নারায়ণগঞ্জ ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অপরাধি যেই হোক ছাড় পাবেনা : ওসি গোলাম মোস্তফা মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত আদমজী ইপিজেডকে অশান্ত করছে জনপ্রতিনিধিরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে মহিলা লীগ নেত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় না’গঞ্জ কারাগারে হাজতীর মৃত্যু ফতুল্লায় চোরাইকৃত ট্যাংকলড়ী উদ্ধার আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল ঘুরে গেলেন ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল

রহিম ষ্টীলস পরিবেশ দুষনের পর, ফিলিং ষ্টেশন দখলের চেষ্টা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৩
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

পরিবেশ দুষনের পর টিন ও তার কাটার বেড়া দিয়ে ফিলিং ষ্টেশন দখলের চেষ্টা করছে রহিম ষ্টীল

সোনারগাঁ প্রতিনিধিঃ-
সড়ক ও জনপথের জায়গা জোর পূর্বক দখল করে তার কাঁটার ও টিনের বেড়া দিয়ে আটকে দিয়েছে সোনারগাওঁয়ের কাচঁপুর এলাকায় অবস্থিত রড উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান রহিম ষ্টীলস্ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ। এতে ঐ স্থানে অবস্থিত হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশন এবং চলাচলের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এভাবে হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনটি দখলের চেষ্টা করছে রহিম ষ্টীলস্ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কাচঁপুর এলাকায় অবস্থিত রড উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান রহিম ষ্টীলস্ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ সম্প্রতি (৬ অক্টোবর ২০২১ ইং) হক সিএনজি ষ্টেশন নামে এ প্রতিষ্ঠানটির মালিকের মেয়ের জামাই একেএম আহসানুল হক তার নামে থাকা হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনটি ব্যাবসায়ী মোঃ মোস্তফা কামালের নিকট বিক্রি করেন। গত ৬ অক্টোবর ২০২১ ইং এ সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদন করা হয়। এর পর থেকে হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনের পূর্বের মালিক একেএম আহসানুল হক ও রহিম ষ্টীলস কতৃপক্ষ হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনটি বুঝিয়ে না দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে একে একে ফিলিং ষ্টেশনটি অকার্যকর করে ফেলে এবং এক পর্যায়ে ফিলিং ষ্টেশনের তিনদিকে কাটা তারের বেড়া দিয়ে আটকে দেয়।

এ নিয়ে হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনের বর্তমান মালিক মোঃ মোস্তফা কামাল ফিলিং ষ্টেশনটি বুঝিয়ে দিতে একেএম আহসানুল হক ও রহিম ষ্টীলস কতৃপক্ষ বার বার তাগাদা দেয়া সত্বেও তারা বুঝিয়ে না দিয়ে জোর পূর্বক দখলের জন্য চেষ্টা করে আসছে। একেএম আহসানুল হক কোর্টে মিথ্যা মামলা দায়ের করে ফিলিং ষ্টেশনটি দখল করার চেষ্টা করে।

গত শনিবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৩ ইং) বিকেলে একেএম আহসানুল হক ও রহিম ষ্টীলস কতৃপক্ষ হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনের তিনদিকে ভারি উচু টিনের বেড়া দিয়ে জায়গাটি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে।

এ বিষয়ে রহিম ষ্টিলস কতৃপক্ষ কোন মন্তব্য করতে রাজী হয়নি। তবে রহিম ষ্টিলস মিলের কর্মচারিরা বলেন- রহিম ষ্টিলস মিলের মালিক আব্দুর রহিম মারা যাওয়ার পর তার সন্তান ও মেয়ের জামাইয়ের মধ্যে বিরোধের কারনে মেয়ের জামাই একেএম আহসানুল হক ও রহিম ষ্টীলস কতৃপক্ষ ফিলিং ষ্টেশনটি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে।

জানাগেছে, ফিলিং ষ্টেশনের জায়গাটি সড়ক ও জনপথ কতৃপক্ষের। এটি লীজ নিয়ে ফিলিং ষ্টেশন গড়ে তোলা হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ কতৃপক্ষের কর্মকর্তা সাহানা ফেরদৌস বলেন-সড়ক ও জনপথের জায়গা উন্মোক্ত ভাবে ব্যাবহার করতে হয়। যদি কেউ কোন ধরনের বেড়া বা দেয়াল নির্মান বা কাটাঁ তারের বেড়া দিয়ে জায়গাটি আটকে দেয়ার চেষ্টা করে তাহলে তা ভেঙ্গে দেয়া হবে। আমরা খোজঁ নিচ্ছি। অবশ্যই ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

রহিম ষ্টীলসের মেয়ের জামাই একেএম আহসানুল হক ও রহিম ষ্টীলস কতৃপক্ষের মাস্তান ও সন্ত্রাসীদের দখলের চেষ্টার কারনে ফিলিং ষ্টেশনটি গত কয়েক মাস ধরে লাখ লাখ টাকা লোকসান দিয়ে আসছে।

