নারায়ণগঞ্জ ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ ৩জন গ্রেপ্তার বিন মিশাল ট্রাভেলসের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে রিয়াদে সংবাদ সম্মেলন রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন সহ শিল্পাঞ্চলে স্বস্তি ফেরাতে মাঠে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলে মিশে যায় বহুরূপী বাচ্চু নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডে বেপরোয়া ভূমিখেকো বাচ্চু শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপনে এসপি হাবিবুর রহমানকে পূজা উদযাপন পরিষদের শুভেচ্ছা ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় একযোগে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান যুবলীগ, না যুবদল—রূপগঞ্জে আজিজুল মালুমকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন অসহায় নারীকে স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন নারায়ণগঞ্জ ডিসি

এমপির পিএসকে বিতর্কিত করতে মরিয়া বিএনপির সুবিধাবাদীরা

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পিএস সেলিম হোসেনকে জড়িয়ে মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়ে নাসিক ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সুবিধাবাদী বিতর্কিত একটি মহল। তারা যুবদল নেতা বাদশাকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যায়িত করে সেলিম হোসেনকে বিতর্কিত করার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছেন বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
জানা গেছে, দলীয় কর্মসূচি পালনের সুবাধে বাদশার সাথে সেলিম হোসেনের যোগাযোগ থাকায় একটি মহল ঈর্ষান্নিত হয়ে উঠেছে। আগামী সিটি নির্বাচনে বাদশা ৮ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্র্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে এমপির পিএস সেলিম হোসেনকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। এমপির পিএস হলেও সেলিম হোসেন সেরকম কোন প্রভাব বিস্তার করেননি। সকল নেতাকর্মীর সাথে তিনি সাধারণ আচরণ করেন। তার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তোলার মত কোন কাজ এখন পর্যন্ত তিনি করেননি। তাই তাকে নিয়ে মিথ্যাচার সহ্য করা হবেনা বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় একাধিক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এমপির পিএস সেলিম হোসেন বলেন, আমি কোন ধরণের বেআইনী কাজ ও মাদক ব্যবসায়ী কিংবা অন্যায় অপকর্মে জড়িত এমন লোককে প্রশ্রয় দেইনা। নারায়য়ণগঞ্জ-৩ আসনের সমস্ত এলাকায় খোঁজ নিয়েও এমন প্রমাণ কেউ পাবেনা। বাদশা একজন যুবদল নেতা। যাচাই-বাছাই করে দল তাকে পদ দিয়েছে। সে মাদক ব্যবসায়ী কিংবা কোন অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে দল থাকে পদ দিতনা। দলীয় লোক ও যুবদল নেতা হিসেবে দলীয় কর্মসূচির স্বার্থে আমি তার সাথে মাঝে মাঝে যোগাযোগ ও দেখা সাক্ষাত করি। দলের সুবিধাবাদী একটি মহল এটা ভালো দৃষ্টিতে দেখছেনা। তাই তারা আমাকে বিতর্কিত করতে মিথ্যাচার করছে বলে আমি মনে করি।
যুবদল নেতা বাদশা বলেন, বিগত সময়ে যেসব বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের সাথে গোপন আঁতাত করে সহিসালামতে ছিল। সেসব সুবিধাবাদীরা এখন ত্যাগী নেতাকর্মী সেজে এলাকায় চাঁদাবাজি, ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে। তাদের কেউ কেউ আগামী সিটি নির্র্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচন করার প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। আামিও কাউন্সিলর নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পিএস সেলিম হোসেনের সাথে আমার সুসম্পর্ক তাদের সহ্য হচ্ছেনা। ফলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে সেলিম হোসেনকেও বিতর্কিত করে আমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। আমি মাদক ব্যবসাতো দূরের কথা কোন অন্যায়ের সাথে জড়িত নই। আসল অপকর্মকারীরাই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় করে সংসদ সদস্যের নেক নজর থেকে দূরে সরানোর ফন্দি ফিকির করছে।
স্থানীয় একাধিক বিএনপি নেতা জানান, গোদনাইলের এনায়েতনগর ও বৌবাজারসহ আশপাশ এলাকায় কারা মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন, ঝুট ব্যবসা, মিল কারখানা নিয়ন্ত্রন ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করছে তা এলাাকার লোকজনের অজনা নয়। তাদের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় বাদশার বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যাচার করছে এসব সুবিধাবাদীরা। তাই তাদের এসব মিথ্যাচার কেউ আমলে নিচ্ছে না। পাশাপাশি দলের প্রকৃত ত্যাগী নেতাদেরকে সুবিধাবাদীদের ষড়যন্ত্র থেকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সিদ্ধিরগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ ৩জন গ্রেপ্তার

