নারায়ণগঞ্জ ০৪:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব- আবদুল জব্বার ঈদকে সামনে রেখে হাট-বাজার ও বসতবাড়ির নিরাপত্তায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: ডিসি রায়হান কবির ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে পুনর্বহাল ও এস আলমের দোসরদের বহিষ্কারের দাবিতে চিটাগাং রোডে মানববন্ধন নাসিক ৪ নং ওয়ার্ডের টাইগার মিলস মাঠের গরুর হাটের শুভ উদ্বোধন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে পশু জবাই, চামড়া সংরক্ষণ ও বিনামূল্যে লবণ বিতরণ বিষয়ক সচেতনতা কার্যক্রম নারায়ণগঞ্জে ‘জলবায়ু সহিষ্ণু ক্যাম্পাস উদ্যোগ’: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ ফতুল্লায় ৬ বছরের শিশু ধর্ষণ: ডিসি-এসপির থানা পরিদর্শন, সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থার নির্দেশ কর্মী ও অসুস্থ রোগীদের খোঁজ-খবর নিলেন জামায়াত নেতা মাওলানা মইনুউদ্দিন আহমাদ রাস্তার দখল নিয়ে বন্দরে প্রতিবেশীদের বর্বর হামলায় ৩ রক্তাক্ত, শিশুকে পুকুরে ফেলে হত্যার চেষ্টা পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জবাসীর উদ্দেশে ডিসি রায়হান কবিরের আহ্বান

মাকে পাগল সাজিয়ে প্রেরণ করলো রিহ্যাবে, বড় ছেলে করলো উদ্ধার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১
  • ৩১২ বার পড়া হয়েছে

বন্দর প্রতিনিধি ঃ    নারায়ণগঞ্জ বন্দর ২১ নং ওয়ার্ডের ছালেহনগর এলাকার মৃত আব্দুল আজিজ তোতা মিয়ার স্ত্রী মমতাজ বেগম। মমতাজ বেগমের তিন ছেলে ও দুই মেয়ে। এদের মধ্যে দুই ছেলে ও দুই মেয়ে ফ্রান্স প্রবাসী। বড় ছেলে মমতাজ আহমেদ মতি ও মেজো ছেলে ইমতিয়াজ আলী সহ দুই মেয়ে রানু ও রোজি ফ্রান্সে বসবাস করে আসছে দীর্ঘদিন যাবত৷ আর ছোট ছেলে বাবর আলী রজ্জব দেশেই থাকেন৷ তিন বছর পূর্বে আব্দুল আজিজ মিয়া মারা গেলে মমতাজ বেগমের উপর চালু হয় নির্দয় হৃদয়বিদারক নানারকম নির্যাতন। মমতাজ বেগমের ছোট ছেলে রজ্জব তার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে রুপালি আবাসিক এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করছে। মমতাজ বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার কাছ থেকে ছোট ছেলে রজ্জব মাসে লাখে ১০০০ টাকা করে মোট ১০ লাখে ১০ হাজার টাকা মাসিক খরচ দিবে বলেন নগদ ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়, আমি ডিপিএস ভেঙে এই টাকাগুলো ওকে দেই পরবর্তীতে আমি আমার ভরণপোষণের জন্য উক্ত টাকা চাইলে আমার উপর অমানুষিক ও অমানবিক নির্যাতন চালায় রজ্জব। লোকলজ্জার ভয়ে অনেক দিন আমি চুপ থেকেছি কিন্তু শেষমেশ আমি না পেরে থানায় অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছি। অপরদিকে আমার ছোট মেয়ে ফাহিমা আক্তার রোজী আমার কাছ থেকে জায়গা কিনার কথা বলে ১৩ লক্ষ টাকা নেয়, তার কাছেও পাওনা টাকা চাইলে সে আমাকে প্রায় সে গলাচেপে ধরে এবং নির্মম নির্যাতন করে। আমি পঞ্চায়েতি ভাবে একবার শালিস বসালেও এ বিষয়ে কোনো সুরাহা পাইনি৷ বর্তমানে আমি আমার বড় ছেলের বাসায় থাকছি আমাকে আমার ছোট ছেলে রজ্জব কোন ভরণপোষণের টাকা-পয়সা দিচ্ছে না এমনকি আমার পাওনা টাকা ও আত্মসাৎ করেছে৷ আমি জীবনের শেষ সময়ে এসে বহু কষ্টে দিনযাপন করছি প্রতি মাসে আমার ১৫ হাজার টাকার ওষুধ লাগে এছাড়াও আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি আমার গর্ভের সন্তান আমাকে অর্থ সম্পদের লোভে প্রায়শই মারধর করে হত্যার চেষ্টা চালায় যা মেনে নিতে কষ্টলাগে। এর মধ্যে আমাকে বাবর মাসখানেক আগে পায়ে শিকল দিয়ে বেধে নির্যাতন করে টয়লেটে আটকে রাখে পরে রাতে গোপনে অ্যাম্বুলেন্সে করে শিকল বাঁধা অবস্থায় ঢাকা শ্যামলী এলাকায় অবস্থিত সেফ হাউস নামে একটি রিহ্যাব সেন্টারে পাগল সাজিয়ে রেখে আসে, পরে আমার বড় ছেলে প্রবাসে থেকেই আমাকে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে সেখান থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে।

