নারায়ণগঞ্জ ০২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভা ও ৫০ বন্দিকে গার্মেন্টস কর্মে প্রশিক্ষণ নারায়ণগঞ্জে খাজা সুপার মার্কেটে জুয়ার আসরে পুলিশ সুপারের অভিযান, আটক ২৮ আত্মকর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা: নারায়ণগঞ্জ সদরে মাশরুম চাষ প্রশিক্ষণ শুরু রিয়াদে বাপ্রসাফের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা : গান-কবিতা-আবৃত্তিতে প্রবাসী সাংবাদিক ও বাংলাদেশিদের মিলনমেলা সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে অপহরণ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ১১ ডিআইটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল আরএফএল ‘ডেইলি শপ’ ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকল উপজেলায় একযোগে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুসন্ধানভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘নারায়ণগঞ্জ ওয়াচ ডগ’-এর পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু রূপগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৫ জন আটক নারায়ণগঞ্জে এসপির নেতৃত্বে ৩০০ ফিটে মধ্যরাতের চেকপোস্ট, ৬ জন আটক

ঈদ সহায়তার নামে দরিদ্র জনগনের সাথে তামাশা করবেন না : ন্যাপ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ এপ্রিল ২০২১
  • ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি :  মুজিববর্ষ উপলক্ষে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের ১ কোটি ৯ হাজার ৯৪৯টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার সংবাদটি দেখে অনেকের মুখে হাসি ফুটলেও তা আবার নিভিয়ে গেছে। বরং প্রশ্ন উঠেছে এটা কি ‘সহায়তা নাকি তামাশা’ বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, ঈদ সহায়তার নামে দেশের দরিদ্র জনগনের সাথে তামাশা করবেন না। দরিদ্র জনগনের সাথে তামাশা করার অধিকার কারো নাই।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি হতে যানা যায় যে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর আনন্দের সঙ্গে উদযাপনে অসহায়, দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এক্ষেত্রে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ, দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। চলমান করোনা পরিস্থিতিতে পবিত্র রমজানের প্রাক্কালে প্রদত্ত এ সহায়তা অতিদরিদ্র্য পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, মন্ত্রনালয় প্রতি পরিবারকে ১০কেজি চালের মূল্যের সমপরিমাণ ৪৫০ টাকা করে প্রদান করবে। আর এর মাধ্যমেই প্রমানিত হয় সরকারের এই মন্ত্রনালয়ের আজকের সামাজিক বাস্তবতা সম্পর্কে কোন জ্ঞান নেই। তারা কি বলতে পারবে ৪৫ টাকা কেজি দরে চাল এখন কোথায় পাওয়া যায় ? পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা মানে গড়ে পরিবারের সদস্যপ্রতি বা জনপ্রতি শ’খানেক টাকা। তাও ভিজিএফ কার্ডের আওতায়। তা দিয়ে ঐ পরিবারের মুখে কি ধরনের হাসি ফুটতে পারে ? অথবা ক্রয় ক্ষমতা কতটুকু বৃদ্ধি পেতে পারে ?

তারা আরো বলেন, এ ধরনের প্রকল্প এদেশে যুগ যুগ ধরেই চলমান। এর সঙ্গে ‘ঈদ’ ও ‘মুজিববর্ষ’কে যুক্ত করে বাহারি শিরোনাম দিয়ে প্রচারের মাধ্যমে আসলে কি তারা তাদের কোন ব্যর্থতা আড়ালের চেষ্টা করছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা উচিত। মন্ত্রনালয়ের কর্তাব্যাক্তিরা হয়তো জানেইনা যে এখন একজন দিনমজুর দৈনিক ৬০০টাকা রোজগার করেন। তাহলে এই টাকা দেয়ার নামে কি মন্ত্রনালয় দরিদ্র জনগনের ঠাট্টায় লিপ্ত হচ্ছেন ?

