নারায়ণগঞ্জ ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে নূর হাবিবের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ট ব্যবসায়ীরা পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামকে ছাড়াল বাংলাদেশ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ট্রেন চলাচল বন্ধ ৪ ডিসেম্বর থেকে হিন্দি সিনেমায় জয়া আহসান, নায়ক পঙ্কজ ত্রিপাঠি গ্রুপ সেরা আর্জেন্টিনা, শেষ ষোলয় প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া সিদ্ধিরগঞ্জে জয়নাল বাহিনীর ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় স্কুলে অনৈতিক আর্থিক সুবিধায় ক্ষমতার চেয়ারে শিক্ষিকা দিলরুবা রূপগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় ৭ বছরের মাদ্রাসা পরুয়া শিশুর মৃত্যু ফতুল্লা ওসি’র কন্যা রাইসা জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন সোনারগাঁয়ে টেক্সটাইল মিলে ও মিষ্টি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

হত্যা মামলায় ১জনের মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ নারায়ণগঞ্জ বন্দরে হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে আরও দুই আসামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান গতকাল সোমবার(৩ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০ টায় এই রায় ঘোষনার সময় তিন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী নবীগঞ্জ এলাকার দেলোয়ার হোসনের ছেলে মিঠু ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন নোয়াদ্দা এলাকার মঞ্জুর হকের ছেলে মুন্না এবং নোয়াদ্দা এলাকার বংগার ছেলে শয়ন।
আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, বন্দরের কাইতাখালী এলাকার মৃত শফিউদ্দিন সিকদারের ছেলে মিজান সিকদার মিশর খুনের শিকার হন। সে গাজীপুরে একটি ডাইং কারখানায় কাজ করত। সে ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করছিলেন।হত্যার ঘটনার পর দিন নিহতের ভাই সানি বাদী হয়ে মিঠুকে প্রধান আসামি করে মামলা করে। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালত দীর্ঘ শুনানি ও ১২ জনের সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে মিঠুকে মৃত্যুদন্ড, মুন্না ও শয়নকে যাবজ্জীবন প্রদান করেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের আরও ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেন, অনাদায়ে আরও ১ বছর সাজা প্রদান করেন।
মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই সানি জানান, পাওনা মাত্র ৫০০ টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মিজান সিকদার মিশরের সাথে তর্ক-বির্তক হয় নোয়াদ্দা এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মিঠুর । ২০১৯ সালে ২৩ জুলাই রাতে মশার কয়েল কিনতে দোকানে গেলে মিঠু ও তার সহযোগীরা মিজান সিকদার মিশরকে ছুরিকাঘাত করে। স্থানীয়রা উপজেলা কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। দ্রæত বিচার কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি। যাতে এই বিচার দেখে আর কেউ কোন মায়ের বুক খালি করার সাহস না পায়।
অপরদিকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মুন্নার মা শাহিদা বেগম বলেন, আমার ছেলে অপরাধী না, তাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমরা ন্যায বিচার পাইনি। আমরা উচ্চ আদালতে যাবো।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সিদ্ধিরগঞ্জে নূর হাবিবের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ট ব্যবসায়ীরা

হত্যা মামলায় ১জনের মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

আপডেট সময় : ০১:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ নারায়ণগঞ্জ বন্দরে হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে আরও দুই আসামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান গতকাল সোমবার(৩ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০ টায় এই রায় ঘোষনার সময় তিন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী নবীগঞ্জ এলাকার দেলোয়ার হোসনের ছেলে মিঠু ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন নোয়াদ্দা এলাকার মঞ্জুর হকের ছেলে মুন্না এবং নোয়াদ্দা এলাকার বংগার ছেলে শয়ন।
আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, বন্দরের কাইতাখালী এলাকার মৃত শফিউদ্দিন সিকদারের ছেলে মিজান সিকদার মিশর খুনের শিকার হন। সে গাজীপুরে একটি ডাইং কারখানায় কাজ করত। সে ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করছিলেন।হত্যার ঘটনার পর দিন নিহতের ভাই সানি বাদী হয়ে মিঠুকে প্রধান আসামি করে মামলা করে। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালত দীর্ঘ শুনানি ও ১২ জনের সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে মিঠুকে মৃত্যুদন্ড, মুন্না ও শয়নকে যাবজ্জীবন প্রদান করেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের আরও ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেন, অনাদায়ে আরও ১ বছর সাজা প্রদান করেন।
মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই সানি জানান, পাওনা মাত্র ৫০০ টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মিজান সিকদার মিশরের সাথে তর্ক-বির্তক হয় নোয়াদ্দা এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মিঠুর । ২০১৯ সালে ২৩ জুলাই রাতে মশার কয়েল কিনতে দোকানে গেলে মিঠু ও তার সহযোগীরা মিজান সিকদার মিশরকে ছুরিকাঘাত করে। স্থানীয়রা উপজেলা কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। দ্রæত বিচার কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি। যাতে এই বিচার দেখে আর কেউ কোন মায়ের বুক খালি করার সাহস না পায়।
অপরদিকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মুন্নার মা শাহিদা বেগম বলেন, আমার ছেলে অপরাধী না, তাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমরা ন্যায বিচার পাইনি। আমরা উচ্চ আদালতে যাবো।