নারায়ণগঞ্জ ১২:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ১৮ বছর পর সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে পৃথক অভিযানে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পার্থের নতুন দায়িত্বে প্রবাসীদের আশা পূরণের প্রত্যাশা মালয়েশিয়া বিজেপির রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ ডিসির সোনারগাঁওয়ে পানাম গাবতলী সংযোগ সড়কের সিসি ও আরসিসি ঢালাই কাজের উদ্বোধন সৌদিতে প্রবাসীদের সেবায় আরও একধাপ এগিয়ে বিন মিশাল ট্রাভেলস, সুবেকায় ১৯তম শাখার উদ্বোধন প্রবাসীদের পাশে থাকার অঙ্গীকারে বিন মিশাল গ্লোবালের ৪র্থ বর্ষপূর্তি বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে দক্ষতা বাড়াতে মালয়েশিয়ায় কোয়েল আক্তার বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে যুবককে কুপিয়ে জখম ও বাড়ি-ঘরে হামলা পারিবারিক বিরোধ মীমাংসায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, হয়রানির শিকার সৌদি প্রবাসীর পরিবার

সোনারগাঁয়ে আত্নহত্যার প্ররোচনার মামলা করে আর্থিক ফায়দা হাসিলের পায়তারা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯
  • ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : সোনারগাঁয়ে ফারজানা আক্তার নামে এক গৃহবধূর আত্নহত্যাকে পুঁজি করে প্রবাসী স্বামী ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা করে ফায়দা লুটার ফায়তারা করছে নিহতের বড় ভাই জাহাঙ্গীর। মামলার ৬ আসামির মধ্যে ২ জন বিদেশে অবস্থান করছে। পাওনা টাকা পরিশোধ করতে না পেরে ফারজানা গত ১১ জুন সকালে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আতœহত্যা করে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানার চালিডাঙ্গা এলাকার বাচ্চুমিয়ার মেয়ে ফারজানা আক্তারকে ৫ বছর আগে পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার বারদী মিছরিপাড়া এলাকার সাত্তার মিয়ার ছেলে মো: সুজন। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তাননের জন্ম হয়। জীবিকার তাগিদে সুজন গত ৪ মাস আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত চলে যায়। বিদেশ যাওয়ার সময় সুজন শশুর বাড়ী থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল। এই পাওনা টাকা পরিশোধ করার কথা বলায় ফারজানা আক্তারকে তার শশুর বাড়ীর লোকজন নির্যাতনসহ বিভিন্ন হুমকি ধমকি প্রদান করে। প্রতিনিয়তই নানা ভাবে অপমান অপদস্ত করে। এসব অপমান সহ্য করতে না পেরে ১১ জুন সকাল সাড়ে ৮ টায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্নহত্যা করে। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা কুমিল্লা থেকে সোনারগাঁ ছুটে এসে আত্নহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ তুলে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাটিয়ে সাত্তারের স্ত্রী মিনারা বেগম,(নিহতের শাশুরি),ছেলে মো: সুজন(নিহতের স্বামী) সুমন(নিহতের ভাসর), মৃত খালেকের ছেলে ধন মিয়, মান্নান ও মান্নানের স্ত্রী হাফজাকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। যা পরবর্তিতে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ। যার নং ৩৪। ধারা দন্ড বিধির ৩০৬/৩৪। তারিখ ১৫-০৬-২০১৯। মামলায় উল্লেখিত ৬ জন আসামির মধ্যে নিহতের স্বামী সুজন ও তার ভাগিনা মান্নান বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন।

নিহত ফারজানার শশুর বাড়ীর লোকজন জানায়, বিদেশ যাওয়ার সময় সুজন তার শাশুরীর কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা ধার নিয়ে ছিল। মাত্র ৪ মাস হয় সুজন বিদেশ গেছে। তাই শশুরবাড়ীর পাওনা টাকা পরিশোধ করতে পারছেনা। কিন্তু ফারজানার মা ও ভাই পাওনা টাকার জন্য প্রতিনিয়তই চাপ প্রয়োগ করতো ফারজানার উপর। মা ও ভাইয়ের চাপেই অভিমান করে ফারজানা আতœহত্যা করেছে বলে মনে করছেন মামলার আসামিরা। নিহতের ভাই মামলার বাদী জাহাঙ্গীর বোনের আতœহত্যাকে পুঁজি করে অর্থিক ফায়দা লুটার পায়তারা করছে বলে তাদের অভিযোগ। কারণ ৮০ হাজার টাকা ধার নিলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে দেড় লাখ টাকা। তাই সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচার দাবি জানিয়েছে মামলার আসামি ও তাদের পরিবার।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক মোক্তার এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। মোবাইলে রিং হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ১৮ বছর পর সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত

