নারায়ণগঞ্জ ১২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চা শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ১৭০ টাকা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২২
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৭ আগস্ট) চা শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে বাগান মালিকদের সঙ্গে গণভবনে আলোচনায় বসেন প্রধানমন্ত্রী। তাতে চা শ্রমিকদের মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণের নির্দেশনা দেন তিনি।

এদিন বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া বৈঠকে দেশের বৃহৎ ১৩ চা বাগানের মালিক উপস্থিত ছিলেন। দৈনিক ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে ৯ আগস্ট থেকে দুই ঘণ্টা করে কর্মবিরতি এবং পরে ১৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালন করছেন চা শ্রমিকরা। প্রশাসন থেকে শুরু করে চা শ্রমিক সংগঠনের নেতারা শ্রমিকদের কাজে যোগদান করতে নানা কৌশল ও বৈঠক করলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা ছাড়া কাজে যোগদান করবেন না বলে তারা সাফ জানিয়ে দেন।

এদিকে ভরা মৌসুমে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের টানা ১৭ দিনের আন্দোলনের কারণে কয়েকশ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে চা শিল্পে। শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রথম দিকে সব চা বাগানে উত্তোলন করা কাঁচা চায়ের পাতা সময়মতো প্রক্রিয়াজাত করতে না পারায় পচে ও শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া চা প্ল্যান্টেশন এলাকা থেকে কচি চা পাতা তুলতে না পারায় সেগুলোও এক থেকে দেড় ফুট লম্বা হয়ে গেছে। এ পাতা চায়ের জন্য প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব নয়।

মুখ্য সচিব বলেন, দৈনিক ১৭০ টাকা সর্বনিম্ন মজুরির সঙ্গে বোনাস, বার্ষিক ছুটি ভাতা আনুপাতিক হারে বাড়বে। বেতনসহ উৎসব ছুটি আনুপাতিক হারে বাড়বে। অসুস্থতাজনিত ছুটির টাকা ও ভবিষ্যত তহবিলে নিয়োগকর্তার চাঁদা আনুপাতিক হারে বাড়বে। বার্ষিক উৎসব ভাতাও আনুপাতিক হারে বাড়বে।

তিনি আরও জানান, কাল থেকে শ্রমিকদের কাজে যোগ দেয়ার অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। শিগগিরই ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন শেখ হাসিনা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চা শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ১৭০ টাকা

আপডেট সময় : ০২:০৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২২

অনলাইন ডেস্ক : চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৭ আগস্ট) চা শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে বাগান মালিকদের সঙ্গে গণভবনে আলোচনায় বসেন প্রধানমন্ত্রী। তাতে চা শ্রমিকদের মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণের নির্দেশনা দেন তিনি।

এদিন বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া বৈঠকে দেশের বৃহৎ ১৩ চা বাগানের মালিক উপস্থিত ছিলেন। দৈনিক ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে ৯ আগস্ট থেকে দুই ঘণ্টা করে কর্মবিরতি এবং পরে ১৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালন করছেন চা শ্রমিকরা। প্রশাসন থেকে শুরু করে চা শ্রমিক সংগঠনের নেতারা শ্রমিকদের কাজে যোগদান করতে নানা কৌশল ও বৈঠক করলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা ছাড়া কাজে যোগদান করবেন না বলে তারা সাফ জানিয়ে দেন।

এদিকে ভরা মৌসুমে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের টানা ১৭ দিনের আন্দোলনের কারণে কয়েকশ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে চা শিল্পে। শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রথম দিকে সব চা বাগানে উত্তোলন করা কাঁচা চায়ের পাতা সময়মতো প্রক্রিয়াজাত করতে না পারায় পচে ও শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া চা প্ল্যান্টেশন এলাকা থেকে কচি চা পাতা তুলতে না পারায় সেগুলোও এক থেকে দেড় ফুট লম্বা হয়ে গেছে। এ পাতা চায়ের জন্য প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব নয়।

মুখ্য সচিব বলেন, দৈনিক ১৭০ টাকা সর্বনিম্ন মজুরির সঙ্গে বোনাস, বার্ষিক ছুটি ভাতা আনুপাতিক হারে বাড়বে। বেতনসহ উৎসব ছুটি আনুপাতিক হারে বাড়বে। অসুস্থতাজনিত ছুটির টাকা ও ভবিষ্যত তহবিলে নিয়োগকর্তার চাঁদা আনুপাতিক হারে বাড়বে। বার্ষিক উৎসব ভাতাও আনুপাতিক হারে বাড়বে।

তিনি আরও জানান, কাল থেকে শ্রমিকদের কাজে যোগ দেয়ার অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। শিগগিরই ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন শেখ হাসিনা।