নারায়ণগঞ্জ ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান উৎসব উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি: ফতুল্লার সুন্দরবন রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা রোধে নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিসি মো:রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে ২ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে নির্মাণ সামগ্রী লুটের অভিযোগ যুবদল নেতার ২০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী আহত সাংবাদিককে দেখতে আর্থিক সহায়তা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের

আড়াইহাজারে ২৮ লাখ টাকার কয়লা লুট

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে

আড়াইহাজার প্রতিনিধি :  নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় দয়াকান্দা শম্ভুপুরা এলাকার মেঘনা নদীর ঘাট থেকে ১৫০টন কয়লা বুঝায় ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যায় চালক ও তাঁর সহযোগিরা।
মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কয়লার মালিক লিয়াকত হোসেন। তিনি সুনামগঞ্জ তাহিরপুর থানাধীন পুরান খালস পো. ট্যাকের ঘাট এলাকার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে।

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন,‘আমি দীর্ঘদিন ধরে কয়লার ব্যবসা করে আসছি। তার ধারবাহিকতায় চাঁদপুর এলাকায় কয়লা বিক্রির উদ্দেশ্যে বটচোরা ঘাট থেকে মা পরিবহন নামে ইঞ্জিন চালিত ট্রলার ভাড়া করি। ১৫০ টন কয়লা সেই ট্রলারে লোড করে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ১৪ জানুয়ারি আমার ভাই সহিদুল্লাহ (৬০) রওনা দেয়। ১৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে আড়াইহাজার শম্ভুপুরা এলাকায় নদী ঘাটে নোঙর ফেলে বিরতি নেয়। এসময় ট্রলারের মালিক আমার ভাইকে সাথে নিয়ে খাবার খায়। খাবার খেয়ে আমার ভাই অচেতন হয়ে পড়ে। পরবতীতে ট্রলার মালিক আমার ভাইকে অন্ধকার স্থানে ফেলে রেখে ১৫০ টন কয়লা নিয়ে পালিয়ে যায়। কয়লার মূল্য ২৮ লাখ টাকা। পরে স্থানীয় সুজন নামে এক ব্যক্তি আমার ভাইকে দেখে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ এসে আমার ভাইকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে আমার ভাইকে অসুস্থ অবস্থায় পাই। তার কাছ থেকেই বিস্তারিত জানতে পারি।
ট্রলার মালিকের নামে নাঈম (২৮)। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রানীদিয়া এলাকার আলমগীরের ছেলে। ’

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান বলেন,‘আমরা একজনকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। সে এখনও চিকিৎসাধীন আছে। তবে সে কয়লার বিষয়ে কিছু জানায়নি।’
থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে? জবাবে তিনি বলেন,‘নদীতে নৌ পুলিশের কাজ। নৌ পুলিশের কাছে হয়তো দিয়েছে। তারা এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত

আড়াইহাজারে ২৮ লাখ টাকার কয়লা লুট

আপডেট সময় : ০৫:৫২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২

আড়াইহাজার প্রতিনিধি :  নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় দয়াকান্দা শম্ভুপুরা এলাকার মেঘনা নদীর ঘাট থেকে ১৫০টন কয়লা বুঝায় ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যায় চালক ও তাঁর সহযোগিরা।
মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কয়লার মালিক লিয়াকত হোসেন। তিনি সুনামগঞ্জ তাহিরপুর থানাধীন পুরান খালস পো. ট্যাকের ঘাট এলাকার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে।

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন,‘আমি দীর্ঘদিন ধরে কয়লার ব্যবসা করে আসছি। তার ধারবাহিকতায় চাঁদপুর এলাকায় কয়লা বিক্রির উদ্দেশ্যে বটচোরা ঘাট থেকে মা পরিবহন নামে ইঞ্জিন চালিত ট্রলার ভাড়া করি। ১৫০ টন কয়লা সেই ট্রলারে লোড করে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ১৪ জানুয়ারি আমার ভাই সহিদুল্লাহ (৬০) রওনা দেয়। ১৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে আড়াইহাজার শম্ভুপুরা এলাকায় নদী ঘাটে নোঙর ফেলে বিরতি নেয়। এসময় ট্রলারের মালিক আমার ভাইকে সাথে নিয়ে খাবার খায়। খাবার খেয়ে আমার ভাই অচেতন হয়ে পড়ে। পরবতীতে ট্রলার মালিক আমার ভাইকে অন্ধকার স্থানে ফেলে রেখে ১৫০ টন কয়লা নিয়ে পালিয়ে যায়। কয়লার মূল্য ২৮ লাখ টাকা। পরে স্থানীয় সুজন নামে এক ব্যক্তি আমার ভাইকে দেখে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ এসে আমার ভাইকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে আমার ভাইকে অসুস্থ অবস্থায় পাই। তার কাছ থেকেই বিস্তারিত জানতে পারি।
ট্রলার মালিকের নামে নাঈম (২৮)। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রানীদিয়া এলাকার আলমগীরের ছেলে। ’

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান বলেন,‘আমরা একজনকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। সে এখনও চিকিৎসাধীন আছে। তবে সে কয়লার বিষয়ে কিছু জানায়নি।’
থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে? জবাবে তিনি বলেন,‘নদীতে নৌ পুলিশের কাজ। নৌ পুলিশের কাছে হয়তো দিয়েছে। তারা এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’