সংবাদ শিরোনাম ::
Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento আড়াইহাজার উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের মতবিনিময় বিএনপি নেতা মামুনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ মাদকের আখড়ায় পরিণত সিদ্ধিরগঞ্জের বাঘমারা সাংবাদিক কাজী মোদাচ্ছের হোসেন সুলতান এর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সিদ্ধিরগঞ্জে দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় হামলা, মারধর : নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট আড়াইহাজা‌রে দলীয় পরিচয়ে অন্যায় করলে ছাড় নয়: রাকিবুল ইসলাম রাকিব পদ্মা অয়েল পিএলসি এর মহাব্যবস্থাপক আসিফ মালিক’কে বিদায় সংবর্ধনা বাংলা ৫২ নিউজ ডটকমের ১০ম বর্ষে পদার্পণ আড়াইহাজারে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইর্ষান্বিত হয়েই আজাদের বিরু’দ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে : উপজেলা বিএনপি

বয়সসীমা ৩৫ রেখে ফের ভ্যাকসিনের নিবন্ধন শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৪:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১
  • ৩১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহীদের জন্য ফের শুরু হচ্ছে নিবন্ধন কার্যক্রম। আগামী বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) ফের অনলাইনে সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মে এই নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে। এবারে এই নিবন্ধনের জন্য সর্বনিম্ন বয়সসীমা রাখা হচ্ছে ৩৫ বছর।

সোমবার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশিদ আলম এবং অধিদফতরের অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির পরিচালক ও মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন সারাবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডিজি হেলথ ডা. খুরশিদ আলম সারাবাংলাকে বলেন, কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের মজুত শেষের পথে থাকায় ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহীদের নিবন্ধনের সুযোগ বন্ধ ছিল। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে আবার সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন করতে পারবেন সবাই।

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তিরা করোনার ভ্যাকসিন প্রাপ্তির জন্য নিবন্ধন করতে পারছেন। এটি এখন কমিয়ে আনা হয়েছে। ৩৫ বছরের ব্যক্তিরা নিবন্ধন করতে পারবেন। রোববার (৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

সুরক্ষায় নিবন্ধনের জন্য আগের মতোই শর্ত থাকছে কি না— জানতে চাইলে ডা. রোবেদ আমিন বলেন, এর আগে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য ন্যূনতম ৪০ বছর বয়স প্রয়োজন হতো। এখন ৩৫ বছরের বেশি বয়সী যে কেউ ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থী ও প্রবাসীসহ অন্য যাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে, তারাও নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের জন্য উন্মুক্ত করে সুরক্ষায় নিবন্ধন করতে পারবেন।

যেভাবে নিবন্ধন করা যাবে :

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পেতে আগ্রহীরা সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে গিয়ে অথবা মোবাইলে অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

অ্যাপটি ফ্রি ডাউনলোড করা যাবে (www.surokkha.gov.bd)। নিবন্ধনের পর সেখান থেকেই জানা যাবে, কবে কখন টিকা নিতে হবে।

পরিচয় যাচাইয়ে এই অ্যাপে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরি আছে। যার একটি সিলেক্ট করার পর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে নিবন্ধন শুরু করতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর যাচাই করে সব ঠিক থাকলে স্ক্রিনে নিবন্ধনকারীর নাম দেখানো হবে বাংলা ও ইংরেজিতে। সেখানে একটি ঘরে একটি মোবাইল ফোন নম্বর চাওয়া হবে, যে নম্বরে তাকে পরবর্তীতে ভ্যাকসিন সংক্রান্ত তথ্য এসএমএস করা হবে।

কেন্দ্রে গিয়ে নিতে হবে ভ্যাকসিন :

প্রথমে ভ্যাকসিন কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল বা অ্যাপের ‘টিকা কার্ড সংগ্রহ’ বাটনে ক্লিক করে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্মতারিখ দিয়ে ‘যাচাই করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিবন্ধনের সময় দেওয়া মুঠোফোনের নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ওটিপি (ওভার দ্য ফোন) কোড দিয়ে ‘ভ্যাকসিন কার্ড ডাউনলোড’ বাটনে ক্লিক করলে টিকা কার্ড ডাউনলোড হবে।

এসএমএসের মাধ্যমে পাওয়া টিকা গ্রহণের তারিখে নির্দিষ্ট টিকাকেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত হয়ে টিকা নেওয়া যাবে। এ সময় টিকা কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। কোভিড-১৯ টিকার দুটি ডোজ নেওয়ার পর সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল থেকে টিকা সনদ সংগ্রহ করা যাবে।

সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৭২ লাখ ৮২ হাজার ৮৬৯ জন।

 

ভ্যাকসিন না আসার কারণে দেশে ২৬ এপ্রিল থেকে প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন প্রয়োগ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। পরবর্তীতে নিবন্ধনও বন্ধ রাখা হয়।

তবে ধীরে ধীরে ভ্যাকসিনের সংকট কাটতে শুরু করে। চীন থেকে ভ্যাকসিন আনার উদ্যোগ নেয় সরকার। একই সঙ্গে রাশিয়া থেকেও ভ্যাকসিন আনার উদ্যোগ নেয় সরকার। চীন সরকারের উপহার হিসেবে দেশে প্রায় ৩১ লাখ ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছায়। একই সঙ্গে কোভ্যাক্সের আওতায় দেশে ফাইজারের এক লাখ ৬০০ ডোজ ভ্যাকসিন আসে। সর্বশেষ কোভ্যাক্সের আওতায় মডার্নার ২৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছায়।

