নারায়ণগঞ্জ ০৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওয়াজ থেকে ফেরার পথে ডাকাতির মুখে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১২ রূপগঞ্জে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই জন নিহত আড়াইহাজারের যুবদল নেতাকে সোনারগাঁয়ে কুপিয়ে হত্যা সিদ্ধিরগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, নেপথ্যে সাবেক কাউন্সিলর বাদলের সহযোগীদের দাবি প্রবাসের মাটিতে বাংলা গানের সুর ছড়াতে রিয়াদে সংগীতশিল্পী তাসলিমা মৌর ‘মিট দ্য প্রেস’ নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও ৫ নম্বর ঘাট বিসর্জনস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে, ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৪ সুবিধাবাদী বিএনপি নেতাদের শেল্টারে আওয়ামী দোসর মাসুম রূপগঞ্জে শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনায় মামলা; ছাত্র গ্রেফতার

শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ে যাবো’-ঈমান আলী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০
  • ৩৫০ বার পড়া হয়েছে

অবশেষে অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে ফতুল্লার সেহাচর এলাকার তরুন সমাজসেবক শেখ ঈমান আলী বলেন শরীরে শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত এলাকায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবো। কোন অপপ্রচার,হুমকী-ধামকী এ লড়াইয়ে বাধা হয়ে দাড়াতে পারবে না ইনশাল্লাহ।

আর আমি যদি কোন অন্যায়-অপরাধ করে থাকি তা তদন্ত করে আমার বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে এটাই আমার অনুরোধ। আমার বিশ্বাস প্রশাসনও কোন অন্যায় অপরাধীকে প্রশ্রয় দেবে না। আর পরবর্তীতে কোন সত্যতা যাচাই ছাড়া কেউ অপপ্রচার চালালে আমিও আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবো।

সমাজসেবক ঈমান আলী প্রতিবাদপত্রে জানান,সম্প্রতি সেহাচর এলাকায় একটি চক্র গড়ে উঠেছে যারা বিশেষ পেশার পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। বিভিন্ন কায়দায় এলাকার অসহায় লোকজনকে জিম্মি করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। সেই চক্রটিই এলাকার প্রতিবাদি কন্ঠকে দাবিয়ে রেখে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের পায়তারা করছে। তাদের সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে দেবে না এলাকাবাসী। আর আমি কোন দলের কোন নেতা না কর্মী তা স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতারাই ভাল বলবে ।

তিনি আরো বলেন,কয়েকদিন যাবত সাংবাদিক বনে যাওয়া জনৈক ফয়সালের বাড়ীতে দুই পরিবারের ঝগড়া মিমাংসার নামে পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। এরপরেও আরো টাকা দাবী করায় ভুক্তভোগি মহিলা ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের শরনাপন্ন হয়। এ অপরাধ থেকেই চক্রটি অপপ্রচারে মাঠে নেমে আমাকে টারগেট করে,যদিও আমি সেই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না এবং নেই যা উক্ত পরিবার দুটোই স্বীকার করেছে। পরবর্তীতে ঝগড়ায় জড়িত অপর পক্ষও থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে সংঘর্ষে মহিলার পেটের বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেছে বলে। তাতে অপরাধীচক্রটি অতি উৎসাহি হয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে অভিযোগপত্রে কৌশলে আমার নামটিও জড়িয়ে দেয় যা মহিলা নিজেও জানে না। পরবতীতৈ আমার ছবি ও নাম জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও দুই/একটি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায়। আমি এর তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছি।

ভাতিজা সম্পর্কে বলতে গিয়ে শেখ ঈমান আলী জানান,আমার ভাতিজা সানির হাতে দুইটি মদের বোতলসহ ছবি ছাপিয়ে বলা হচ্ছে সে মাদক ব্যবসায়ী এবং আমি চাচা হয়ে তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছি। এটাও একবারে ডাহা মিথ্যা প্রচারনা। এ ঘটনা হচ্ছে কোন এক বিয়ের অনুষ্ঠানে অতি আনন্দ করতে গিয়ে কেউ একজন ছবি তুলে সংরক্ষনে রেখে আজ স্বার্থ হাসিলে ব্যবহার করছে। আমার কথা হচ্ছে কোন মাদক ব্যবসায়ী স্বেচ্ছায় হাসিমুখে এ ধরনের ছবি তুলে রাখবে তা আমার মনে হয় না। আর আমার ভাতিজা মাদক ব্যবসা করে এমন প্রমান হলে প্রশাসনই ব্যবস্থা নেবে এ ব্যাপারে আমার বলার কিছু নেই। তবে এর সাথে আমার সম্পৃক্ততা নিয়ে যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা ঐ কুচক্রিমহলের কারসাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। কার এলাকায় আমি একজন সমাজসেবক হিসাবেই পরিচিত। এলাকাবাসীও আমার ব্যাপারে জানে। যারা আমার বিরুদ্ধে প্রচারনা চালাচ্ছে তাদের রেকর্ড খতিয়ে দেখার অনুরোধ রইল পুলিশ প্রশাসনের কাছে। তবে এতটুকু বলতে পারি অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।

