নারায়ণগঞ্জ ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুপগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ২৬ মামলার পলাতক আসামী বিদেশি পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার লংমার্চ সফল করার আহ্বান খেলাফত মজলিস নেতা মুফতী দেলোয়ার আল হুসাইনের বদলিজনিত বিদায়ে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সিকে জার্নালিস্ট ইউনিটির পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান সৌদিতে পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনে সমন্বিতভাবে কাজ করছে দূতাবাস: রাষ্ট্রদূত সোনারগাঁয়ে নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যোগদান শিক্ষার্থীদের মাঝে সরকারি কার্যক্রম তুলে ধরতে সদর ইউএনও অফিসে অবহিতকরণ সভা ভূমি সেবায় ‘জিরো টলারেন্স’নীতি ঘোষণা ও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ সহ অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিসির সোনারগাঁয়ে ৩২ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন সচেতনতায় উঠান বৈঠক ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী নারায়ণগঞ্জে রাত ৮টার পর দোকান-শপিংমল বন্ধের নির্দেশনা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর হওয়ার আহ্বান ডিসির

সোনারগাঁওয়ে সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১
  • ৪১১ বার পড়া হয়েছে

সোনারগাঁও প্রতিনিধিঃ

কোন অপরাধ না করেও সাজা ভোগ করতে হচ্ছে সোনাগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী শফিকুল ইসলামকে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের সাংবাদিক হাজী শফিকুল ইসলামকে জামায়াত শিবিরের একটি মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়া হয়েছে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযাগ করা হয়েছে।

সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবে মঙ্গলবার (৮ জুন) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আলোকিত বাংলাদেশের সাবেক উপজেলা প্রতিনিধি হাজী শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার এ দাবি জানান। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তার ছেলে মোহাম্মদ উজ্জল ও মেয়ে নাদিয়া ইসলাম কামনা।

শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার বলেন, ৩ বছর আগে সোনারগাঁও জাদুঘরে পুলিশের ওপর হামলার একটি মামলায় তার স্বামীকে ষড়যন্ত্র করে আসামি করা হয়েছে। তিনি জোড় দিয়ে বলেন, শফিকুল ইসরাম কখনও জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সোনারগাঁয়ে পুলিশের ওপর হামলার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। সোনারগাঁও থানায় তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মো. মঞ্জুর কাদেরের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশের কারণে তিনি আক্রোশের শিকার হয়েছেন বলে তার পরিবারের অভিযোগ। ৩ বছর আগের পুলিশের ওপর হামলার এই ঘটনার শফিকুল ইসলামের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও অভিযোগের বিষয়টি তাকে অবহিত করা হয়নি। ৩ বছর পর মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যুর পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে এলে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন।
এ ব্যাপারে সোনাগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আব্দুস সাত্তার প্রধান বলেন, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমার জানা মতে সে আওয়ামী পরিবারের সন্তান এবং রাষ্ট্রবিরোধী কোন কাজে কখনো জড়িত ছিল না। দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় তখন সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকরেছেন, বর্তমানে সে দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার সোনারগাঁ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক মহলেও ব্যাপক অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং হাজী শফিকুলের মুক্তি দাবি করেছেন।

সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লোগ আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম শফিকুল গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, হাজী শফিকুল কখনও বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তিনি তার মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চান।

তিনি আরো জানান, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সনমান্দি ইউপি কমিনিউটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খোকনের ছোট ভাই। ছোটবেলা থেকেই সে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির রাজনীতিতে বিশ্বাসী।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রুপগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ২৬ মামলার পলাতক আসামী বিদেশি পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার

সোনারগাঁওয়ে সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৯:২৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১

সোনারগাঁও প্রতিনিধিঃ

কোন অপরাধ না করেও সাজা ভোগ করতে হচ্ছে সোনাগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী শফিকুল ইসলামকে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের সাংবাদিক হাজী শফিকুল ইসলামকে জামায়াত শিবিরের একটি মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়া হয়েছে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযাগ করা হয়েছে।

সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবে মঙ্গলবার (৮ জুন) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আলোকিত বাংলাদেশের সাবেক উপজেলা প্রতিনিধি হাজী শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার এ দাবি জানান। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তার ছেলে মোহাম্মদ উজ্জল ও মেয়ে নাদিয়া ইসলাম কামনা।

শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার বলেন, ৩ বছর আগে সোনারগাঁও জাদুঘরে পুলিশের ওপর হামলার একটি মামলায় তার স্বামীকে ষড়যন্ত্র করে আসামি করা হয়েছে। তিনি জোড় দিয়ে বলেন, শফিকুল ইসরাম কখনও জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সোনারগাঁয়ে পুলিশের ওপর হামলার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। সোনারগাঁও থানায় তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মো. মঞ্জুর কাদেরের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশের কারণে তিনি আক্রোশের শিকার হয়েছেন বলে তার পরিবারের অভিযোগ। ৩ বছর আগের পুলিশের ওপর হামলার এই ঘটনার শফিকুল ইসলামের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও অভিযোগের বিষয়টি তাকে অবহিত করা হয়নি। ৩ বছর পর মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যুর পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে এলে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন।
এ ব্যাপারে সোনাগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আব্দুস সাত্তার প্রধান বলেন, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমার জানা মতে সে আওয়ামী পরিবারের সন্তান এবং রাষ্ট্রবিরোধী কোন কাজে কখনো জড়িত ছিল না। দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় তখন সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকরেছেন, বর্তমানে সে দৈনিক দিন প্রতিদিন পত্রিকার সোনারগাঁ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক মহলেও ব্যাপক অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং হাজী শফিকুলের মুক্তি দাবি করেছেন।

সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লোগ আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম শফিকুল গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, হাজী শফিকুল কখনও বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তিনি তার মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চান।

তিনি আরো জানান, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সনমান্দি ইউপি কমিনিউটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খোকনের ছোট ভাই। ছোটবেলা থেকেই সে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির রাজনীতিতে বিশ্বাসী।