নেতৃদ্বয় বলেন, পরিবারপ্রতি এককালীন ৪৫০ টাকা পাওয়ার জন্য তাদের কার কার পেছনে ঘুরতে হবে, কতটাকা খরচ করতে হবে এই প্রশ্নগুলোর কোন উত্তর কি তাদের জানা আছে ? নাকি মাঠ পর্যায়ে এই বিশাল অংকের অর্থ লুটপাটের জন্যই ‘ঈদ’ ও ‘মুজিববর্ষ’কে যুক্ত করে বাহারি শিরোনাম ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা তা সরকার প্রধানকে এখনই তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। অন্যথায় এই টাকা লুটপাটের মাধ্যমে কিছু মানুষের পেট ভরলেও জনগনের কোন কাজে আসবে না। এটা সহায়তাতো নয়ই, রীতিমতো এক ধরনের মশকরা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভা ও ৫০ বন্দিকে গার্মেন্টস কর্মে প্রশিক্ষণ

ঈদ সহায়তার নামে দরিদ্র জনগনের সাথে তামাশা করবেন না : ন্যাপ

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ এপ্রিল ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি :  মুজিববর্ষ উপলক্ষে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের ১ কোটি ৯ হাজার ৯৪৯টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার সংবাদটি দেখে অনেকের মুখে হাসি ফুটলেও তা আবার নিভিয়ে গেছে। বরং প্রশ্ন উঠেছে এটা কি ‘সহায়তা নাকি তামাশা’ বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, ঈদ সহায়তার নামে দেশের দরিদ্র জনগনের সাথে তামাশা করবেন না। দরিদ্র জনগনের সাথে তামাশা করার অধিকার কারো নাই।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি হতে যানা যায় যে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর আনন্দের সঙ্গে উদযাপনে অসহায়, দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এক্ষেত্রে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ, দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। চলমান করোনা পরিস্থিতিতে পবিত্র রমজানের প্রাক্কালে প্রদত্ত এ সহায়তা অতিদরিদ্র্য পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, মন্ত্রনালয় প্রতি পরিবারকে ১০কেজি চালের মূল্যের সমপরিমাণ ৪৫০ টাকা করে প্রদান করবে। আর এর মাধ্যমেই প্রমানিত হয় সরকারের এই মন্ত্রনালয়ের আজকের সামাজিক বাস্তবতা সম্পর্কে কোন জ্ঞান নেই। তারা কি বলতে পারবে ৪৫ টাকা কেজি দরে চাল এখন কোথায় পাওয়া যায় ? পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা মানে গড়ে পরিবারের সদস্যপ্রতি বা জনপ্রতি শ’খানেক টাকা। তাও ভিজিএফ কার্ডের আওতায়। তা দিয়ে ঐ পরিবারের মুখে কি ধরনের হাসি ফুটতে পারে ? অথবা ক্রয় ক্ষমতা কতটুকু বৃদ্ধি পেতে পারে ?

তারা আরো বলেন, এ ধরনের প্রকল্প এদেশে যুগ যুগ ধরেই চলমান। এর সঙ্গে ‘ঈদ’ ও ‘মুজিববর্ষ’কে যুক্ত করে বাহারি শিরোনাম দিয়ে প্রচারের মাধ্যমে আসলে কি তারা তাদের কোন ব্যর্থতা আড়ালের চেষ্টা করছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা উচিত। মন্ত্রনালয়ের কর্তাব্যাক্তিরা হয়তো জানেইনা যে এখন একজন দিনমজুর দৈনিক ৬০০টাকা রোজগার করেন। তাহলে এই টাকা দেয়ার নামে কি মন্ত্রনালয় দরিদ্র জনগনের ঠাট্টায় লিপ্ত হচ্ছেন ?

নেতৃদ্বয় বলেন, পরিবারপ্রতি এককালীন ৪৫০ টাকা পাওয়ার জন্য তাদের কার কার পেছনে ঘুরতে হবে, কতটাকা খরচ করতে হবে এই প্রশ্নগুলোর কোন উত্তর কি তাদের জানা আছে ? নাকি মাঠ পর্যায়ে এই বিশাল অংকের অর্থ লুটপাটের জন্যই ‘ঈদ’ ও ‘মুজিববর্ষ’কে যুক্ত করে বাহারি শিরোনাম ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা তা সরকার প্রধানকে এখনই তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। অন্যথায় এই টাকা লুটপাটের মাধ্যমে কিছু মানুষের পেট ভরলেও জনগনের কোন কাজে আসবে না। এটা সহায়তাতো নয়ই, রীতিমতো এক ধরনের মশকরা।