নারায়ণগঞ্জ ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত আদমজী ইপিজেডকে অশান্ত করছে জনপ্রতিনিধিরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে মহিলা লীগ নেত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় না’গঞ্জ কারাগারে হাজতীর মৃত্যু ফতুল্লায় চোরাইকৃত ট্যাংকলড়ী উদ্ধার আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল ঘুরে গেলেন ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহরে নারী সমাবেশ ও মিছিল

আড়াইহাজারে ২৮ লাখ টাকার কয়লা লুট

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

আড়াইহাজার প্রতিনিধি :  নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় দয়াকান্দা শম্ভুপুরা এলাকার মেঘনা নদীর ঘাট থেকে ১৫০টন কয়লা বুঝায় ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যায় চালক ও তাঁর সহযোগিরা।
মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কয়লার মালিক লিয়াকত হোসেন। তিনি সুনামগঞ্জ তাহিরপুর থানাধীন পুরান খালস পো. ট্যাকের ঘাট এলাকার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে।

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন,‘আমি দীর্ঘদিন ধরে কয়লার ব্যবসা করে আসছি। তার ধারবাহিকতায় চাঁদপুর এলাকায় কয়লা বিক্রির উদ্দেশ্যে বটচোরা ঘাট থেকে মা পরিবহন নামে ইঞ্জিন চালিত ট্রলার ভাড়া করি। ১৫০ টন কয়লা সেই ট্রলারে লোড করে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ১৪ জানুয়ারি আমার ভাই সহিদুল্লাহ (৬০) রওনা দেয়। ১৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে আড়াইহাজার শম্ভুপুরা এলাকায় নদী ঘাটে নোঙর ফেলে বিরতি নেয়। এসময় ট্রলারের মালিক আমার ভাইকে সাথে নিয়ে খাবার খায়। খাবার খেয়ে আমার ভাই অচেতন হয়ে পড়ে। পরবতীতে ট্রলার মালিক আমার ভাইকে অন্ধকার স্থানে ফেলে রেখে ১৫০ টন কয়লা নিয়ে পালিয়ে যায়। কয়লার মূল্য ২৮ লাখ টাকা। পরে স্থানীয় সুজন নামে এক ব্যক্তি আমার ভাইকে দেখে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ এসে আমার ভাইকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে আমার ভাইকে অসুস্থ অবস্থায় পাই। তার কাছ থেকেই বিস্তারিত জানতে পারি।
ট্রলার মালিকের নামে নাঈম (২৮)। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রানীদিয়া এলাকার আলমগীরের ছেলে। ’

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান বলেন,‘আমরা একজনকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। সে এখনও চিকিৎসাধীন আছে। তবে সে কয়লার বিষয়ে কিছু জানায়নি।’
থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে? জবাবে তিনি বলেন,‘নদীতে নৌ পুলিশের কাজ। নৌ পুলিশের কাছে হয়তো দিয়েছে। তারা এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত

আড়াইহাজারে ২৮ লাখ টাকার কয়লা লুট

আপডেট সময় : ০৫:৫২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২

আড়াইহাজার প্রতিনিধি :  নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় দয়াকান্দা শম্ভুপুরা এলাকার মেঘনা নদীর ঘাট থেকে ১৫০টন কয়লা বুঝায় ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যায় চালক ও তাঁর সহযোগিরা।
মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কয়লার মালিক লিয়াকত হোসেন। তিনি সুনামগঞ্জ তাহিরপুর থানাধীন পুরান খালস পো. ট্যাকের ঘাট এলাকার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে।

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন,‘আমি দীর্ঘদিন ধরে কয়লার ব্যবসা করে আসছি। তার ধারবাহিকতায় চাঁদপুর এলাকায় কয়লা বিক্রির উদ্দেশ্যে বটচোরা ঘাট থেকে মা পরিবহন নামে ইঞ্জিন চালিত ট্রলার ভাড়া করি। ১৫০ টন কয়লা সেই ট্রলারে লোড করে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ১৪ জানুয়ারি আমার ভাই সহিদুল্লাহ (৬০) রওনা দেয়। ১৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে আড়াইহাজার শম্ভুপুরা এলাকায় নদী ঘাটে নোঙর ফেলে বিরতি নেয়। এসময় ট্রলারের মালিক আমার ভাইকে সাথে নিয়ে খাবার খায়। খাবার খেয়ে আমার ভাই অচেতন হয়ে পড়ে। পরবতীতে ট্রলার মালিক আমার ভাইকে অন্ধকার স্থানে ফেলে রেখে ১৫০ টন কয়লা নিয়ে পালিয়ে যায়। কয়লার মূল্য ২৮ লাখ টাকা। পরে স্থানীয় সুজন নামে এক ব্যক্তি আমার ভাইকে দেখে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ এসে আমার ভাইকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে আমার ভাইকে অসুস্থ অবস্থায় পাই। তার কাছ থেকেই বিস্তারিত জানতে পারি।
ট্রলার মালিকের নামে নাঈম (২৮)। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রানীদিয়া এলাকার আলমগীরের ছেলে। ’

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান বলেন,‘আমরা একজনকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। সে এখনও চিকিৎসাধীন আছে। তবে সে কয়লার বিষয়ে কিছু জানায়নি।’
থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে? জবাবে তিনি বলেন,‘নদীতে নৌ পুলিশের কাজ। নৌ পুলিশের কাছে হয়তো দিয়েছে। তারা এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’