নারায়ণগঞ্জ ১০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ১৮ বছর পর সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে পৃথক অভিযানে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পার্থের নতুন দায়িত্বে প্রবাসীদের আশা পূরণের প্রত্যাশা মালয়েশিয়া বিজেপির রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ ডিসির সোনারগাঁওয়ে পানাম গাবতলী সংযোগ সড়কের সিসি ও আরসিসি ঢালাই কাজের উদ্বোধন সৌদিতে প্রবাসীদের সেবায় আরও একধাপ এগিয়ে বিন মিশাল ট্রাভেলস, সুবেকায় ১৯তম শাখার উদ্বোধন প্রবাসীদের পাশে থাকার অঙ্গীকারে বিন মিশাল গ্লোবালের ৪র্থ বর্ষপূর্তি বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে দক্ষতা বাড়াতে মালয়েশিয়ায় কোয়েল আক্তার বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে যুবককে কুপিয়ে জখম ও বাড়ি-ঘরে হামলা পারিবারিক বিরোধ মীমাংসায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, হয়রানির শিকার সৌদি প্রবাসীর পরিবার

সিদ্ধিরগঞ্জে দেড় লক্ষাধিক টাকা ছিনতাইর ঘটনায় মামলা নিচ্ছেনা পুলিশ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে মাছ ব্যবসায়ীর ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ছিনতাইর ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করার ৮ দিন গত হলেও মামলা রুজু করছেনা থানা পুলিশ। মামলা না করার জন্য ছিনতাইকারি চক্রের মূল হোতা সন্ত্রাসী জহিরুল ইসলাম জিতু প্রতিনিয়তই হুমকি প্রদান করছে বলে অভিযোগকারী জাকির হোসেনের অভিযোগ।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নাসিক ৪ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর আজিবপুর এলাকা থেকে তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো: সিফাত (২২) গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৯ টার দিকে মাছের আড়ৎ এর তাগাদা করে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফিরছিল। আটি এলাকার মসজিদের সামনে পৌঁছলে আটি এলাকার মৃত হারুন অর রশিদের ছেলে সন্ত্রাসী জহিরুল ইসলাম জিতু (৩২), মো: মুসলেউদ্দিনের ছেলে নাদিম (৪৫), মো: নাজিমের ছেলে পুলক (২৫) এবং রাসেলসহ অজ্ঞাত কয়েকজন সিফাতের পথরোধ করে মারধর ও সঙ্গে থাকা সমস্ত টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় রাতেই সিফাতের মামা মো: জাকির হোসেন বাদী হয়ে উল্লেখিত ছিনতাইকারিদের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানার এসআই আমিনুল অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়।
অপরদিকে অভিযোগ করার পর নাসিক ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম সালিশ বিচার করার দায়িত্ব নিয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত তারিখে কাউন্সিলরসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বৈঠক বসলে বাদী পক্ষ উপস্থিত হলেও বিবাধী পক্ষ হাজির হয়নি। ফলে বিচার সালিশ সিদ্ধান্ত থেকে সরে গিয়ে বাদী পক্ষকে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য পরামর্শ দিয়ে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ও উপস্থিত গন্যমান্য ব্যক্তিরা লিখিত ভাবে সামাজিক বিচার কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ায়। পরে বাদী আইনগত ব্যাবস্থা নিতে পুলিশের কাছে গেলেও পুলিশ মামলা নিচ্ছেননা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আমিনুলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি তদন্ত চলছে। সত্যতা পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ১৮ বছর পর সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত

সিদ্ধিরগঞ্জে দেড় লক্ষাধিক টাকা ছিনতাইর ঘটনায় মামলা নিচ্ছেনা পুলিশ

আপডেট সময় : ০২:১৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে মাছ ব্যবসায়ীর ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ছিনতাইর ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করার ৮ দিন গত হলেও মামলা রুজু করছেনা থানা পুলিশ। মামলা না করার জন্য ছিনতাইকারি চক্রের মূল হোতা সন্ত্রাসী জহিরুল ইসলাম জিতু প্রতিনিয়তই হুমকি প্রদান করছে বলে অভিযোগকারী জাকির হোসেনের অভিযোগ।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নাসিক ৪ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর আজিবপুর এলাকা থেকে তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো: সিফাত (২২) গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৯ টার দিকে মাছের আড়ৎ এর তাগাদা করে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফিরছিল। আটি এলাকার মসজিদের সামনে পৌঁছলে আটি এলাকার মৃত হারুন অর রশিদের ছেলে সন্ত্রাসী জহিরুল ইসলাম জিতু (৩২), মো: মুসলেউদ্দিনের ছেলে নাদিম (৪৫), মো: নাজিমের ছেলে পুলক (২৫) এবং রাসেলসহ অজ্ঞাত কয়েকজন সিফাতের পথরোধ করে মারধর ও সঙ্গে থাকা সমস্ত টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় রাতেই সিফাতের মামা মো: জাকির হোসেন বাদী হয়ে উল্লেখিত ছিনতাইকারিদের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানার এসআই আমিনুল অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়।
অপরদিকে অভিযোগ করার পর নাসিক ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম সালিশ বিচার করার দায়িত্ব নিয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত তারিখে কাউন্সিলরসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বৈঠক বসলে বাদী পক্ষ উপস্থিত হলেও বিবাধী পক্ষ হাজির হয়নি। ফলে বিচার সালিশ সিদ্ধান্ত থেকে সরে গিয়ে বাদী পক্ষকে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য পরামর্শ দিয়ে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ও উপস্থিত গন্যমান্য ব্যক্তিরা লিখিত ভাবে সামাজিক বিচার কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ায়। পরে বাদী আইনগত ব্যাবস্থা নিতে পুলিশের কাছে গেলেও পুলিশ মামলা নিচ্ছেননা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আমিনুলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি তদন্ত চলছে। সত্যতা পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।