুট ব্যবসা, মিল কারখানা নিয়ন্ত্রন ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করছে তা এলাাকার লোকজনের অজনা নয়। তাদের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় বাদশার বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যাচার করছে এসব সুবিধাবাদীরা। তাই তাদের এসব মিথ্যাচার কেউ আমলে নিচ্ছে না। পাশাপাশি দলের প্রকৃত ত্যাগী নেতাদেরকে সুবিধাবাদীদের ষড়যন্ত্র থেকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপির পিএসকে বিতর্কিত করতে মরিয়া বিএনপির সুবিধাবাদীরা

এমপির পিএসকে বিতর্কিত করতে মরিয়া বিএনপির সুবিধাবাদীরা

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পিএস সেলিম হোসেনকে জড়িয়ে মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়ে নাসিক ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সুবিধাবাদী বিতর্কিত একটি মহল। তারা যুবদল নেতা বাদশাকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যায়িত করে সেলিম হোসেনকে বিতর্কিত করার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছেন বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
জানা গেছে, দলীয় কর্মসূচি পালনের সুবাধে বাদশার সাথে সেলিম হোসেনের যোগাযোগ থাকায় একটি মহল ঈর্ষান্নিত হয়ে উঠেছে। আগামী সিটি নির্বাচনে বাদশা ৮ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্র্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে এমপির পিএস সেলিম হোসেনকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। এমপির পিএস হলেও সেলিম হোসেন সেরকম কোন প্রভাব বিস্তার করেননি। সকল নেতাকর্মীর সাথে তিনি সাধারণ আচরণ করেন। তার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তোলার মত কোন কাজ এখন পর্যন্ত তিনি করেননি। তাই তাকে নিয়ে মিথ্যাচার সহ্য করা হবেনা বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় একাধিক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এমপির পিএস সেলিম হোসেন বলেন, আমি কোন ধরণের বেআইনী কাজ ও মাদক ব্যবসায়ী কিংবা অন্যায় অপকর্মে জড়িত এমন লোককে প্রশ্রয় দেইনা। নারায়য়ণগঞ্জ-৩ আসনের সমস্ত এলাকায় খোঁজ নিয়েও এমন প্রমাণ কেউ পাবেনা। বাদশা একজন যুবদল নেতা। যাচাই-বাছাই করে দল তাকে পদ দিয়েছে। সে মাদক ব্যবসায়ী কিংবা কোন অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে দল থাকে পদ দিতনা। দলীয় লোক ও যুবদল নেতা হিসেবে দলীয় কর্মসূচির স্বার্থে আমি তার সাথে মাঝে মাঝে যোগাযোগ ও দেখা সাক্ষাত করি। দলের সুবিধাবাদী একটি মহল এটা ভালো দৃষ্টিতে দেখছেনা। তাই তারা আমাকে বিতর্কিত করতে মিথ্যাচার করছে বলে আমি মনে করি।
যুবদল নেতা বাদশা বলেন, বিগত সময়ে যেসব বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের সাথে গোপন আঁতাত করে সহিসালামতে ছিল। সেসব সুবিধাবাদীরা এখন ত্যাগী নেতাকর্মী সেজে এলাকায় চাঁদাবাজি, ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে। তাদের কেউ কেউ আগামী সিটি নির্র্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচন করার প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। আামিও কাউন্সিলর নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পিএস সেলিম হোসেনের সাথে আমার সুসম্পর্ক তাদের সহ্য হচ্ছেনা। ফলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে সেলিম হোসেনকেও বিতর্কিত করে আমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। আমি মাদক ব্যবসাতো দূরের কথা কোন অন্যায়ের সাথে জড়িত নই। আসল অপকর্মকারীরাই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় করে সংসদ সদস্যের নেক নজর থেকে দূরে সরানোর ফন্দি ফিকির করছে।
স্থানীয় একাধিক বিএনপি নেতা জানান, গোদনাইলের এনায়েতনগর ও বৌবাজারসহ আশপাশ এলাকায় কারা মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন, ঝুট ব্যবসা, মিল কারখানা নিয়ন্ত্রন ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করছে তা এলাাকার লোকজনের অজনা নয়। তাদের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় বাদশার বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যাচার করছে এসব সুবিধাবাদীরা। তাই তাদের এসব মিথ্যাচার কেউ আমলে নিচ্ছে না। পাশাপাশি দলের প্রকৃত ত্যাগী নেতাদেরকে সুবিধাবাদীদের ষড়যন্ত্র থেকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।