নারায়ণগঞ্জ ০৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব- আবদুল জব্বার ঈদকে সামনে রেখে হাট-বাজার ও বসতবাড়ির নিরাপত্তায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: ডিসি রায়হান কবির ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে পুনর্বহাল ও এস আলমের দোসরদের বহিষ্কারের দাবিতে চিটাগাং রোডে মানববন্ধন নাসিক ৪ নং ওয়ার্ডের টাইগার মিলস মাঠের গরুর হাটের শুভ উদ্বোধন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে পশু জবাই, চামড়া সংরক্ষণ ও বিনামূল্যে লবণ বিতরণ বিষয়ক সচেতনতা কার্যক্রম নারায়ণগঞ্জে ‘জলবায়ু সহিষ্ণু ক্যাম্পাস উদ্যোগ’: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ ফতুল্লায় ৬ বছরের শিশু ধর্ষণ: ডিসি-এসপির থানা পরিদর্শন, সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থার নির্দেশ কর্মী ও অসুস্থ রোগীদের খোঁজ-খবর নিলেন জামায়াত নেতা মাওলানা মইনুউদ্দিন আহমাদ রাস্তার দখল নিয়ে বন্দরে প্রতিবেশীদের বর্বর হামলায় ৩ রক্তাক্ত, শিশুকে পুকুরে ফেলে হত্যার চেষ্টা পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জবাসীর উদ্দেশে ডিসি রায়হান কবিরের আহ্বান

আড়াইহাজারে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি বিক্রি, নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজাওে একাধিক স্থানে ফসলি জমির মাটি বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় গ্রামবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। গত ১৭ নভেম্বর অভিযোগটি দিলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গোপালদী পৌরসভার লক্ষিবরদী নয়াপাড়া গ্রামের অধিকাংশ ফসলি জমি ড্রেজারের কবলে পরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার ফলে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে ড্রেজার দিয়ে মাটি খনন করার কারনে চারপাশের মাটি দেবে ভেঙ্গে পড়ছে। মাটি পরিবহনের জন্য মাইলের পর মাইল পাইপ সংযোগ দিয়ে চলছে পুকুর কিংবা অন্য ফসলি জমি ভরাটের কাজ।

অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে ৫০/৬০ ফুট গভীর থেকে মাটি ও বালি উত্তেলনের কারণে আশ-পাশের তিন ফসলের জমিগুলো ডোবায় পরিণত হচ্ছে। তাছাড়া দুই সেচ পাম্পে প্রায় ২/৩ বিঘা জমিতে ইরি ধান চাষ হতো কিন্তু বর্তমানে তা আর সম্ভব হয় নয়।

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী ড্রেজার দিয়ে ফসলী জমি থেকে মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করে দিচ্ছে। গ্রামের নিরিহ মানুষ কয়েক দফায় বাঁধা দেওয়ার পরও তারা নিয়মিত ভাবে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে এবং পাশের জমির লোকেদের নানারকম হুমকি প্রদর্শন করছে।

গ্রামবাসী জানান, এমন ভাবে চলতে থাকলে এলাকার নির্মানাধীন ঘরবাড়ি ও বিলীন হবার পথে। তাই কর্তৃপর্ক্ষের কাছে জোর দাবি এই গ্রামের কৃষকদের ড্রেজার সরিয়ে তাদের ফসলি জমিতে ফসল চাষের সুযোগ করে দেওয়া।

আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, নিজের কিংবা পরের জমির মাটি বিক্রি করার কোন নিয়ম নেই। অভিযোগ পেয়েছি। আমরা ব্যবস্থা নিব।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব- আবদুল জব্বার

আড়াইহাজারে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি বিক্রি, নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজাওে একাধিক স্থানে ফসলি জমির মাটি বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় গ্রামবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। গত ১৭ নভেম্বর অভিযোগটি দিলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গোপালদী পৌরসভার লক্ষিবরদী নয়াপাড়া গ্রামের অধিকাংশ ফসলি জমি ড্রেজারের কবলে পরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার ফলে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে ড্রেজার দিয়ে মাটি খনন করার কারনে চারপাশের মাটি দেবে ভেঙ্গে পড়ছে। মাটি পরিবহনের জন্য মাইলের পর মাইল পাইপ সংযোগ দিয়ে চলছে পুকুর কিংবা অন্য ফসলি জমি ভরাটের কাজ।

অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে ৫০/৬০ ফুট গভীর থেকে মাটি ও বালি উত্তেলনের কারণে আশ-পাশের তিন ফসলের জমিগুলো ডোবায় পরিণত হচ্ছে। তাছাড়া দুই সেচ পাম্পে প্রায় ২/৩ বিঘা জমিতে ইরি ধান চাষ হতো কিন্তু বর্তমানে তা আর সম্ভব হয় নয়।

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী ড্রেজার দিয়ে ফসলী জমি থেকে মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করে দিচ্ছে। গ্রামের নিরিহ মানুষ কয়েক দফায় বাঁধা দেওয়ার পরও তারা নিয়মিত ভাবে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে এবং পাশের জমির লোকেদের নানারকম হুমকি প্রদর্শন করছে।

গ্রামবাসী জানান, এমন ভাবে চলতে থাকলে এলাকার নির্মানাধীন ঘরবাড়ি ও বিলীন হবার পথে। তাই কর্তৃপর্ক্ষের কাছে জোর দাবি এই গ্রামের কৃষকদের ড্রেজার সরিয়ে তাদের ফসলি জমিতে ফসল চাষের সুযোগ করে দেওয়া।

আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, নিজের কিংবা পরের জমির মাটি বিক্রি করার কোন নিয়ম নেই। অভিযোগ পেয়েছি। আমরা ব্যবস্থা নিব।