নারায়ণগঞ্জ ০৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাষাসৈনিক আয়েশা বেগমের প্রয়াণ: তিন দফা জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান উৎসব উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি: ফতুল্লার সুন্দরবন রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা রোধে নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিসি মো:রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে ২ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে নির্মাণ সামগ্রী লুটের অভিযোগ যুবদল নেতার ২০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী

আড়াইহাজারে চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মা- ছেলেকে রাত ভর নির্মম নির্যাতন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২
  • ২৪১ বার পড়া হয়েছে

রফিক রানা,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মিথ্যা সিঁধ কাটার ঘটনা সাজিয়ে নীরিহ মা ও ছেলেকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে রাত ভর নির্মম নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় মা আয়েশা বেগম (৪৫) আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। ছেলে সোহাগ (২৫) ওই হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের লতব্দী গ্রামে। এ ব্যাপারে আহত সোহাগ বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগের সূত্রে জানা যায় যে, একই গ্রামের মৃত তারামিয়ার ছেলে জালাল এবং মৃত সাধুর ছেলে আলীর সঙ্গে আয়েশা বেগমের প্রতিবন্ধী মেয়ের বিয়ের বিষয়ে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে। এরই মধ্যে  জালাল ও আলী আয়েশাকে দেখে নিবে বলে হুমকী দেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে আয়েশা এবং তার ছেলে সোহাগ কে ঘুম থেকে তুলে নেয় জালাল, আলী সহ কয়েকজন। তাদেরকে একই গ্রামের ছানার বারিতে নিয়ে গিয়ে জালাল এবং আলী বলে যে তোরা ছানার তাঁতের ঘরে সিঁধ কেটেছিস। এই কথা বলে মা- ছেলেকে তারা এলোপাথারী ভাবে লাঠিসোটা দিয়ে পিটাতে থাকে। এক সময় আয়েশা অজ্ঞান হয়ে পড়লে নির্যাতনকারীরা তাদেরকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে চলে যায়।

এর পর আহত ছেলে সোহাগ তার মা কে সুশ্রষা করে কিছুটা সুস্থ্য হলে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করেন। সোহাগ নিজেও প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।

আড়াইহাজার থানার ডিউটি অফিসার এস আই আবু বকর অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়টি এস আই মামুন মিয়া তদন্ত করবেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাষাসৈনিক আয়েশা বেগমের প্রয়াণ: তিন দফা জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন

আড়াইহাজারে চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মা- ছেলেকে রাত ভর নির্মম নির্যাতন

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

রফিক রানা,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মিথ্যা সিঁধ কাটার ঘটনা সাজিয়ে নীরিহ মা ও ছেলেকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে রাত ভর নির্মম নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় মা আয়েশা বেগম (৪৫) আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। ছেলে সোহাগ (২৫) ওই হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের লতব্দী গ্রামে। এ ব্যাপারে আহত সোহাগ বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগের সূত্রে জানা যায় যে, একই গ্রামের মৃত তারামিয়ার ছেলে জালাল এবং মৃত সাধুর ছেলে আলীর সঙ্গে আয়েশা বেগমের প্রতিবন্ধী মেয়ের বিয়ের বিষয়ে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে। এরই মধ্যে  জালাল ও আলী আয়েশাকে দেখে নিবে বলে হুমকী দেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে আয়েশা এবং তার ছেলে সোহাগ কে ঘুম থেকে তুলে নেয় জালাল, আলী সহ কয়েকজন। তাদেরকে একই গ্রামের ছানার বারিতে নিয়ে গিয়ে জালাল এবং আলী বলে যে তোরা ছানার তাঁতের ঘরে সিঁধ কেটেছিস। এই কথা বলে মা- ছেলেকে তারা এলোপাথারী ভাবে লাঠিসোটা দিয়ে পিটাতে থাকে। এক সময় আয়েশা অজ্ঞান হয়ে পড়লে নির্যাতনকারীরা তাদেরকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে চলে যায়।

এর পর আহত ছেলে সোহাগ তার মা কে সুশ্রষা করে কিছুটা সুস্থ্য হলে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করেন। সোহাগ নিজেও প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।

আড়াইহাজার থানার ডিউটি অফিসার এস আই আবু বকর অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়টি এস আই মামুন মিয়া তদন্ত করবেন।