এমপির পিএসকে বিতর্কিত করতে মরিয়া বিএনপির সুবিধাবাদীরা

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পিএস সেলিম হোসেনকে জড়িয়ে মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়ে নাসিক ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সুবিধাবাদী বিতর্কিত একটি মহল। তারা যুবদল নেতা বাদশাকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যায়িত করে সেলিম হোসেনকে বিতর্কিত করার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছেন বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
জানা গেছে, দলীয় কর্মসূচি পালনের সুবাধে বাদশার সাথে সেলিম হোসেনের যোগাযোগ থাকায় একটি মহল ঈর্ষান্নিত হয়ে উঠেছে। আগামী সিটি নির্বাচনে বাদশা ৮ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্র্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে এমপির পিএস সেলিম হোসেনকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। এমপির পিএস হলেও সেলিম হোসেন সেরকম কোন প্রভাব বিস্তার করেননি। সকল নেতাকর্মীর সাথে তিনি সাধারণ আচরণ করেন। তার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তোলার মত কোন কাজ এখন পর্যন্ত তিনি করেননি। তাই তাকে নিয়ে মিথ্যাচার সহ্য করা হবেনা বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় একাধিক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এমপির পিএস সেলিম হোসেন বলেন, আমি কোন ধরণের বেআইনী কাজ ও মাদক ব্যবসায়ী কিংবা অন্যায় অপকর্মে জড়িত এমন লোককে প্রশ্রয় দেইনা। নারায়য়ণগঞ্জ-৩ আসনের সমস্ত এলাকায় খোঁজ নিয়েও এমন প্রমাণ কেউ পাবেনা। বাদশা একজন যুবদল নেতা। যাচাই-বাছাই করে দল তাকে পদ দিয়েছে। সে মাদক ব্যবসায়ী কিংবা কোন অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে দল থাকে পদ দিতনা। দলীয় লোক ও যুবদল নেতা হিসেবে দলীয় কর্মসূচির স্বার্থে আমি তার সাথে মাঝে মাঝে যোগাযোগ ও দেখা সাক্ষাত করি। দলের সুবিধাবাদী একটি মহল এটা ভালো দৃষ্টিতে দেখছেনা। তাই তারা আমাকে বিতর্কিত করতে মিথ্যাচার করছে বলে আমি মনে করি।
যুবদল নেতা বাদশা বলেন, বিগত সময়ে যেসব বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের সাথে গোপন আঁতাত করে সহিসালামতে ছিল। সেসব সুবিধাবাদীরা এখন ত্যাগী নেতাকর্মী সেজে এলাকায় চাঁদাবাজি, ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে। তাদের কেউ কেউ আগামী সিটি নির্র্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচন করার প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। আামিও কাউন্সিলর নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পিএস সেলিম হোসেনের সাথে আমার সুসম্পর্ক তাদের সহ্য হচ্ছেনা। ফলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে সেলিম হোসেনকেও বিতর্কিত করে আমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। আমি মাদক ব্যবসাতো দূরের কথা কোন অন্যায়ের সাথে জড়িত নই। আসল অপকর্মকারীরাই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় করে সংসদ সদস্যের নেক নজর থেকে দূরে সরানোর ফন্দি ফিকির করছে।
স্থানীয় একাধিক বিএনপি নেতা জানান, গোদনাইলের এনায়েতনগর ও বৌবাজারসহ আশপাশ এলাকায় কারা মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন, ঝুট ব্যবসা, মিল কারখানা নিয়ন্ত্রন ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করছে তা এলাাকার লোকজনের অজনা নয়। তাদের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় বাদশার বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যাচার করছে এসব সুবিধাবাদীরা। তাই তাদের এসব মিথ্যাচার কেউ আমলে নিচ্ছে না। পাশাপাশি দলের প্রকৃত ত্যাগী নেতাদেরকে সুবিধাবাদীদের ষড়যন্ত্র থেকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।