নারায়ণগঞ্জ ০২:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সোনারগাঁয়ের আনন্দ বাজারে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও র‍্যালি শীতলক্ষা নদীতে বোর্ড থেকে পড়ে নিখোঁজ ফায়ার সার্ভিসের সদস্য জুলাই শহিদ দিবসে শহিদদের স্মরণে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ নারায়ণগঞ্জে নানা আয়োজনে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো ১৬ জুলাই শহীদ দিবস সৌদিতে ছিনতাই-প্রতারণা রোধ ও প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় এক টেবিলে রাষ্ট্রদূত ও সাংবাদিকরা হাজীগঞ্জ ফেরিঘাটে র্যাবের অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগজিনসহ যুবক গ্রেপ্তার ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার কল্যাণ তহবিলের চেক বিতরণে -রাষ্ট্র ও প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে : ডিসি রায়হান, কবির নারায়ণগঞ্জে রেল সেতুর পিলারের নিচের মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নারায়ণগঞ্জে এইচএসি কেন্দ্র পরিদর্শন: ‘সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্নের প্রত্যাশা’ ডিসির

কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার :
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশিপুর কল্যাণী খালে অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ফতুল্লা ও সদর এসি ল্যান্ডের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প ‘খাল পুনঃখনন কর্মসূচি’র আওতায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ঐতিহ্যবাহী কল্যাণী খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে খালের দুই পাশের সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করা হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের কঠোর নির্দেশনায় এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এ অভিযান চলছে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে অনেক অবৈধ দখলদার এরই মধ্যে নিজেদের স্থাপনা নিজেরাই সরিয়ে নিচ্ছেন।

এর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরেজমিনে খাল পরিদর্শন করে অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত ও দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করতে ফতুল্লা ও সদর এসি ল্যান্ডকে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী তালিকা ধরে পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, খালের সরকারি জায়গায় গড়ে তোলা সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এই উচ্ছেদ অভিযান সম্পর্কে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, কল্যাণী খাল একসময় এ অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান পথ ছিল। অবৈধ দখলের কারণে খালটি মৃতপ্রায় এবং প্রতি বর্ষায় এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও জেলা প্রশাসক স্যারের কঠোর নির্দেশে আমরা খালটি দখলমুক্ত করে পুনঃখননের কাজ শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, সরকারি সম্পত্তি দখল করে যারা ব্যবসা বা বসতি গড়েছেন, তাদের নিজ উদ্যোগে সরে যেতে বারবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যারা সরেননি, তাদের স্থাপনা এখন ভেঙে ফেলা হচ্ছে। জনদুর্ভোগ কমাতে ও পরিবেশ রক্ষায় খাল উদ্ধার অভিযানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সবার সহযোগিতা চাই।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ের আনন্দ বাজারে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও র‍্যালি

কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার :
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশিপুর কল্যাণী খালে অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ফতুল্লা ও সদর এসি ল্যান্ডের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প ‘খাল পুনঃখনন কর্মসূচি’র আওতায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ঐতিহ্যবাহী কল্যাণী খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে খালের দুই পাশের সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করা হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের কঠোর নির্দেশনায় এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এ অভিযান চলছে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে অনেক অবৈধ দখলদার এরই মধ্যে নিজেদের স্থাপনা নিজেরাই সরিয়ে নিচ্ছেন।

এর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরেজমিনে খাল পরিদর্শন করে অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত ও দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করতে ফতুল্লা ও সদর এসি ল্যান্ডকে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী তালিকা ধরে পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, খালের সরকারি জায়গায় গড়ে তোলা সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এই উচ্ছেদ অভিযান সম্পর্কে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, কল্যাণী খাল একসময় এ অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান পথ ছিল। অবৈধ দখলের কারণে খালটি মৃতপ্রায় এবং প্রতি বর্ষায় এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও জেলা প্রশাসক স্যারের কঠোর নির্দেশে আমরা খালটি দখলমুক্ত করে পুনঃখননের কাজ শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, সরকারি সম্পত্তি দখল করে যারা ব্যবসা বা বসতি গড়েছেন, তাদের নিজ উদ্যোগে সরে যেতে বারবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যারা সরেননি, তাদের স্থাপনা এখন ভেঙে ফেলা হচ্ছে। জনদুর্ভোগ কমাতে ও পরিবেশ রক্ষায় খাল উদ্ধার অভিযানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সবার সহযোগিতা চাই।