নারায়ণগঞ্জ ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অস্ত্র মামলায় মিশনপাড়ার নাজমুলকে ১০ বছরের কারাদণ্ড বন্দরে এক রোহিঙ্গা যুবককে ৪হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত ১ লাখ টাকা ফতুল্লার ক্লু-লেস হত্যার রহস্য উদঘাটনসহ প্রধান আসামিকে গ্রেফতার র‌্যাব-১১ বানিজ্য মেলায় দর্শনার্থীদের সেবা দিতে ডিকেএমসি হাসপাতালের অধ্যাপক ডাক্তার এম এ কাশেম কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের উদ্যোগে সেবা সপ্তাহ পালন শিমরাইলে অলিতে-গলিতে মাদক, নেই প্রশাসনের নজরদারী সিদ্ধিরগঞ্জে ভাসুরের বটির কুপে কব্জি হারালেন সাবিনা, গ্রেফতার-২ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এর  শিক্ষার্থীদের নবীন বরন অনুষ্টান রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার উপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন বিক্ষোভ

আড়াইহাজারে নিক্রিয়দের দৌরাত্মে তৃণমূলে ক্ষোভের ছায়া

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘদিন ধরে নেই আড়াইহাজার উপজেলা যুবদল কমিটি।অনেকটা অভিভাবকহীন ভাবেই চলছে আড়াইহাজার উপজেলা যুবদল।এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য যেকোন মূহুর্তে ঘোষণা হতে পারে বহু কাঙ্গিত যুবদল কমিটি। শেষ মূহুর্তে খতিয়ে দেখছেন পদ প্রত্যাশিত নেতাদের ফিরিস্তি। এক্ষেত্রে যার যত রাজপথের ফিরিস্তি ভারি হবে তার কাঙ্গিত পদ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।তবে আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদ নিয়ে তৃণমূলে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল।কে আসছেন আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদে। এমন প্রশ্ন ঘুরে ফিরে ঘুরপাক খাচ্ছে তৃণমূলে।তবে বর্তমান আড়াইহাজার উপজেলায় চারটি বলয় বিদ্যমান থাকলেও অঙ্গসংগঠন এর কমিটি বাগিয়ে নিতে তোরজোর করছেন মাত্র দুটি বলয়। সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান আঙ্গুর বলয় ও মহিলা নেত্রী পারভিন আক্তার অঙ্গসংগঠনের কমিটির বেলায় তেমন তোরজোর না করলেও কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ ও আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদুর রহমান সুমনের বলয় থেকে প্রায় একডজন যুবদল নেতা শীর্ষ পদ আহবায়ক ও সদস্য সচিব পদ বাগিয়ে নিতে দৌঁড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন।দারস্ত হচ্ছে নীতিনির্ধারকদের কাছে।করে যাচ্ছেন লবিং ও তদবির।

তবে এ ক্ষেত্রে আলোচনায় আছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি সালাউদ্দিন চৌধুরী। যুবদলের থানা পর্যায়ের কমিটি গঠন নিয়মাবলি মতে তিনি আহবায়ক কিংবা সদস্য সচিব হতে পারবেন না।তাছাড়া জেলা যুবদলের রাজনীতিতে ওয়ানম্যান নেতা হিসেবে সক্রিয় থাকলেও আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের রাজনীতিতে তিনি জিরো।তার নেতৃত্বে বিগত দিনে আড়াইহাজারে একটি কর্মসূচী হয়েছে এমন কোন নজির দেখেনি তৃণমূল।তাছাড়া তিনি নামে মাত্র সুমন বলয়ের কর্মী হলেও রাতের আধারে যোগসূত্র বজায় রাখছেন আঙ্গুর ও আজাদ বলয়ে। গুটিকয়েক সালাউদ্দিন সমর্থক স্বপ্নে বিভোর তিনি হচ্ছেন আহবায়ক।

সুমন বলয়ের আরেক পদ প্রত্যাশি নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির।তিনি আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের রাজনীতিতে নিঃসন্দেহে এ্যাক্টিভ নেতা।সুমন বলয়ের একাংশের নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন জহির।তবে এ একাংশে অভিজ্ঞ কোন যুবদল নেতা নেই বলেই চলে।তাছাড়া বিএনপির এই দুঃসময়ে প্রতিটি নেতার নামে ডজন ডজন মামলা থাকলেও তিনি আছেন মামলা হামলা থেকে সেভ জোনে।তবে জহির একজন দক্ষ সংগঠক।তার নেতৃত্ব নিয়ে এগিয়ে যেতে সুমন বলয়ের একাংশ ইচ্ছাপোষণ করলেও তিনি জেলা যুবদলের নীতিনির্ধারকদের কাছে সদস্য পদ চেয়ে ফরম জমা দিয়েছেন।তবে নীতিনির্ধারকদের সিন্ধান্তে ও আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের স্বার্থে তিনি যেকোন পদের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত বলে জানা যায়।

আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের আহবায়ক প্রত্যাশি আরেক ক্লিন ইমেজধারী নেতা হলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের ক্রীড়া বিষয়ক সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ শব্দর আলি। বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকতে গিয়ে তিনি শিকার হয়েছেন প্রায় একডজন মামলা।মামলার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে আর্থিকভাবে হয়েছেন বেশ ক্ষতিগ্রস্ত।আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সুমন বলয়ের সিনিয়র বেশিরভাগ নেতাই শব্দর আলির নিয়ন্ত্রনে চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।যার রয়েছে বিরাট এক কর্মী বলয়।তৃণমূলে কেউ কেউ শব্দর আলিকেও দেখতে চান আহবায়ক পদে।তারা মনে করেন শব্দর আলি আহবায়ক হলে আড়াইহাজার উপজেলা যুবদল হবে সুংগঠিত ও সুসজ্জিত।

এছাড়াও আজাদ বলয়ের ভিপি কবির হোসেন, বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মাসুম শিকারি, আজহারুল ইসলাম লাভলু বেশ আলোনায় আছেন।তারা প্রত্যেকেই আড়াইহাজার যুবদলের রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজধারী নেতা হিসেবে পরিচিত।রয়েছে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক রাজনৈতিক মামলা।মাসের মধ্যে হাজিরা দিতে আসতে হয় কয়েকবার নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায়।তৃণমূলের কেউ কেউ চান তারাও আসুক আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদে।তাদের প্রত্যাশা সেচ্ছাসেবকদল কমিটির মতো যুবদলেও তাদের আধিপত্য বজায় থাকবে।তৃণমূলের দাবি আড়াইহাজার বিএনপিকে অস্থিত্ব সংকটের হাত থেকে রক্ষা করতে ও আড়াইহাজার যুবলীগের সঙ্গে টক্কর দিতে আজাদ বলয়ের নেতাকর্মীদের যুবদলেরর শীর্ষ পদে অবশ্যই দরকার।তাহলে আড়াইহাজার যুবদল হবে আগামিতে চাঙ্গা ও সংগঠিত।

এদের ছাড়াও মোঃ কামাল, জাকির হোসেন,আল আমিনের মতো একাধিক নিক্রিয় ও বিতর্কিত যুবদল নেতা করে যাচ্ছেন দাবি শীর্ষ পদ আহবায়ক ও সদস্য সচিব।যাদের কেউ সরাসরি আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান আবার কেউ আতাতের রাজনীতিতে জড়িত।তবে এদের মধ্যে কামালের বিরুদ্ধে সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আতাঁতের অভিযোগ।যিনি আড়াইহাজার বিএনপিতে হাইব্রীড মার্কা নেতা হিসেবেই পরিচিত।বড় কোন নেতা পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ আপলোড করে নিজেকে জাহির করে চলেছেন তিনি বড় মাপের কোন নেতা।তৃণমূলের অনেকে তাকে ফেইসবুক নেতা হিসেবেও চিনে থাকেন।যার নেই আড়াইহাজারে কোন কর্মী বলয়।অনেকটা ঢাল বিহীন তলোয়ার বিহীন নিধিরাম সর্দারের মতো।যিনি দাবি করে আসছেন সদস্য সচিব পদ।তৃণমূলের ভাষ্যমতে,স্বপ্ন দেখা ভাল, তবে পরিপক্ক ও পরিপূর্ণ বয়সে স্বপ্ন দেখলে তা বাস্তবে রুপায়িত হবে।নইলে আশায় ঘুরে বালি হবে।

তবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ মোতাবেক মাঠের রাজনীতি করা, সাংগঠনিক দক্ষতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মামলা হামলার শিকার প্রকৃত নেতাদের হাতেই দায়িত্ব দেয়া হবে যুবদলের।চলতি মাসের ১৯ সেপ্টেম্বর র্ভাচ্যুয়াল কনফারেন্সর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতৃবৃন্দদের এই নির্দেশ প্রদান করেন তারেক রহমান বলে জানান একটি সূত্র।সূত্র আরও জানায়, ঢাকার পাশ^বর্তী জেলা ও উপজেলা গুলোকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করার জন্য ইতিমধ্যে তারেক রহমানের নির্দেশে মাঠে নেমেছেন তার প্রতিনিধি দল। আর তাদের তথ্যের ভিত্তিতেই করা নেতাকর্মীদের পদায়িত।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ত্র মামলায় মিশনপাড়ার নাজমুলকে ১০ বছরের কারাদণ্ড

আড়াইহাজারে নিক্রিয়দের দৌরাত্মে তৃণমূলে ক্ষোভের ছায়া

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

দীর্ঘদিন ধরে নেই আড়াইহাজার উপজেলা যুবদল কমিটি।অনেকটা অভিভাবকহীন ভাবেই চলছে আড়াইহাজার উপজেলা যুবদল।এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য যেকোন মূহুর্তে ঘোষণা হতে পারে বহু কাঙ্গিত যুবদল কমিটি। শেষ মূহুর্তে খতিয়ে দেখছেন পদ প্রত্যাশিত নেতাদের ফিরিস্তি। এক্ষেত্রে যার যত রাজপথের ফিরিস্তি ভারি হবে তার কাঙ্গিত পদ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।তবে আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদ নিয়ে তৃণমূলে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল।কে আসছেন আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদে। এমন প্রশ্ন ঘুরে ফিরে ঘুরপাক খাচ্ছে তৃণমূলে।তবে বর্তমান আড়াইহাজার উপজেলায় চারটি বলয় বিদ্যমান থাকলেও অঙ্গসংগঠন এর কমিটি বাগিয়ে নিতে তোরজোর করছেন মাত্র দুটি বলয়। সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান আঙ্গুর বলয় ও মহিলা নেত্রী পারভিন আক্তার অঙ্গসংগঠনের কমিটির বেলায় তেমন তোরজোর না করলেও কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ ও আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদুর রহমান সুমনের বলয় থেকে প্রায় একডজন যুবদল নেতা শীর্ষ পদ আহবায়ক ও সদস্য সচিব পদ বাগিয়ে নিতে দৌঁড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন।দারস্ত হচ্ছে নীতিনির্ধারকদের কাছে।করে যাচ্ছেন লবিং ও তদবির।

তবে এ ক্ষেত্রে আলোচনায় আছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি সালাউদ্দিন চৌধুরী। যুবদলের থানা পর্যায়ের কমিটি গঠন নিয়মাবলি মতে তিনি আহবায়ক কিংবা সদস্য সচিব হতে পারবেন না।তাছাড়া জেলা যুবদলের রাজনীতিতে ওয়ানম্যান নেতা হিসেবে সক্রিয় থাকলেও আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের রাজনীতিতে তিনি জিরো।তার নেতৃত্বে বিগত দিনে আড়াইহাজারে একটি কর্মসূচী হয়েছে এমন কোন নজির দেখেনি তৃণমূল।তাছাড়া তিনি নামে মাত্র সুমন বলয়ের কর্মী হলেও রাতের আধারে যোগসূত্র বজায় রাখছেন আঙ্গুর ও আজাদ বলয়ে। গুটিকয়েক সালাউদ্দিন সমর্থক স্বপ্নে বিভোর তিনি হচ্ছেন আহবায়ক।

সুমন বলয়ের আরেক পদ প্রত্যাশি নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির।তিনি আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের রাজনীতিতে নিঃসন্দেহে এ্যাক্টিভ নেতা।সুমন বলয়ের একাংশের নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন জহির।তবে এ একাংশে অভিজ্ঞ কোন যুবদল নেতা নেই বলেই চলে।তাছাড়া বিএনপির এই দুঃসময়ে প্রতিটি নেতার নামে ডজন ডজন মামলা থাকলেও তিনি আছেন মামলা হামলা থেকে সেভ জোনে।তবে জহির একজন দক্ষ সংগঠক।তার নেতৃত্ব নিয়ে এগিয়ে যেতে সুমন বলয়ের একাংশ ইচ্ছাপোষণ করলেও তিনি জেলা যুবদলের নীতিনির্ধারকদের কাছে সদস্য পদ চেয়ে ফরম জমা দিয়েছেন।তবে নীতিনির্ধারকদের সিন্ধান্তে ও আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের স্বার্থে তিনি যেকোন পদের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত বলে জানা যায়।

আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের আহবায়ক প্রত্যাশি আরেক ক্লিন ইমেজধারী নেতা হলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের ক্রীড়া বিষয়ক সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ শব্দর আলি। বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকতে গিয়ে তিনি শিকার হয়েছেন প্রায় একডজন মামলা।মামলার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে আর্থিকভাবে হয়েছেন বেশ ক্ষতিগ্রস্ত।আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সুমন বলয়ের সিনিয়র বেশিরভাগ নেতাই শব্দর আলির নিয়ন্ত্রনে চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।যার রয়েছে বিরাট এক কর্মী বলয়।তৃণমূলে কেউ কেউ শব্দর আলিকেও দেখতে চান আহবায়ক পদে।তারা মনে করেন শব্দর আলি আহবায়ক হলে আড়াইহাজার উপজেলা যুবদল হবে সুংগঠিত ও সুসজ্জিত।

এছাড়াও আজাদ বলয়ের ভিপি কবির হোসেন, বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মাসুম শিকারি, আজহারুল ইসলাম লাভলু বেশ আলোনায় আছেন।তারা প্রত্যেকেই আড়াইহাজার যুবদলের রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজধারী নেতা হিসেবে পরিচিত।রয়েছে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক রাজনৈতিক মামলা।মাসের মধ্যে হাজিরা দিতে আসতে হয় কয়েকবার নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায়।তৃণমূলের কেউ কেউ চান তারাও আসুক আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের শীর্ষ পদে।তাদের প্রত্যাশা সেচ্ছাসেবকদল কমিটির মতো যুবদলেও তাদের আধিপত্য বজায় থাকবে।তৃণমূলের দাবি আড়াইহাজার বিএনপিকে অস্থিত্ব সংকটের হাত থেকে রক্ষা করতে ও আড়াইহাজার যুবলীগের সঙ্গে টক্কর দিতে আজাদ বলয়ের নেতাকর্মীদের যুবদলেরর শীর্ষ পদে অবশ্যই দরকার।তাহলে আড়াইহাজার যুবদল হবে আগামিতে চাঙ্গা ও সংগঠিত।

এদের ছাড়াও মোঃ কামাল, জাকির হোসেন,আল আমিনের মতো একাধিক নিক্রিয় ও বিতর্কিত যুবদল নেতা করে যাচ্ছেন দাবি শীর্ষ পদ আহবায়ক ও সদস্য সচিব।যাদের কেউ সরাসরি আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান আবার কেউ আতাতের রাজনীতিতে জড়িত।তবে এদের মধ্যে কামালের বিরুদ্ধে সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আতাঁতের অভিযোগ।যিনি আড়াইহাজার বিএনপিতে হাইব্রীড মার্কা নেতা হিসেবেই পরিচিত।বড় কোন নেতা পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ আপলোড করে নিজেকে জাহির করে চলেছেন তিনি বড় মাপের কোন নেতা।তৃণমূলের অনেকে তাকে ফেইসবুক নেতা হিসেবেও চিনে থাকেন।যার নেই আড়াইহাজারে কোন কর্মী বলয়।অনেকটা ঢাল বিহীন তলোয়ার বিহীন নিধিরাম সর্দারের মতো।যিনি দাবি করে আসছেন সদস্য সচিব পদ।তৃণমূলের ভাষ্যমতে,স্বপ্ন দেখা ভাল, তবে পরিপক্ক ও পরিপূর্ণ বয়সে স্বপ্ন দেখলে তা বাস্তবে রুপায়িত হবে।নইলে আশায় ঘুরে বালি হবে।

তবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ মোতাবেক মাঠের রাজনীতি করা, সাংগঠনিক দক্ষতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মামলা হামলার শিকার প্রকৃত নেতাদের হাতেই দায়িত্ব দেয়া হবে যুবদলের।চলতি মাসের ১৯ সেপ্টেম্বর র্ভাচ্যুয়াল কনফারেন্সর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতৃবৃন্দদের এই নির্দেশ প্রদান করেন তারেক রহমান বলে জানান একটি সূত্র।সূত্র আরও জানায়, ঢাকার পাশ^বর্তী জেলা ও উপজেলা গুলোকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করার জন্য ইতিমধ্যে তারেক রহমানের নির্দেশে মাঠে নেমেছেন তার প্রতিনিধি দল। আর তাদের তথ্যের ভিত্তিতেই করা নেতাকর্মীদের পদায়িত।