নারায়ণগঞ্জ ০৬:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সোনারগাঁয়ে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন মামলায় ১৬ জন গ্রেপ্তার বন্দরের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও থানা পরিদর্শন করলেন ডিসি রায়হান কবির রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতিকালে যুবক আটক, আহত দুই প্রেস ক্লাবের সাথে মতবিনিময়ে মাদক, যানজট ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে সহযোগিতা চাইলেন পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে অভিভাবকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার তাগিদ দিলেন জেলা প্রশাসক সোনারগাঁয়ে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, মাদক-ধর্ষণ-ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ১৯ সোনারগায়ে কথিত ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় গরুর মৃত্যু, চিকিৎসকের কারাদণ্ড রূপগঞ্জে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের গুলিতে ব্যবসায়ী আহত সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ জন গ্রেফতার, ১২৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় মাদক, কিশোর গ্যাং ও যানজট নিরসনে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশ

উন্নয়ন চোখে না পড়লে ডাক্তার দেখান: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমাদের উন্নয়ন অনেকের চোখে পড়ে না। তাদের মনে হয় চোখ নষ্ট। যদি চোখ নষ্ট হয়, চোখের ডাক্তার দেখাতে পারে। আমরা খুব ভালো আই ইনস্টিটিউট করে দিয়েছি। চিকিৎসা করালে আমার মনে হয়, তারা দেখতে পাবে। আর কেউ যদি চোখ থাকতে অন্ধ হয়, তাহলে আমাদের কিছু করার নেই।’

শনিবার (২৬ নভেম্বর) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু টানেলের দক্ষিণ টিউবের পূর্তকাজের সমাপনী উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের অপজিশন বোধ হয় চোখ থাকতে অন্ধ। তারা দেখেও না দেখার ভান করে। নিজেরা কিছু করতে পারেনি, ভবিষ্যতেও কিছু করতে পারবে না। দেশকে কিছু দিতেও পারবে না। হ্যাঁ, ক্ষমতায় বসে নিজেরা খেতে পারবে, অর্থ চোরাচালান করতে পারবে, ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানি করতে পারবে, অর্থ-অস্ত্র চোরাচালানি, এতিমের অর্থ আত্মসাৎ; এগুলো পারবে। মানুষের কল্যাণে কাজ করেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। এটা হলো বাস্তবতা।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনা মহামারির সময় সারা বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা। উন্নত দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে। এমনকি অনেকে দেশ নিজেদের দেশে অর্থনৈতিক মন্দা ঘোষণাও দিয়েছে। আমরা এখনও সেই দুর্ভাগ্যজনক অবস্থায় পড়িনি। আমাদের যেটুকু আছে নিজেদের সম্পদ আমরা ব্যবহার করার সক্ষমতা রাখি। আমি দেশবাসীকে আহ্বান করেছি, যার যেখানে জমি-জলাধার আছে উৎপাদন বৃদ্ধি করেন। নিজেদের খাদ্য নিজেরা উৎপাদন করবো। কারও কাছে হাত পেতে চলবো না। সেই নীতি নিয়ে সবাইকে চলার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।’

বিদ্যুৎ-জ্বালানি-পানি ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মনে রাখতে হবে একদিকে করোনাভাইরাসের মন্দা, অপরদিকে ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞা। তার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিটি জিনিসের দাম প্রচণ্ডভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মুদ্রস্ফীতি একটা বিরাট সমস্যা সারা বিশ্বব্যাপী। তার ধাক্কা থেকে আমরাও দূরে না। অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব আমাদের ওপর এসেছে পড়েছে। তারপরও আমরা অর্থনীতির চাকা গতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছি। এটা আমরা রাখতে পারবো যদি দেশবাসী এ বিষয়ে সচেতন হন, নিজেদের সঞ্চয় বাড়ান, মিতব্যয়ী হন। কৃষি জমি রক্ষা করেই শিল্পায়ন যাতে হয় আমরা সে পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি।’

সরকার প্রধান বলেন, করোনাকালীন সময় বিশেষ প্রণোদেনা দিয়েছি। যাতে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা-বাণিজ্য চালু রাখতে পারে, শিল্প কল-কারখানা চালু করাতে পারে, শ্রমিকের বেতন দিতে পারে। কৃষকদের ভর্তুকি দিচ্ছি। কৃষক যেন কৃষিকাজ স্বাচ্ছন্দ্য করতে পারে। তাদের জন্য অধিক মূল্যে সার কিনেও আমরা কম দামে সার, বীজ, কৃষি উপকরণ বিতরণ করে যাচ্ছি। ধান কাটায় তাদের পাশে থেকে- আমাদের ছাত্রসমাজ, যুবসমাজ তাদের সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছে। উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আমরা ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গণভবনে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। এসময় পতেঙ্গা প্রান্তে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল আলম চৌধুরী নওফেল, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, সেতু বিভাগের সচিব মো. মনজুর হোসেন, প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন মামলায় ১৬ জন গ্রেপ্তার