ঈমান আলী আরো বলেন,সামনে ইউপি চেয়ারম্যান আসন্ন সেখানে আমি স্থানীয় মেম্বারপদে আমি একজন শক্ত প্রতিদ্বন্ধি। আমাকে থামিয়ে দিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের এ অপকর্ম চলছে। কারন বিগত নির্বাচনে আমি বিপুল পরিমান ভোট পেয়ে লড়াই করেছি আগামীতেও করবো ইনশাল্লাহ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়াজ থেকে ফেরার পথে ডাকাতির মুখে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী

শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ে যাবো’-ঈমান আলী

আপডেট সময় : ০৬:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০

অবশেষে অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে ফতুল্লার সেহাচর এলাকার তরুন সমাজসেবক শেখ ঈমান আলী বলেন শরীরে শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত এলাকায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবো। কোন অপপ্রচার,হুমকী-ধামকী এ লড়াইয়ে বাধা হয়ে দাড়াতে পারবে না ইনশাল্লাহ।

আর আমি যদি কোন অন্যায়-অপরাধ করে থাকি তা তদন্ত করে আমার বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে এটাই আমার অনুরোধ। আমার বিশ্বাস প্রশাসনও কোন অন্যায় অপরাধীকে প্রশ্রয় দেবে না। আর পরবর্তীতে কোন সত্যতা যাচাই ছাড়া কেউ অপপ্রচার চালালে আমিও আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবো।

সমাজসেবক ঈমান আলী প্রতিবাদপত্রে জানান,সম্প্রতি সেহাচর এলাকায় একটি চক্র গড়ে উঠেছে যারা বিশেষ পেশার পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। বিভিন্ন কায়দায় এলাকার অসহায় লোকজনকে জিম্মি করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। সেই চক্রটিই এলাকার প্রতিবাদি কন্ঠকে দাবিয়ে রেখে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের পায়তারা করছে। তাদের সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে দেবে না এলাকাবাসী। আর আমি কোন দলের কোন নেতা না কর্মী তা স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতারাই ভাল বলবে ।

তিনি আরো বলেন,কয়েকদিন যাবত সাংবাদিক বনে যাওয়া জনৈক ফয়সালের বাড়ীতে দুই পরিবারের ঝগড়া মিমাংসার নামে পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। এরপরেও আরো টাকা দাবী করায় ভুক্তভোগি মহিলা ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের শরনাপন্ন হয়। এ অপরাধ থেকেই চক্রটি অপপ্রচারে মাঠে নেমে আমাকে টারগেট করে,যদিও আমি সেই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না এবং নেই যা উক্ত পরিবার দুটোই স্বীকার করেছে। পরবর্তীতে ঝগড়ায় জড়িত অপর পক্ষও থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে সংঘর্ষে মহিলার পেটের বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেছে বলে। তাতে অপরাধীচক্রটি অতি উৎসাহি হয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে অভিযোগপত্রে কৌশলে আমার নামটিও জড়িয়ে দেয় যা মহিলা নিজেও জানে না। পরবতীতৈ আমার ছবি ও নাম জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও দুই/একটি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায়। আমি এর তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছি।

ভাতিজা সম্পর্কে বলতে গিয়ে শেখ ঈমান আলী জানান,আমার ভাতিজা সানির হাতে দুইটি মদের বোতলসহ ছবি ছাপিয়ে বলা হচ্ছে সে মাদক ব্যবসায়ী এবং আমি চাচা হয়ে তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছি। এটাও একবারে ডাহা মিথ্যা প্রচারনা। এ ঘটনা হচ্ছে কোন এক বিয়ের অনুষ্ঠানে অতি আনন্দ করতে গিয়ে কেউ একজন ছবি তুলে সংরক্ষনে রেখে আজ স্বার্থ হাসিলে ব্যবহার করছে। আমার কথা হচ্ছে কোন মাদক ব্যবসায়ী স্বেচ্ছায় হাসিমুখে এ ধরনের ছবি তুলে রাখবে তা আমার মনে হয় না। আর আমার ভাতিজা মাদক ব্যবসা করে এমন প্রমান হলে প্রশাসনই ব্যবস্থা নেবে এ ব্যাপারে আমার বলার কিছু নেই। তবে এর সাথে আমার সম্পৃক্ততা নিয়ে যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা ঐ কুচক্রিমহলের কারসাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। কার এলাকায় আমি একজন সমাজসেবক হিসাবেই পরিচিত। এলাকাবাসীও আমার ব্যাপারে জানে। যারা আমার বিরুদ্ধে প্রচারনা চালাচ্ছে তাদের রেকর্ড খতিয়ে দেখার অনুরোধ রইল পুলিশ প্রশাসনের কাছে। তবে এতটুকু বলতে পারি অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।

ঈমান আলী আরো বলেন,সামনে ইউপি চেয়ারম্যান আসন্ন সেখানে আমি স্থানীয় মেম্বারপদে আমি একজন শক্ত প্রতিদ্বন্ধি। আমাকে থামিয়ে দিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের এ অপকর্ম চলছে। কারন বিগত নির্বাচনে আমি বিপুল পরিমান ভোট পেয়ে লড়াই করেছি আগামীতেও করবো ইনশাল্লাহ।