নারায়ণগঞ্জ ০৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও ষষ্ঠ দিনে বেড়েছে রাস্তায় চলাচল

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুলাই ২০২১
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক ॥ কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষনা করেছে।আজ চলছে কঠোর বিধিনিষেধের ষষ্ঠ দিন । আগের দিনগুলোর তুলনায় আজ রাস্তায় বেশি মানুষের চলাচল দেখা যাচ্ছে। কঠোর বিধিনিষেধের ষষ্ঠ দিনেও বেশ সক্রিয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাস্তায় চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

লকডাউনের শুরু থেকেই বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত, পুলিশ, সেনাবাহিনী, ও বিজিবি সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অযৌক্তিক কারণে বের হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত গ্রেফতার ও জরিমানা করছেন। এ ছাড়া জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিতরা পরিচয়পত্র দেখানো ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তল্লাশির সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানালে তারা তাদের গন্তব্যে বা কর্মস্থলে যেতে পারছেন।

আজও সেনাবাহিনী ও বিজিবি টহল অব্যাহত রয়েছে। রাজধানীসহ সব মহাসড়কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-এর নেতৃত্বে মোবাইল টিম টহল দিচ্ছে।

কঠোর বিধিনিষেধের ষষ্ঠ দিনেও বেশ সক্রিয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মোড়ে মোড়ে আছে পুলিশের চেকপোস্ট। বিভিন্ন চেকপোস্টে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছে। গত পাঁচ দিনের মতো আজও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যারা বাইরে বের হচ্ছেন তাদের সচেতনতার পাশাপাশি আর্থিক জরিমানা ও মামলা করছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

তবে বিধিনিষেধ না মানার প্রবণতা দেখা গেছে মানুষের মধ্যে। অনেকেই ঘর থেকে রাস্তায় বের হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার মুখোমুখি হচ্ছেন। অনেকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে । অনেককে আটক করা হচ্ছে।

মোড়ে মোড়ে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করছে। বিনা কারণে বাইরে আসলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। অনেককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হচ্ছে। প্রকৃত কারণ যাচাই করে অনেককে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় সর্বাত্মক কঠোর লকডাউনের নির্দেশনা জারি করে সরকার। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হলে মাস্ক পরে এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরার কথাও বলা হয় নির্দেশনায়। বন্ধ রয়েছে সরকারী, আধাসরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত সব অফিস। ১৪ জুলাই পর্যন্ত চলবে কঠোর লকডাউন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও ষষ্ঠ দিনে বেড়েছে রাস্তায় চলাচল

আপডেট সময় : ০৬:১৮:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুলাই ২০২১

অনলাইন ডেস্ক ॥ কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষনা করেছে।আজ চলছে কঠোর বিধিনিষেধের ষষ্ঠ দিন । আগের দিনগুলোর তুলনায় আজ রাস্তায় বেশি মানুষের চলাচল দেখা যাচ্ছে। কঠোর বিধিনিষেধের ষষ্ঠ দিনেও বেশ সক্রিয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাস্তায় চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

লকডাউনের শুরু থেকেই বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত, পুলিশ, সেনাবাহিনী, ও বিজিবি সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অযৌক্তিক কারণে বের হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত গ্রেফতার ও জরিমানা করছেন। এ ছাড়া জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিতরা পরিচয়পত্র দেখানো ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তল্লাশির সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানালে তারা তাদের গন্তব্যে বা কর্মস্থলে যেতে পারছেন।

আজও সেনাবাহিনী ও বিজিবি টহল অব্যাহত রয়েছে। রাজধানীসহ সব মহাসড়কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-এর নেতৃত্বে মোবাইল টিম টহল দিচ্ছে।

কঠোর বিধিনিষেধের ষষ্ঠ দিনেও বেশ সক্রিয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মোড়ে মোড়ে আছে পুলিশের চেকপোস্ট। বিভিন্ন চেকপোস্টে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছে। গত পাঁচ দিনের মতো আজও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যারা বাইরে বের হচ্ছেন তাদের সচেতনতার পাশাপাশি আর্থিক জরিমানা ও মামলা করছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

তবে বিধিনিষেধ না মানার প্রবণতা দেখা গেছে মানুষের মধ্যে। অনেকেই ঘর থেকে রাস্তায় বের হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার মুখোমুখি হচ্ছেন। অনেকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে । অনেককে আটক করা হচ্ছে।

মোড়ে মোড়ে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করছে। বিনা কারণে বাইরে আসলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। অনেককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হচ্ছে। প্রকৃত কারণ যাচাই করে অনেককে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় সর্বাত্মক কঠোর লকডাউনের নির্দেশনা জারি করে সরকার। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হলে মাস্ক পরে এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরার কথাও বলা হয় নির্দেশনায়। বন্ধ রয়েছে সরকারী, আধাসরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত সব অফিস। ১৪ জুলাই পর্যন্ত চলবে কঠোর লকডাউন।