নারায়ণগঞ্জ ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত আদমজী ইপিজেডকে অশান্ত করছে জনপ্রতিনিধিরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে মহিলা লীগ নেত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় না’গঞ্জ কারাগারে হাজতীর মৃত্যু ফতুল্লায় চোরাইকৃত ট্যাংকলড়ী উদ্ধার আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল ঘুরে গেলেন ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহরে নারী সমাবেশ ও মিছিল

সিদ্ধিরগঞ্জে দেড় লক্ষাধিক টাকা ছিনতাইর ঘটনায় মামলা নিচ্ছেনা পুলিশ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে মাছ ব্যবসায়ীর ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ছিনতাইর ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করার ৮ দিন গত হলেও মামলা রুজু করছেনা থানা পুলিশ। মামলা না করার জন্য ছিনতাইকারি চক্রের মূল হোতা সন্ত্রাসী জহিরুল ইসলাম জিতু প্রতিনিয়তই হুমকি প্রদান করছে বলে অভিযোগকারী জাকির হোসেনের অভিযোগ।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নাসিক ৪ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর আজিবপুর এলাকা থেকে তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো: সিফাত (২২) গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৯ টার দিকে মাছের আড়ৎ এর তাগাদা করে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফিরছিল। আটি এলাকার মসজিদের সামনে পৌঁছলে আটি এলাকার মৃত হারুন অর রশিদের ছেলে সন্ত্রাসী জহিরুল ইসলাম জিতু (৩২), মো: মুসলেউদ্দিনের ছেলে নাদিম (৪৫), মো: নাজিমের ছেলে পুলক (২৫) এবং রাসেলসহ অজ্ঞাত কয়েকজন সিফাতের পথরোধ করে মারধর ও সঙ্গে থাকা সমস্ত টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় রাতেই সিফাতের মামা মো: জাকির হোসেন বাদী হয়ে উল্লেখিত ছিনতাইকারিদের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানার এসআই আমিনুল অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়।
অপরদিকে অভিযোগ করার পর নাসিক ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম সালিশ বিচার করার দায়িত্ব নিয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত তারিখে কাউন্সিলরসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বৈঠক বসলে বাদী পক্ষ উপস্থিত হলেও বিবাধী পক্ষ হাজির হয়নি। ফলে বিচার সালিশ সিদ্ধান্ত থেকে সরে গিয়ে বাদী পক্ষকে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য পরামর্শ দিয়ে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ও উপস্থিত গন্যমান্য ব্যক্তিরা লিখিত ভাবে সামাজিক বিচার কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ায়। পরে বাদী আইনগত ব্যাবস্থা নিতে পুলিশের কাছে গেলেও পুলিশ মামলা নিচ্ছেননা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আমিনুলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি তদন্ত চলছে। সত্যতা পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত

সিদ্ধিরগঞ্জে দেড় লক্ষাধিক টাকা ছিনতাইর ঘটনায় মামলা নিচ্ছেনা পুলিশ

আপডেট সময় : ০২:১৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে মাছ ব্যবসায়ীর ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ছিনতাইর ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করার ৮ দিন গত হলেও মামলা রুজু করছেনা থানা পুলিশ। মামলা না করার জন্য ছিনতাইকারি চক্রের মূল হোতা সন্ত্রাসী জহিরুল ইসলাম জিতু প্রতিনিয়তই হুমকি প্রদান করছে বলে অভিযোগকারী জাকির হোসেনের অভিযোগ।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নাসিক ৪ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর আজিবপুর এলাকা থেকে তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো: সিফাত (২২) গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৯ টার দিকে মাছের আড়ৎ এর তাগাদা করে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফিরছিল। আটি এলাকার মসজিদের সামনে পৌঁছলে আটি এলাকার মৃত হারুন অর রশিদের ছেলে সন্ত্রাসী জহিরুল ইসলাম জিতু (৩২), মো: মুসলেউদ্দিনের ছেলে নাদিম (৪৫), মো: নাজিমের ছেলে পুলক (২৫) এবং রাসেলসহ অজ্ঞাত কয়েকজন সিফাতের পথরোধ করে মারধর ও সঙ্গে থাকা সমস্ত টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় রাতেই সিফাতের মামা মো: জাকির হোসেন বাদী হয়ে উল্লেখিত ছিনতাইকারিদের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানার এসআই আমিনুল অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়।
অপরদিকে অভিযোগ করার পর নাসিক ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম সালিশ বিচার করার দায়িত্ব নিয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত তারিখে কাউন্সিলরসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বৈঠক বসলে বাদী পক্ষ উপস্থিত হলেও বিবাধী পক্ষ হাজির হয়নি। ফলে বিচার সালিশ সিদ্ধান্ত থেকে সরে গিয়ে বাদী পক্ষকে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য পরামর্শ দিয়ে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ও উপস্থিত গন্যমান্য ব্যক্তিরা লিখিত ভাবে সামাজিক বিচার কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ায়। পরে বাদী আইনগত ব্যাবস্থা নিতে পুলিশের কাছে গেলেও পুলিশ মামলা নিচ্ছেননা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আমিনুলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি তদন্ত চলছে। সত্যতা পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।