এরইমধ্যে দেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মেডিকেল শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন নার্সিং ইনস্টিটিউট ও ম্যাটসের শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করে সরকারিভাবে। একই সঙ্গে প্রবাসীদের ভ্যাকসিন প্রয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া সরকারিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন আবাসিক হলে থাকা শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento

বয়সসীমা ৩৫ রেখে ফের ভ্যাকসিনের নিবন্ধন শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার

আপডেট সময় : ০৭:৫৪:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহীদের জন্য ফের শুরু হচ্ছে নিবন্ধন কার্যক্রম। আগামী বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) ফের অনলাইনে সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মে এই নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে। এবারে এই নিবন্ধনের জন্য সর্বনিম্ন বয়সসীমা রাখা হচ্ছে ৩৫ বছর।

সোমবার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশিদ আলম এবং অধিদফতরের অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির পরিচালক ও মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন সারাবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডিজি হেলথ ডা. খুরশিদ আলম সারাবাংলাকে বলেন, কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের মজুত শেষের পথে থাকায় ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহীদের নিবন্ধনের সুযোগ বন্ধ ছিল। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে আবার সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন করতে পারবেন সবাই।

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তিরা করোনার ভ্যাকসিন প্রাপ্তির জন্য নিবন্ধন করতে পারছেন। এটি এখন কমিয়ে আনা হয়েছে। ৩৫ বছরের ব্যক্তিরা নিবন্ধন করতে পারবেন। রোববার (৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

সুরক্ষায় নিবন্ধনের জন্য আগের মতোই শর্ত থাকছে কি না— জানতে চাইলে ডা. রোবেদ আমিন বলেন, এর আগে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য ন্যূনতম ৪০ বছর বয়স প্রয়োজন হতো। এখন ৩৫ বছরের বেশি বয়সী যে কেউ ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থী ও প্রবাসীসহ অন্য যাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে, তারাও নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের জন্য উন্মুক্ত করে সুরক্ষায় নিবন্ধন করতে পারবেন।

যেভাবে নিবন্ধন করা যাবে :

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পেতে আগ্রহীরা সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে গিয়ে অথবা মোবাইলে অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

অ্যাপটি ফ্রি ডাউনলোড করা যাবে (www.surokkha.gov.bd)। নিবন্ধনের পর সেখান থেকেই জানা যাবে, কবে কখন টিকা নিতে হবে।

পরিচয় যাচাইয়ে এই অ্যাপে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরি আছে। যার একটি সিলেক্ট করার পর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে নিবন্ধন শুরু করতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর যাচাই করে সব ঠিক থাকলে স্ক্রিনে নিবন্ধনকারীর নাম দেখানো হবে বাংলা ও ইংরেজিতে। সেখানে একটি ঘরে একটি মোবাইল ফোন নম্বর চাওয়া হবে, যে নম্বরে তাকে পরবর্তীতে ভ্যাকসিন সংক্রান্ত তথ্য এসএমএস করা হবে।

কেন্দ্রে গিয়ে নিতে হবে ভ্যাকসিন :

প্রথমে ভ্যাকসিন কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল বা অ্যাপের ‘টিকা কার্ড সংগ্রহ’ বাটনে ক্লিক করে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্মতারিখ দিয়ে ‘যাচাই করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিবন্ধনের সময় দেওয়া মুঠোফোনের নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ওটিপি (ওভার দ্য ফোন) কোড দিয়ে ‘ভ্যাকসিন কার্ড ডাউনলোড’ বাটনে ক্লিক করলে টিকা কার্ড ডাউনলোড হবে।

এসএমএসের মাধ্যমে পাওয়া টিকা গ্রহণের তারিখে নির্দিষ্ট টিকাকেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত হয়ে টিকা নেওয়া যাবে। এ সময় টিকা কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। কোভিড-১৯ টিকার দুটি ডোজ নেওয়ার পর সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল থেকে টিকা সনদ সংগ্রহ করা যাবে।

সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৭২ লাখ ৮২ হাজার ৮৬৯ জন।

 

ভ্যাকসিন না আসার কারণে দেশে ২৬ এপ্রিল থেকে প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন প্রয়োগ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। পরবর্তীতে নিবন্ধনও বন্ধ রাখা হয়।

তবে ধীরে ধীরে ভ্যাকসিনের সংকট কাটতে শুরু করে। চীন থেকে ভ্যাকসিন আনার উদ্যোগ নেয় সরকার। একই সঙ্গে রাশিয়া থেকেও ভ্যাকসিন আনার উদ্যোগ নেয় সরকার। চীন সরকারের উপহার হিসেবে দেশে প্রায় ৩১ লাখ ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছায়। একই সঙ্গে কোভ্যাক্সের আওতায় দেশে ফাইজারের এক লাখ ৬০০ ডোজ ভ্যাকসিন আসে। সর্বশেষ কোভ্যাক্সের আওতায় মডার্নার ২৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছায়।

এরইমধ্যে দেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মেডিকেল শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন নার্সিং ইনস্টিটিউট ও ম্যাটসের শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করে সরকারিভাবে। একই সঙ্গে প্রবাসীদের ভ্যাকসিন প্রয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া সরকারিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন আবাসিক হলে থাকা শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।