সংবাদ শিরোনাম ::
Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento আড়াইহাজার উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের মতবিনিময় বিএনপি নেতা মামুনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ মাদকের আখড়ায় পরিণত সিদ্ধিরগঞ্জের বাঘমারা সাংবাদিক কাজী মোদাচ্ছের হোসেন সুলতান এর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সিদ্ধিরগঞ্জে দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় হামলা, মারধর : নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট আড়াইহাজা‌রে দলীয় পরিচয়ে অন্যায় করলে ছাড় নয়: রাকিবুল ইসলাম রাকিব পদ্মা অয়েল পিএলসি এর মহাব্যবস্থাপক আসিফ মালিক’কে বিদায় সংবর্ধনা বাংলা ৫২ নিউজ ডটকমের ১০ম বর্ষে পদার্পণ আড়াইহাজারে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইর্ষান্বিত হয়েই আজাদের বিরু’দ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে : উপজেলা বিএনপি

আন্ত:জেলা সাইলো শাখার আহবায়কের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা অভিযোগ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি: আন্ত:জিলা ট্রাক কাভার্ডভ্যান মিনিট্রাক চালক শ্রমিক ইউনিয়ন সিদ্ধিরগঞ্জ সাইলো শাখার আহবায়ক মোসলেহ উদ্দিন সেলিমের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। একই কমিটির সদস্যরা তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেন।
আন্ত:জেলা সাইলো শাখার সাবেক আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম জানান, র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তারের ভয়ে প্রায় ২০ বছর আগে এলাকা ছেড়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় পালিয়ে গিয়েছিল সেলিম। গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এলাকায় ফিরে এসে তিনি গত বছরের ২০ জুন সাইলো এলাকায় শোডাউন দিয়ে নিজের অবস্থান জানান দেন। আন্ত:জেলার কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন শীর্ষনেতাকে ম্যানেজ করে একই বছরের ১৮ জুলাই তিনি সাইলো শাখার আহবায়ক হন। সাত সদস্যে কমিটির মেয়াদ দেওয়া হয় মাত্র ৩ মাস। এ সময়ের মধ্যে সাধারণ সভা করার নির্দেশ থাকলেও ৫ মাস গত হলেও তিনি সাধারণ সভা না করে কমিটির সদস্যদের মতামত না নিয়ে পেষিশক্তির মাধ্যমে একাই সংগঠন চালাচ্ছেন। তার বেপরোয়া চাঁদাবাজির কারণে কমিটির অন্য সদস্যরা সাংগঠনিক কাজ থেকে সরে গেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আন্ত:জেলা সাইলো শাখার ৭ সদস্যের কমিটির সদস্যরা হলেন, আহবায়ক মোসলেহ উদ্দিন সেলিম, সদস্য শাহ আলম হীরা, জাহাঙ্গীর আলম রিপন, শুকুর আলী, মো. খোরশেদ, মো. নূর হোসেন ও মো. ফালানু। সদস্যদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম রিপন বাদে অন্য ৫ জন আহবায়কের স্বেচ্ছাচারিতায় ক্ষুব্দ হয়ে সংগঠনের কার্যক্রম থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন।
কমিটির সদস্য নূর হোসেন বলেন, মোসলেহ উদ্দিন সেলিম সংগঠনের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে তার মনগড়া মতে চলছে। মাসে লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজি করছে। তিনি আহবায়ক হওয়ার পর থেকে সংগঠনের আয় ব্যয়ের কোন হিসেব দিচ্ছেন না। এককভাবে নিজেই লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তার স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ করায় গত ২৭ ডিসেম্বর দুপুরে আমাকে মারধর করেছেন।এঘটনায় আমি তার বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
কমিটির আরেক সদস্য মো. খোরশেদ আলম বলেন, গত ৫ মাস ধরে সংগঠনের আয়ব্যয়ের হিসেব দিচ্ছেন না সেলিম। অথচ ট্রাক প্রতি আগের চেয়ে বেশি চাঁদা আদায় করছেন তিনি। এতে ট্রাক মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে ক্ষোভ। ফলে আমি আন্ত:জেলা কার্যালয়ে আসা যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
কমিটির ১ নং সদস্য শাহ আলম হীরা বলেন, যেখানে নিয়মনীতি নেই সেখানে আমি থাকতে চাইনা। আমাকে কমিটিতে রাখা হলেও আমি সংগঠনিক কার্যক্রমে নেই।