এই বিষয়ে মমতাজ বেগমের ছোট ছেলে রজ্জবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মাকে আমি নির্যাতন করেছি না কি করেছি তা আমি বুঝবো, তাকে তো শুধু পাগলামির জন্য পিটিয়েছি প্রয়োজন হলে আবারো মেরে পাগলা গারদে পাঠাবো। পুলিশ আর সাংবাদিক আমার কোন লো.. ছিঁড়বে তা আমার জানা আছে।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব- আবদুল জব্বার

মাকে পাগল সাজিয়ে প্রেরণ করলো রিহ্যাবে, বড় ছেলে করলো উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:১৯:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

বন্দর প্রতিনিধি ঃ    নারায়ণগঞ্জ বন্দর ২১ নং ওয়ার্ডের ছালেহনগর এলাকার মৃত আব্দুল আজিজ তোতা মিয়ার স্ত্রী মমতাজ বেগম। মমতাজ বেগমের তিন ছেলে ও দুই মেয়ে। এদের মধ্যে দুই ছেলে ও দুই মেয়ে ফ্রান্স প্রবাসী। বড় ছেলে মমতাজ আহমেদ মতি ও মেজো ছেলে ইমতিয়াজ আলী সহ দুই মেয়ে রানু ও রোজি ফ্রান্সে বসবাস করে আসছে দীর্ঘদিন যাবত৷ আর ছোট ছেলে বাবর আলী রজ্জব দেশেই থাকেন৷ তিন বছর পূর্বে আব্দুল আজিজ মিয়া মারা গেলে মমতাজ বেগমের উপর চালু হয় নির্দয় হৃদয়বিদারক নানারকম নির্যাতন। মমতাজ বেগমের ছোট ছেলে রজ্জব তার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে রুপালি আবাসিক এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করছে। মমতাজ বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার কাছ থেকে ছোট ছেলে রজ্জব মাসে লাখে ১০০০ টাকা করে মোট ১০ লাখে ১০ হাজার টাকা মাসিক খরচ দিবে বলেন নগদ ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়, আমি ডিপিএস ভেঙে এই টাকাগুলো ওকে দেই পরবর্তীতে আমি আমার ভরণপোষণের জন্য উক্ত টাকা চাইলে আমার উপর অমানুষিক ও অমানবিক নির্যাতন চালায় রজ্জব। লোকলজ্জার ভয়ে অনেক দিন আমি চুপ থেকেছি কিন্তু শেষমেশ আমি না পেরে থানায় অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছি। অপরদিকে আমার ছোট মেয়ে ফাহিমা আক্তার রোজী আমার কাছ থেকে জায়গা কিনার কথা বলে ১৩ লক্ষ টাকা নেয়, তার কাছেও পাওনা টাকা চাইলে সে আমাকে প্রায় সে গলাচেপে ধরে এবং নির্মম নির্যাতন করে। আমি পঞ্চায়েতি ভাবে একবার শালিস বসালেও এ বিষয়ে কোনো সুরাহা পাইনি৷ বর্তমানে আমি আমার বড় ছেলের বাসায় থাকছি আমাকে আমার ছোট ছেলে রজ্জব কোন ভরণপোষণের টাকা-পয়সা দিচ্ছে না এমনকি আমার পাওনা টাকা ও আত্মসাৎ করেছে৷ আমি জীবনের শেষ সময়ে এসে বহু কষ্টে দিনযাপন করছি প্রতি মাসে আমার ১৫ হাজার টাকার ওষুধ লাগে এছাড়াও আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি আমার গর্ভের সন্তান আমাকে অর্থ সম্পদের লোভে প্রায়শই মারধর করে হত্যার চেষ্টা চালায় যা মেনে নিতে কষ্টলাগে। এর মধ্যে আমাকে বাবর মাসখানেক আগে পায়ে শিকল দিয়ে বেধে নির্যাতন করে টয়লেটে আটকে রাখে পরে রাতে গোপনে অ্যাম্বুলেন্সে করে শিকল বাঁধা অবস্থায় ঢাকা শ্যামলী এলাকায় অবস্থিত সেফ হাউস নামে একটি রিহ্যাব সেন্টারে পাগল সাজিয়ে রেখে আসে, পরে আমার বড় ছেলে প্রবাসে থেকেই আমাকে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে সেখান থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে।

এই বিষয়ে মমতাজ বেগমের ছোট ছেলে রজ্জবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মাকে আমি নির্যাতন করেছি না কি করেছি তা আমি বুঝবো, তাকে তো শুধু পাগলামির জন্য পিটিয়েছি প্রয়োজন হলে আবারো মেরে পাগলা গারদে পাঠাবো। পুলিশ আর সাংবাদিক আমার কোন লো.. ছিঁড়বে তা আমার জানা আছে।