দেশের অন্যতম পরিবেশ দূষণকারী একটি প্রতিষ্ঠান হলো রহিম ষ্টীলস গ্রুপ। এটি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কাঁচপুর নয়াবাড়ি এলাকায় অবস্থিত। এই রহিম গ্রুপের কয়েকটি মিল-কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়া ও দূষিত বর্জ্যে এলাকার পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে এলাকায় শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে। সরেজমিন কাঁচপুর নয়াবাড়ি এলাকায় গিয়ে এমনই দৃশ্য চোখে পড়ে।

সরেজমিন দেখা যায়, রহিম গ্রুপের রহিম স্টিলসহ বিভিন্ন মিলের বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রহিম স্টীল মিলের কালো ধোঁয়া কয়েক কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। স্টিল মিল কর্তৃপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না এলাকাবাসীর।
কাচঁপুর শিল্পাঞ্চল পুরোটাই রহিম ষ্টীলের দোঁয়ায় আচ্ছন্ন থাকে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফলাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন ১৭টি জেলার হাজার হাজার গণপরিবহন, ট্রাকসহ নানা ধরনের যানবাহন চলাচল করে। মাঝে মাঝে কালো ধোঁয়ায় এ মহাসড়কেও যান-চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এ ছাড়া মিলটি আবাসিক এলাকাতে হওয়ায় এখানে হাজারো মানুষের বসবাস। রহিম স্টিল মিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কালো ধোঁয়া ও তরল বর্জ্য যেখানে-সেখানে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার হাজার হাজার মানুষ শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছে। অনেকেই এখান থেকে গিয়ে অন্যত্র বাসা নিচ্ছে। দ্রুত এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ চান এলাকাবাসী।

সম্পূর্ণ আবাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ স্টিল মিলটি হলেও প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতর ভয়াবহ পরিবেশ দূষণের বিষয়টি অজ্ঞাত কারণে গুরুত্ব দিচ্ছে না। কোন ব্যাবস্থাও নিচ্ছে না।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে কীভাবে কালো ধোঁয়া ছড়ায় এবং বিষাক্ত তরল বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলা হয়। হাফিজ নামে কাচঁপুর নয়াবাড়ি এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, কালো ধোঁয়ার কারণে দিন দিন আমাদের এলাকা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে। রহিম স্টিল মিলকে কয়েকবার বিষয়টি জানালেও তারা বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না। উল্টো তারা তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মিলটি নিয়ন্ত্রণ করায়। যাতে আমরা মিলটির বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলন করতে না পারি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

অপরাধি যেই হোক ছাড় পাবেনা : ওসি গোলাম মোস্তফা

রহিম ষ্টীলস পরিবেশ দুষনের পর, ফিলিং ষ্টেশন দখলের চেষ্টা

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৩

পরিবেশ দুষনের পর টিন ও তার কাটার বেড়া দিয়ে ফিলিং ষ্টেশন দখলের চেষ্টা করছে রহিম ষ্টীল

সোনারগাঁ প্রতিনিধিঃ-
সড়ক ও জনপথের জায়গা জোর পূর্বক দখল করে তার কাঁটার ও টিনের বেড়া দিয়ে আটকে দিয়েছে সোনারগাওঁয়ের কাচঁপুর এলাকায় অবস্থিত রড উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান রহিম ষ্টীলস্ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ। এতে ঐ স্থানে অবস্থিত হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশন এবং চলাচলের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এভাবে হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনটি দখলের চেষ্টা করছে রহিম ষ্টীলস্ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কাচঁপুর এলাকায় অবস্থিত রড উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান রহিম ষ্টীলস্ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ সম্প্রতি (৬ অক্টোবর ২০২১ ইং) হক সিএনজি ষ্টেশন নামে এ প্রতিষ্ঠানটির মালিকের মেয়ের জামাই একেএম আহসানুল হক তার নামে থাকা হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনটি ব্যাবসায়ী মোঃ মোস্তফা কামালের নিকট বিক্রি করেন। গত ৬ অক্টোবর ২০২১ ইং এ সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদন করা হয়। এর পর থেকে হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনের পূর্বের মালিক একেএম আহসানুল হক ও রহিম ষ্টীলস কতৃপক্ষ হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনটি বুঝিয়ে না দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে একে একে ফিলিং ষ্টেশনটি অকার্যকর করে ফেলে এবং এক পর্যায়ে ফিলিং ষ্টেশনের তিনদিকে কাটা তারের বেড়া দিয়ে আটকে দেয়।

এ নিয়ে হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনের বর্তমান মালিক মোঃ মোস্তফা কামাল ফিলিং ষ্টেশনটি বুঝিয়ে দিতে একেএম আহসানুল হক ও রহিম ষ্টীলস কতৃপক্ষ বার বার তাগাদা দেয়া সত্বেও তারা বুঝিয়ে না দিয়ে জোর পূর্বক দখলের জন্য চেষ্টা করে আসছে। একেএম আহসানুল হক কোর্টে মিথ্যা মামলা দায়ের করে ফিলিং ষ্টেশনটি দখল করার চেষ্টা করে।

