সংবাদ শিরোনাম ::
Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento আড়াইহাজার উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের মতবিনিময় বিএনপি নেতা মামুনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ মাদকের আখড়ায় পরিণত সিদ্ধিরগঞ্জের বাঘমারা সাংবাদিক কাজী মোদাচ্ছের হোসেন সুলতান এর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সিদ্ধিরগঞ্জে দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় হামলা, মারধর : নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট আড়াইহাজা‌রে দলীয় পরিচয়ে অন্যায় করলে ছাড় নয়: রাকিবুল ইসলাম রাকিব পদ্মা অয়েল পিএলসি এর মহাব্যবস্থাপক আসিফ মালিক’কে বিদায় সংবর্ধনা বাংলা ৫২ নিউজ ডটকমের ১০ম বর্ষে পদার্পণ আড়াইহাজারে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইর্ষান্বিত হয়েই আজাদের বিরু’দ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে : উপজেলা বিএনপি

ফতুল্লায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার ভাই দিলদার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০১৯
  • ২৮০ বার পড়া হয়েছে

ফতুল্লা প্রতিনিধি : ফতুল্লা থানাধীন পূর্ব কায়েমপুরসহ শহীদ তিতুমীর স্কুলে ১০ম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছাত্রী ঝরা (১৫) ক্লাস শেষে আলম স্যারের কোচিংয়ে পড়া শেষ করে তার ভাই মোঃ দিলদারের (৩৫) সাথে বাসায় আসার পথে এলাকার কতিপয় বখাটে ছেলেদের ইভটিজিংয়ের মুখে পড়ে। তাদের এ আচরনের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ঝরা লাঞ্চিত হয় এবং দিলদার হামলার শিকার হন। পরে দিদারকে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। বর্তমানের সে হাসপাতারে গুরুতর জখম অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, শহীদ তিতুমীর স্কুলে যাতায়াতের পথে স্কুল চলাকালীন সময়ে প্রায়ই ওয়াপদার পুল মোড়ে মোঃ রিশাদ, মোঃ শিমুল, বাদল, রাসেলসহ অনেকে মেয়েদের উত্তক্ত করে। আসামীদের সকলেই পশ্চিম হাজিগঞ্জের ওয়াপদারপুলের বাসিন্দা। তারা প্রায় সময়ই মেয়েদেরকে বিভিন্ন ধরনের কটুক্তি করতো। তাদের এ ধরনের আচরনে ঝরা বিচলিত হয়ে তার পরিবারকে জানায়। তাদের অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পেতেই ভাইকে সাথে নিয়ে যাতায়াত করতো। রিশাদ গংরা বেশ কিছু দিন নিরব থেকে গত ২৫ জুন সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার পথে তার ভাইকে তোয়াক্কা না করে ভাইয়ের সামনে বাজে কথা বলে। তাদের কথার প্রতিত্তোরে ভাই দিলদার জবাব দিলে প্রথমে তাকে বকাঝকা করে। এক পর্যায়ে তারা দিলদারের উপর মারমুখী হয়ে আঘাত করা শুরু করে। তাকে মাটিতে ফেলে দেয়। মাটিতে ফেলেও শান্ত না হয়ে তারা আরো মারমুখি হয়ে তার মাথাসহ পুরো শরীরে আঘাত করে জখম করে। ঝরা উপায় না পেয়ে ভাইকে বাঁচাতে কান্না জড়িত কন্ঠে চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকারে ও ভাইয়ের আর্তনাদে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে অপরাধীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় দিলদারকে জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। বর্তমানে তার অবস্থা গুরুতর রয়েছে বলে চিকিৎসারত ডাক্তার জানান। বিষটি অবগত করে ফতুল্লা মডেল থানায় ঝরার মা দুলালী বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। দিলদারকে মারার সময় তার হাতে থাকা মোবাইল সেট, গলার চেন ও পকেটে থাকা নগদ টাকাও তারা ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে রিশাদ গংদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ তদন্ত করছেন ফতুল্লা থানার উপ পরিদর্শক আজিজ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফতুল্লা মডেল থানার উপ পরিদর্শক আজিজ জানান, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে মামলা লিপিবদ্ধ করার প্রস্তুতি চলছে। তাছাড়া অভিযোগকৃত আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে নির্যাতিত ঝরার পরিবার পুলিশ সুপারের বিশেষ সহযোগীতা কামনা করেছেন। অবিলম্বে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করলে কোন মেয়ে শিক্ষার্থী রাস্তায় ইভটিজিংয়ের শিকার হবে না।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento

