বিশেষ প্রতিনিধি : বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, নারায়ণগঞ্জ জেলার সংগঠন উপ-পরিষদের উদ্যোগে সাংগঠনিক মাস’২০২৬ উপলক্ষে “নারী অধিকার- মানবাধিকার” তরুণ প্রজন্মের ভাবনা বিষয়ক মতবিনিময় সভা ১৮ নবাব সলিমুল্লাহ রোড়স্থ সংগঠন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ, গবেষণা, পাঠাগার সম্পাদক রীনা আহমেদ।
তরুণেরা বলেন – নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে নারী-পুরুষ মিলেমিশে কাজ করতে হবে। বর্তমানে যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে নির্যাতনকারী, ধর্ষক ও খুনীদের সকলে মিলে প্রতিহত করতে হবে। মানসিকতা বদলাতে হবে। সচেতন হতে হবে। হরিজন সম্প্রদায়ের নারীদের অধিকার দিতে হবে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠন সম্পাদক কানিজ ফাতেমা। মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি লক্ষ্মী চক্রবর্তী, জেলার সহ-সভাপতি প্রীতিকণা দাস, সাধারণ সম্পাদক রহিমা খাতুন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এম.এ শেষ পর্বের ছাত্রী আইরিন হাসান ঝিলিক, ফিলসোফিয়ার ও লেভেলের শিক্ষার্থী বৈভব জুলকার, হরিজন সম্প্রদায়ের উদ্যোক্তা তরুণী রুপা দাস, ধনকুন্ডা পপুলার স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী ফারজানা আক্তার ও রিয়া দেবনাথ।
বক্তারা বলেন- বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ স্বেচ্ছাসেবাভিত্তিক আন্দোলনমুখী একটি অরাজনৈতিক গণনারী সংগঠন। ১৯৭০ সালে ৪ এপ্রিল মহিয়সী জননী কবি সুফিয়া কামালের নেতৃত্বে গঠিত হয়। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠাই এই সংগঠনের মুল লক্ষ্য।
নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ এবং নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ সর্ব স্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জন্য মহিলা পরিষদ নানামুখী কর্মসূচি পালন করে থাকে। পাড়া-মহল্লা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে সভা, পাঠচক্র ইত্যাদি কাজ করা হয়। প্রশাসন, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় সভা ও নিয়মিত যোগাযোগ করা হয়।
সংগঠনটির প্রধান কাজ হলো নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা করা ও নারী নির্যাতন বন্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যে মহিলা পরিষদ ১৯৭০ সাল থেকে আজ অব্দি কাজ করে চলেছে। নারী শিক্ষা, নারীর কর্মসংস্থান, সকল কাজে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি, অর্থনৈতিক মুক্তি, জেন্ডার সমতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে নানামুখী কাজ করে চলেছে। বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের সাথে লবিং করে থাকে। এ কারণে অনেক নারীবান্ধব আইন ও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে নারীর উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে। নারীর উন্নয়ন মানে দেশের উন্নয়ন।
এ সময় ৩০ জন তরুণ-তরুণী ও জেলার নেতৃবৃন্দসহ ৪৮ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধির নাম 


