গত শনিবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৩ ইং) বিকেলে একেএম আহসানুল হক ও রহিম ষ্টীলস কতৃপক্ষ হক সিএনজি এন্ড ফিলিং ষ্টেশনের তিনদিকে ভারি উচু টিনের বেড়া দিয়ে জায়গাটি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে।

এ বিষয়ে রহিম ষ্টিলস কতৃপক্ষ কোন মন্তব্য করতে রাজী হয়নি। তবে রহিম ষ্টিলস মিলের কর্মচারিরা বলেন- রহিম ষ্টিলস মিলের মালিক আব্দুর রহিম মারা যাওয়ার পর তার সন্তান ও মেয়ের জামাইয়ের মধ্যে বিরোধের কারনে মেয়ের জামাই একেএম আহসানুল হক ও রহিম ষ্টীলস কতৃপক্ষ ফিলিং ষ্টেশনটি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে।

জানাগেছে, ফিলিং ষ্টেশনের জায়গাটি সড়ক ও জনপথ কতৃপক্ষের। এটি লীজ নিয়ে ফিলিং ষ্টেশন গড়ে তোলা হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ কতৃপক্ষের কর্মকর্তা সাহানা ফেরদৌস বলেন-সড়ক ও জনপথের জায়গা উন্মোক্ত ভাবে ব্যাবহার করতে হয়। যদি কেউ কোন ধরনের বেড়া বা দেয়াল নির্মান বা কাটাঁ তারের বেড়া দিয়ে জায়গাটি আটকে দেয়ার চেষ্টা করে তাহলে তা ভেঙ্গে দেয়া হবে। আমরা খোজঁ নিচ্ছি। অবশ্যই ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

রহিম ষ্টীলসের মেয়ের জামাই একেএম আহসানুল হক ও রহিম ষ্টীলস কতৃপক্ষের মাস্তান ও সন্ত্রাসীদের দখলের চেষ্টার কারনে ফিলিং ষ্টেশনটি গত কয়েক মাস ধরে লাখ লাখ টাকা লোকসান দিয়ে আসছে।

দেশের অন্যতম পরিবেশ দূষণকারী একটি প্রতিষ্ঠান হলো রহিম ষ্টীলস গ্রুপ। এটি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কাঁচপুর নয়াবাড়ি এলাকায় অবস্থিত। এই রহিম গ্রুপের কয়েকটি মিল-কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়া ও দূষিত বর্জ্যে এলাকার পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে এলাকায় শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে। সরেজমিন কাঁচপুর নয়াবাড়ি এলাকায় গিয়ে এমনই দৃশ্য চোখে পড়ে।

সরেজমিন দেখা যায়, রহিম গ্রুপের রহিম স্টিলসহ বিভিন্ন মিলের বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রহিম স্টীল মিলের কালো ধোঁয়া কয়েক কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। স্টিল মিল কর্তৃপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না এলাকাবাসীর।
কাচঁপুর শিল্পাঞ্চল পুরোটাই রহিম ষ্টীলের দোঁয়ায় আচ্ছন্ন থাকে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফলাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন ১৭টি জেলার হাজার হাজার গণপরিবহন, ট্রাকসহ নানা ধরনের যানবাহন চলাচল করে। মাঝে মাঝে কালো ধোঁয়ায় এ মহাসড়কেও যান-চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এ ছাড়া মিলটি আবাসিক এলাকাতে হওয়ায় এখানে হাজারো মানুষের বসবাস। রহিম স্টিল মিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কালো ধোঁয়া ও তরল বর্জ্য যেখানে-সেখানে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার হাজার হাজার মানুষ শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছে। অনেকেই এখান থেকে গিয়ে অন্যত্র বাসা নিচ্ছে। দ্রুত এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ চান এলাকাবাসী।

সম্পূর্ণ আবাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ স্টিল মিলটি হলেও প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতর ভয়াবহ পরিবেশ দূষণের বিষয়টি অজ্ঞাত কারণে গুরুত্ব দিচ্ছে না। কোন ব্যাবস্থাও নিচ্ছে না।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে কীভাবে কালো ধোঁয়া ছড়ায় এবং বিষাক্ত তরল বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলা হয়। হাফিজ নামে কাচঁপুর নয়াবাড়ি এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, কালো ধোঁয়ার কারণে দিন দিন আমাদের এলাকা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে। রহিম স্টিল মিলকে কয়েকবার বিষয়টি জানালেও তারা বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না। উল্টো তারা তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মিলটি নিয়ন্ত্রণ করায়। যাতে আমরা মিলটির বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলন করতে না পারি।