সোনারগাঁয়ে আত্নহত্যার প্ররোচনার মামলা করে আর্থিক ফায়দা হাসিলের পায়তারা

আপডেট সময় : ১২:১৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার : সোনারগাঁয়ে ফারজানা আক্তার নামে এক গৃহবধূর আত্নহত্যাকে পুঁজি করে প্রবাসী স্বামী ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা করে ফায়দা লুটার ফায়তারা করছে নিহতের বড় ভাই জাহাঙ্গীর। মামলার ৬ আসামির মধ্যে ২ জন বিদেশে অবস্থান করছে। পাওনা টাকা পরিশোধ করতে না পেরে ফারজানা গত ১১ জুন সকালে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আতœহত্যা করে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানার চালিডাঙ্গা এলাকার বাচ্চুমিয়ার মেয়ে ফারজানা আক্তারকে ৫ বছর আগে পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার বারদী মিছরিপাড়া এলাকার সাত্তার মিয়ার ছেলে মো: সুজন। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তাননের জন্ম হয়। জীবিকার তাগিদে সুজন গত ৪ মাস আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত চলে যায়। বিদেশ যাওয়ার সময় সুজন শশুর বাড়ী থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল। এই পাওনা টাকা পরিশোধ করার কথা বলায় ফারজানা আক্তারকে তার শশুর বাড়ীর লোকজন নির্যাতনসহ বিভিন্ন হুমকি ধমকি প্রদান করে। প্রতিনিয়তই নানা ভাবে অপমান অপদস্ত করে। এসব অপমান সহ্য করতে না পেরে ১১ জুন সকাল সাড়ে ৮ টায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্নহত্যা করে। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা কুমিল্লা থেকে সোনারগাঁ ছুটে এসে আত্নহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ তুলে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাটিয়ে সাত্তারের স্ত্রী মিনারা বেগম,(নিহতের শাশুরি),ছেলে মো: সুজন(নিহতের স্বামী) সুমন(নিহতের ভাসর), মৃত খালেকের ছেলে ধন মিয়, মান্নান ও মান্নানের স্ত্রী হাফজাকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। যা পরবর্তিতে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ। যার নং ৩৪। ধারা দন্ড বিধির ৩০৬/৩৪। তারিখ ১৫-০৬-২০১৯। মামলায় উল্লেখিত ৬ জন আসামির মধ্যে নিহতের স্বামী সুজন ও তার ভাগিনা মান্নান বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন।

নিহত ফারজানার শশুর বাড়ীর লোকজন জানায়, বিদেশ যাওয়ার সময় সুজন তার শাশুরীর কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা ধার নিয়ে ছিল। মাত্র ৪ মাস হয় সুজন বিদেশ গেছে। তাই শশুরবাড়ীর পাওনা টাকা পরিশোধ করতে পারছেনা। কিন্তু ফারজানার মা ও ভাই পাওনা টাকার জন্য প্রতিনিয়তই চাপ প্রয়োগ করতো ফারজানার উপর। মা ও ভাইয়ের চাপেই অভিমান করে ফারজানা আতœহত্যা করেছে বলে মনে করছেন মামলার আসামিরা। নিহতের ভাই মামলার বাদী জাহাঙ্গীর বোনের আতœহত্যাকে পুঁজি করে অর্থিক ফায়দা লুটার পায়তারা করছে বলে তাদের অভিযোগ। কারণ ৮০ হাজার টাকা ধার নিলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে দেড় লাখ টাকা। তাই সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচার দাবি জানিয়েছে মামলার আসামি ও তাদের পরিবার।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক মোক্তার এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। মোবাইলে রিং হলেও তিনি রিসিভ করেননি।