উন্নয়ন চোখে না পড়লে ডাক্তার দেখান: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমাদের উন্নয়ন অনেকের চোখে পড়ে না। তাদের মনে হয় চোখ নষ্ট। যদি চোখ নষ্ট হয়, চোখের ডাক্তার দেখাতে পারে। আমরা খুব ভালো আই ইনস্টিটিউট করে দিয়েছি। চিকিৎসা করালে আমার মনে হয়, তারা দেখতে পাবে। আর কেউ যদি চোখ থাকতে অন্ধ হয়, তাহলে আমাদের কিছু করার নেই।’

শনিবার (২৬ নভেম্বর) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু টানেলের দক্ষিণ টিউবের পূর্তকাজের সমাপনী উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের অপজিশন বোধ হয় চোখ থাকতে অন্ধ। তারা দেখেও না দেখার ভান করে। নিজেরা কিছু করতে পারেনি, ভবিষ্যতেও কিছু করতে পারবে না। দেশকে কিছু দিতেও পারবে না। হ্যাঁ, ক্ষমতায় বসে নিজেরা খেতে পারবে, অর্থ চোরাচালান করতে পারবে, ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানি করতে পারবে, অর্থ-অস্ত্র চোরাচালানি, এতিমের অর্থ আত্মসাৎ; এগুলো পারবে। মানুষের কল্যাণে কাজ করেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। এটা হলো বাস্তবতা।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনা মহামারির সময় সারা বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা। উন্নত দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে। এমনকি অনেকে দেশ নিজেদের দেশে অর্থনৈতিক মন্দা ঘোষণাও দিয়েছে। আমরা এখনও সেই দুর্ভাগ্যজনক অবস্থায় পড়িনি। আমাদের যেটুকু আছে নিজেদের সম্পদ আমরা ব্যবহার করার সক্ষমতা রাখি। আমি দেশবাসীকে আহ্বান করেছি, যার যেখানে জমি-জলাধার আছে উৎপাদন বৃদ্ধি করেন। নিজেদের খাদ্য নিজেরা উৎপাদন করবো। কারও কাছে হাত পেতে চলবো না। সেই নীতি নিয়ে সবাইকে চলার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।’

বিদ্যুৎ-জ্বালানি-পানি ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মনে রাখতে হবে একদিকে করোনাভাইরাসের মন্দা, অপরদিকে ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞা। তার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিটি জিনিসের দাম প্রচণ্ডভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মুদ্রস্ফীতি একটা বিরাট সমস্যা সারা বিশ্বব্যাপী। তার ধাক্কা থেকে আমরাও দূরে না। অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব আমাদের ওপর এসেছে পড়েছে। তারপরও আমরা অর্থনীতির চাকা গতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছি। এটা আমরা রাখতে পারবো যদি দেশবাসী এ বিষয়ে সচেতন হন, নিজেদের সঞ্চয় বাড়ান, মিতব্যয়ী হন। কৃষি জমি রক্ষা করেই শিল্পায়ন যাতে হয় আমরা সে পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি।’

সরকার প্রধান বলেন, করোনাকালীন সময় বিশেষ প্রণোদেনা দিয়েছি। যাতে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা-বাণিজ্য চালু রাখতে পারে, শিল্প কল-কারখানা চালু করাতে পারে, শ্রমিকের বেতন দিতে পারে। কৃষকদের ভর্তুকি দিচ্ছি। কৃষক যেন কৃষিকাজ স্বাচ্ছন্দ্য করতে পারে। তাদের জন্য অধিক মূল্যে সার কিনেও আমরা কম দামে সার, বীজ, কৃষি উপকরণ বিতরণ করে যাচ্ছি। ধান কাটায় তাদের পাশে থেকে- আমাদের ছাত্রসমাজ, যুবসমাজ তাদের সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছে। উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আমরা ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গণভবনে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। এসময় পতেঙ্গা প্রান্তে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল আলম চৌধুরী নওফেল, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, সেতু বিভাগের সচিব মো. মনজুর হোসেন, প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।