নারায়ণগঞ্জ ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ডিসির মাধ্যমে আবেদন নারায়ণগঞ্জে বিডিএস অবহিতকরণ সভায় ড্রোনের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে হবে জমি জরিপ:ডিসি রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করেন ডিসি রায়হান কবির কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ ফতুল্লায় দূষণের দায়ে আকবর ডাইংকে জরিমান নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দিলেন ডিসি রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে নাসিকের ওয়ার্ড সচিবের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বিভাগীয় কমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা সিদ্ধিরগঞ্জে গোসলে নেমে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু সোনারগাঁয়ের পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ শুভ উদ্বোধনে শিক্ষা মন্ত্রী

সোনারগাঁওয়ে সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১
  • ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে

সোনারগাঁও প্রতিনিধিঃ

কোন অপরাধ না করেও সাজা ভোগ করতে হচ্ছে সোনাগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী শফিকুল ইসলামকে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের সাংবাদিক হাজী শফিকুল ইসলামকে জামায়াত শিবিরের একটি মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়া হয়েছে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযাগ করা হয়েছে।

সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবে মঙ্গলবার (৮ জুন) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আলোকিত বাংলাদেশের সাবেক উপজেলা প্রতিনিধি হাজী শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার এ দাবি জানান। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তার ছেলে মোহাম্মদ উজ্জল ও মেয়ে নাদিয়া ইসলাম কামনা।

শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার বলেন, ৩ বছর আগে সোনারগাঁও জাদুঘরে পুলিশের ওপর হামলার একটি মামলায় তার স্বামীকে ষড়যন্ত্র করে আসামি করা হয়েছে। তিনি জোড় দিয়ে বলেন, শফিকুল ইসরাম কখনও জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সোনারগাঁয়ে পুলিশের ওপর হামলার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। সোনারগাঁও থানায় তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মো. মঞ্জুর কাদেরের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশের কারণে তিনি আক্রোশের শিকার হয়েছেন বলে তার পরিবারের অভিযোগ। ৩ বছর আগের পুলিশের ওপর হামলার এই ঘটনার শফিকুল ইসলামের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও অভিযোগের বিষয়টি তাকে অবহিত করা হয়নি। ৩ বছর পর মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যুর পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে এলে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন।
এ ব্যাপারে সোনাগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আব্দুস সাত্তার প্রধান বলেন, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমার জানা মতে সে আওয়ামী পরিবারের সন্তান এবং রাষ্ট্রবিরোধী কোন কাজে কখনো জড়িত ছিল না। দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় তখন সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকরেছেন, বর্তমানে সে দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার সোনারগাঁ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক মহলেও ব্যাপক অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং হাজী শফিকুলের মুক্তি দাবি করেছেন।

সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লোগ আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম শফিকুল গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, হাজী শফিকুল কখনও বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তিনি তার মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চান।

তিনি আরো জানান, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সনমান্দি ইউপি কমিনিউটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খোকনের ছোট ভাই। ছোটবেলা থেকেই সে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির রাজনীতিতে বিশ্বাসী।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ডিসির মাধ্যমে আবেদন

সোনারগাঁওয়ে সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৯:২৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১

সোনারগাঁও প্রতিনিধিঃ

কোন অপরাধ না করেও সাজা ভোগ করতে হচ্ছে সোনাগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী শফিকুল ইসলামকে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের সাংবাদিক হাজী শফিকুল ইসলামকে জামায়াত শিবিরের একটি মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়া হয়েছে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযাগ করা হয়েছে।

সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবে মঙ্গলবার (৮ জুন) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আলোকিত বাংলাদেশের সাবেক উপজেলা প্রতিনিধি হাজী শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার এ দাবি জানান। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তার ছেলে মোহাম্মদ উজ্জল ও মেয়ে নাদিয়া ইসলাম কামনা।

শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার বলেন, ৩ বছর আগে সোনারগাঁও জাদুঘরে পুলিশের ওপর হামলার একটি মামলায় তার স্বামীকে ষড়যন্ত্র করে আসামি করা হয়েছে। তিনি জোড় দিয়ে বলেন, শফিকুল ইসরাম কখনও জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সোনারগাঁয়ে পুলিশের ওপর হামলার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। সোনারগাঁও থানায় তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মো. মঞ্জুর কাদেরের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশের কারণে তিনি আক্রোশের শিকার হয়েছেন বলে তার পরিবারের অভিযোগ। ৩ বছর আগের পুলিশের ওপর হামলার এই ঘটনার শফিকুল ইসলামের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও অভিযোগের বিষয়টি তাকে অবহিত করা হয়নি। ৩ বছর পর মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যুর পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে এলে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন।
এ ব্যাপারে সোনাগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আব্দুস সাত্তার প্রধান বলেন, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমার জানা মতে সে আওয়ামী পরিবারের সন্তান এবং রাষ্ট্রবিরোধী কোন কাজে কখনো জড়িত ছিল না। দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় তখন সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকরেছেন, বর্তমানে সে দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার সোনারগাঁ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক মহলেও ব্যাপক অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং হাজী শফিকুলের মুক্তি দাবি করেছেন।

সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লোগ আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম শফিকুল গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, হাজী শফিকুল কখনও বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তিনি তার মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চান।

তিনি আরো জানান, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সনমান্দি ইউপি কমিনিউটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খোকনের ছোট ভাই। ছোটবেলা থেকেই সে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির রাজনীতিতে বিশ্বাসী।