নারায়ণগঞ্জ ০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শীঘ্রই কুতুবপুরে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান: এসপি মিজানুর রহমান মুন্সি যুবদল নেতার দখলে থাকা তাঁতি লীগ নেতার অফিস এখন মাদকের আখড়া! নারায়ণগঞ্জে কল্যাণী খাল দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান অভিযানে ৩ দোকানে পলিথিন ব্যাগ রাখায় জব্দসহ জরিমানা যুক্তির সমীরণে প্রাচ্যের ডান্ডি’: নারায়ণগঞ্জে ১৫ জুন শুরু হচ্ছে উপজেলা বিতর্ক উৎসব-২০২৬ জলাবদ্ধতা ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ড্রেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিদর্শনে ইউএনও ফয়েজ উদ্দিন মেঘনার পানি আসছে ঢাকায়: ১০ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প উদ্বোধনের অপেক্ষায় বাজেটে তিনটি বিষয় গুরুত্ব না দিলে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় : বিকেএমইএ সভাপতি জামায়াতে ইসলামী প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না- মাওলানা আবদুল জব্বার নারায়ণগঞ্জে শব্দ দূষণবিরোধী অভিযান: ৪ যানবাহনকে জরিমানা, হর্ন জব্দ

কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার :
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশিপুর কল্যাণী খালে অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ফতুল্লা ও সদর এসি ল্যান্ডের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প ‘খাল পুনঃখনন কর্মসূচি’র আওতায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ঐতিহ্যবাহী কল্যাণী খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে খালের দুই পাশের সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করা হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের কঠোর নির্দেশনায় এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এ অভিযান চলছে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে অনেক অবৈধ দখলদার এরই মধ্যে নিজেদের স্থাপনা নিজেরাই সরিয়ে নিচ্ছেন।

এর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরেজমিনে খাল পরিদর্শন করে অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত ও দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করতে ফতুল্লা ও সদর এসি ল্যান্ডকে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী তালিকা ধরে পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, খালের সরকারি জায়গায় গড়ে তোলা সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এই উচ্ছেদ অভিযান সম্পর্কে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, কল্যাণী খাল একসময় এ অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান পথ ছিল। অবৈধ দখলের কারণে খালটি মৃতপ্রায় এবং প্রতি বর্ষায় এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও জেলা প্রশাসক স্যারের কঠোর নির্দেশে আমরা খালটি দখলমুক্ত করে পুনঃখননের কাজ শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, সরকারি সম্পত্তি দখল করে যারা ব্যবসা বা বসতি গড়েছেন, তাদের নিজ উদ্যোগে সরে যেতে বারবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যারা সরেননি, তাদের স্থাপনা এখন ভেঙে ফেলা হচ্ছে। জনদুর্ভোগ কমাতে ও পরিবেশ রক্ষায় খাল উদ্ধার অভিযানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সবার সহযোগিতা চাই।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শীঘ্রই কুতুবপুরে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান: এসপি মিজানুর রহমান মুন্সি

কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার :
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশিপুর কল্যাণী খালে অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ফতুল্লা ও সদর এসি ল্যান্ডের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প ‘খাল পুনঃখনন কর্মসূচি’র আওতায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ঐতিহ্যবাহী কল্যাণী খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে খালের দুই পাশের সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করা হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের কঠোর নির্দেশনায় এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এ অভিযান চলছে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে অনেক অবৈধ দখলদার এরই মধ্যে নিজেদের স্থাপনা নিজেরাই সরিয়ে নিচ্ছেন।

এর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরেজমিনে খাল পরিদর্শন করে অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত ও দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করতে ফতুল্লা ও সদর এসি ল্যান্ডকে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী তালিকা ধরে পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, খালের সরকারি জায়গায় গড়ে তোলা সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এই উচ্ছেদ অভিযান সম্পর্কে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, কল্যাণী খাল একসময় এ অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান পথ ছিল। অবৈধ দখলের কারণে খালটি মৃতপ্রায় এবং প্রতি বর্ষায় এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও জেলা প্রশাসক স্যারের কঠোর নির্দেশে আমরা খালটি দখলমুক্ত করে পুনঃখননের কাজ শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, সরকারি সম্পত্তি দখল করে যারা ব্যবসা বা বসতি গড়েছেন, তাদের নিজ উদ্যোগে সরে যেতে বারবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যারা সরেননি, তাদের স্থাপনা এখন ভেঙে ফেলা হচ্ছে। জনদুর্ভোগ কমাতে ও পরিবেশ রক্ষায় খাল উদ্ধার অভিযানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সবার সহযোগিতা চাই।