ফতুল্লায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার ভাই দিলদার

আপডেট সময় : ১১:৩৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০১৯

ফতুল্লা প্রতিনিধি : ফতুল্লা থানাধীন পূর্ব কায়েমপুরসহ শহীদ তিতুমীর স্কুলে ১০ম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছাত্রী ঝরা (১৫) ক্লাস শেষে আলম স্যারের কোচিংয়ে পড়া শেষ করে তার ভাই মোঃ দিলদারের (৩৫) সাথে বাসায় আসার পথে এলাকার কতিপয় বখাটে ছেলেদের ইভটিজিংয়ের মুখে পড়ে। তাদের এ আচরনের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ঝরা লাঞ্চিত হয় এবং দিলদার হামলার শিকার হন। পরে দিদারকে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। বর্তমানের সে হাসপাতারে গুরুতর জখম অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, শহীদ তিতুমীর স্কুলে যাতায়াতের পথে স্কুল চলাকালীন সময়ে প্রায়ই ওয়াপদার পুল মোড়ে মোঃ রিশাদ, মোঃ শিমুল, বাদল, রাসেলসহ অনেকে মেয়েদের উত্তক্ত করে। আসামীদের সকলেই পশ্চিম হাজিগঞ্জের ওয়াপদারপুলের বাসিন্দা। তারা প্রায় সময়ই মেয়েদেরকে বিভিন্ন ধরনের কটুক্তি করতো। তাদের এ ধরনের আচরনে ঝরা বিচলিত হয়ে তার পরিবারকে জানায়। তাদের অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পেতেই ভাইকে সাথে নিয়ে যাতায়াত করতো। রিশাদ গংরা বেশ কিছু দিন নিরব থেকে গত ২৫ জুন সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার পথে তার ভাইকে তোয়াক্কা না করে ভাইয়ের সামনে বাজে কথা বলে। তাদের কথার প্রতিত্তোরে ভাই দিলদার জবাব দিলে প্রথমে তাকে বকাঝকা করে। এক পর্যায়ে তারা দিলদারের উপর মারমুখী হয়ে আঘাত করা শুরু করে। তাকে মাটিতে ফেলে দেয়। মাটিতে ফেলেও শান্ত না হয়ে তারা আরো মারমুখি হয়ে তার মাথাসহ পুরো শরীরে আঘাত করে জখম করে। ঝরা উপায় না পেয়ে ভাইকে বাঁচাতে কান্না জড়িত কন্ঠে চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকারে ও ভাইয়ের আর্তনাদে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে অপরাধীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় দিলদারকে জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। বর্তমানে তার অবস্থা গুরুতর রয়েছে বলে চিকিৎসারত ডাক্তার জানান। বিষটি অবগত করে ফতুল্লা মডেল থানায় ঝরার মা দুলালী বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। দিলদারকে মারার সময় তার হাতে থাকা মোবাইল সেট, গলার চেন ও পকেটে থাকা নগদ টাকাও তারা ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে রিশাদ গংদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ তদন্ত করছেন ফতুল্লা থানার উপ পরিদর্শক আজিজ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফতুল্লা মডেল থানার উপ পরিদর্শক আজিজ জানান, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে মামলা লিপিবদ্ধ করার প্রস্তুতি চলছে। তাছাড়া অভিযোগকৃত আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে নির্যাতিত ঝরার পরিবার পুলিশ সুপারের বিশেষ সহযোগীতা কামনা করেছেন। অবিলম্বে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করলে কোন মেয়ে শিক্ষার্থী রাস্তায় ইভটিজিংয়ের শিকার হবে না।