এ বিষয়ে মোসলেহ উদ্দিন সেলিম বলেন, আমি দায়িত্ব পেয়ে দেখতে পাই মাত্র ১১ মাসে সংগঠনের ১২ লক্ষাধিক টাকার কোন হসিদ নেই। সাবেক আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম এসব টাকা আত্মসাত করেছেন। তখন আমি কেন্দ্রেীয় কমিটির নির্দেশে সিরাজুল ইসলামের কাছে লিখিতভাবে হিসেব চাই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সিরাজুল ইসলাম তার অনুগত নূর হোসেন, খোরশেদ আলম ও শাহ আলম হীরাকে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। এমনকি আমার উপর হামলাও করেছে। এ হমালার ঘটনায় আমি গত ২৯ ডিসেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মনির হোসেন বলেন, মোসলে উদ্দিন সেলিম নামে একজন শ্রমিক নেতা সিরাজুল ইসলামসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলা মারধরের একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের তদন্ত চলমান। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento

আন্ত:জেলা সাইলো শাখার আহবায়কের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি: আন্ত:জিলা ট্রাক কাভার্ডভ্যান মিনিট্রাক চালক শ্রমিক ইউনিয়ন সিদ্ধিরগঞ্জ সাইলো শাখার আহবায়ক মোসলেহ উদ্দিন সেলিমের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। একই কমিটির সদস্যরা তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেন।
আন্ত:জেলা সাইলো শাখার সাবেক আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম জানান, র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তারের ভয়ে প্রায় ২০ বছর আগে এলাকা ছেড়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় পালিয়ে গিয়েছিল সেলিম। গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এলাকায় ফিরে এসে তিনি গত বছরের ২০ জুন সাইলো এলাকায় শোডাউন দিয়ে নিজের অবস্থান জানান দেন। আন্ত:জেলার কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন শীর্ষনেতাকে ম্যানেজ করে একই বছরের ১৮ জুলাই তিনি সাইলো শাখার আহবায়ক হন। সাত সদস্যে কমিটির মেয়াদ দেওয়া হয় মাত্র ৩ মাস। এ সময়ের মধ্যে সাধারণ সভা করার নির্দেশ থাকলেও ৫ মাস গত হলেও তিনি সাধারণ সভা না করে কমিটির সদস্যদের মতামত না নিয়ে পেষিশক্তির মাধ্যমে একাই সংগঠন চালাচ্ছেন। তার বেপরোয়া চাঁদাবাজির কারণে কমিটির অন্য সদস্যরা সাংগঠনিক কাজ থেকে সরে গেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আন্ত:জেলা সাইলো শাখার ৭ সদস্যের কমিটির সদস্যরা হলেন, আহবায়ক মোসলেহ উদ্দিন সেলিম, সদস্য শাহ আলম হীরা, জাহাঙ্গীর আলম রিপন, শুকুর আলী, মো. খোরশেদ, মো. নূর হোসেন ও মো. ফালানু। সদস্যদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম রিপন বাদে অন্য ৫ জন আহবায়কের স্বেচ্ছাচারিতায় ক্ষুব্দ হয়ে সংগঠনের কার্যক্রম থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন।
কমিটির সদস্য নূর হোসেন বলেন, মোসলেহ উদ্দিন সেলিম সংগঠনের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে তার মনগড়া মতে চলছে। মাসে লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজি করছে। তিনি আহবায়ক হওয়ার পর থেকে সংগঠনের আয় ব্যয়ের কোন হিসেব দিচ্ছেন না। এককভাবে নিজেই লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তার স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ করায় গত ২৭ ডিসেম্বর দুপুরে আমাকে মারধর করেছেন।এঘটনায় আমি তার বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
কমিটির আরেক সদস্য মো. খোরশেদ আলম বলেন, গত ৫ মাস ধরে সংগঠনের আয়ব্যয়ের হিসেব দিচ্ছেন না সেলিম। অথচ ট্রাক প্রতি আগের চেয়ে বেশি চাঁদা আদায় করছেন তিনি। এতে ট্রাক মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে ক্ষোভ। ফলে আমি আন্ত:জেলা কার্যালয়ে আসা যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
কমিটির ১ নং সদস্য শাহ আলম হীরা বলেন, যেখানে নিয়মনীতি নেই সেখানে আমি থাকতে চাইনা। আমাকে কমিটিতে রাখা হলেও আমি সংগঠনিক কার্যক্রমে নেই।
এ বিষয়ে মোসলেহ উদ্দিন সেলিম বলেন, আমি দায়িত্ব পেয়ে দেখতে পাই মাত্র ১১ মাসে সংগঠনের ১২ লক্ষাধিক টাকার কোন হসিদ নেই। সাবেক আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম এসব টাকা আত্মসাত করেছেন। তখন আমি কেন্দ্রেীয় কমিটির নির্দেশে সিরাজুল ইসলামের কাছে লিখিতভাবে হিসেব চাই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সিরাজুল ইসলাম তার অনুগত নূর হোসেন, খোরশেদ আলম ও শাহ আলম হীরাকে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। এমনকি আমার উপর হামলাও করেছে। এ হমালার ঘটনায় আমি গত ২৯ ডিসেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মনির হোসেন বলেন, মোসলে উদ্দিন সেলিম নামে একজন শ্রমিক নেতা সিরাজুল ইসলামসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলা মারধরের একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের তদন্ত চলমান। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।