সংবাদ শিরোনাম ::
সোনারগাঁয়ে ইউএনওর তত্ত্বাবধানে সুশৃঙ্খলভাবে জ্বালানি তেল বিতরণ সোনারগাঁয়ে পুকুরে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু সিদ্ধিরগঞ্জে যুবকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য অভিযোগ নিচ্ছেনা পুলিশ নারায়ণগঞ্জের সস্তাপুরে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে ৯ম জেলা স্কাউট সমাবেশের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত অনুমোদনহীন ও ভুয়া ব্যান্ডের তেল বিক্রির অপরাধে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা নারায়ণগঞ্জে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নকলমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রস্তুতিমূলক সভা আহিল ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১লাখ টাকা জরিমানা সোনারগাঁয়ে আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক-অভিভাবকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সোয়া কোটি টাকা ও দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক-৩

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০১৯
  • ২৯২ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নগদ এক কোটি পঁচিশ লাখ টাকা ও দুই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ জামাল হোসেন মৃধা নামের এক হুন্ডী ব্যবসায়ী ও তার দুই সহযোগিকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার তারাবো পৌরসভার রসুলপুর এলাকায় ওই ব্যবসায়ীর নিজ বাড়ী থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত অন্য দুইজন হলো, মোস্তফা কামাল (৪৮) ও মো: কাউছার আহম্মেদ মানিক (৩৪)।
গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: মিজান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে জামাল হোসেন মৃধার বাড়িতে এক লাখ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটের একটি চালান প্রবেশ করবে। এরপর পুলিশ মঙ্গলবার বিকেল থেকে ওই বাড়িটি নজরদারিতে রাখে।
পরে মধ্য রাতে তার বাড়ির তৃতীয় তলার ফাটে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় একটি ট্রাঙ্ক থেকে নগদ এক কোটি টাকা এবং আলমারির ভেতর থেকে আরো পঁচিশ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। একই সাথে বাড়িটির নিচ তলায় জামাল হোসেনের ব্যক্তিগত অফিস থেকে দুই হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধার হয়।
এদিকে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ ভোর রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, ধৃত ব্যবসায়ী জামাল হোসেন মৃধা নিজেকে তিনটি কয়েল কারখানার মলিক দাবি করলেও এর কোন বৈধ লাইসেন্স দেখাতে পারেননি। জব্দকৃত টাকার বৈধ কোন উৎসও দেখাতে পারেননি। টাকাগুলো হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করার জন্য রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া কয়েল ব্যবসার আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছে বলেও সন্দেহ রয়েছে। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
পুলিশ সুপার আরো জানান, ধৃতদের বিরুদ্ধে বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনে, ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগে মাদকদব্য নিয়ন্ত্রন আইনে এবং আবাসিক এলাকায় কয়েল কারখানা নির্মাণ করে পরিবেশ দূষণের অপরাধে পরিবেশ আইনে মামলা দায়ের করা হবে। পাশাপাশি জামাল হোসেন বাড়িতে এতো টাকা কি কারণে রেখেছেন, ইয়াবা ব্যবসা করে কতো টাকার মালিক হয়েছেন এবং তিনি কোন জঙ্গী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত আছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ে ইউএনওর তত্ত্বাবধানে সুশৃঙ্খলভাবে জ্বালানি তেল বিতরণ

সোয়া কোটি টাকা ও দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক-৩

আপডেট সময় : ১২:১৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০১৯

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নগদ এক কোটি পঁচিশ লাখ টাকা ও দুই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ জামাল হোসেন মৃধা নামের এক হুন্ডী ব্যবসায়ী ও তার দুই সহযোগিকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার তারাবো পৌরসভার রসুলপুর এলাকায় ওই ব্যবসায়ীর নিজ বাড়ী থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত অন্য দুইজন হলো, মোস্তফা কামাল (৪৮) ও মো: কাউছার আহম্মেদ মানিক (৩৪)।
গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: মিজান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে জামাল হোসেন মৃধার বাড়িতে এক লাখ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটের একটি চালান প্রবেশ করবে। এরপর পুলিশ মঙ্গলবার বিকেল থেকে ওই বাড়িটি নজরদারিতে রাখে।
পরে মধ্য রাতে তার বাড়ির তৃতীয় তলার ফাটে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় একটি ট্রাঙ্ক থেকে নগদ এক কোটি টাকা এবং আলমারির ভেতর থেকে আরো পঁচিশ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। একই সাথে বাড়িটির নিচ তলায় জামাল হোসেনের ব্যক্তিগত অফিস থেকে দুই হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধার হয়।
এদিকে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ ভোর রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, ধৃত ব্যবসায়ী জামাল হোসেন মৃধা নিজেকে তিনটি কয়েল কারখানার মলিক দাবি করলেও এর কোন বৈধ লাইসেন্স দেখাতে পারেননি। জব্দকৃত টাকার বৈধ কোন উৎসও দেখাতে পারেননি। টাকাগুলো হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করার জন্য রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া কয়েল ব্যবসার আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছে বলেও সন্দেহ রয়েছে। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
পুলিশ সুপার আরো জানান, ধৃতদের বিরুদ্ধে বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনে, ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগে মাদকদব্য নিয়ন্ত্রন আইনে এবং আবাসিক এলাকায় কয়েল কারখানা নির্মাণ করে পরিবেশ দূষণের অপরাধে পরিবেশ আইনে মামলা দায়ের করা হবে। পাশাপাশি জামাল হোসেন বাড়িতে এতো টাকা কি কারণে রেখেছেন, ইয়াবা ব্যবসা করে কতো টাকার মালিক হয়েছেন এবং তিনি কোন জঙ্গী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত আছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।